শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে
চোরাইকৃত ৫ টি গরু সহ এক চোরকে গ্রেফতার করেছে।বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ফতেপুর ইউনিয়নের সংগ্রামপুর গ্রামের মৃত আক্রম আলীর ছেলে খালেক মিয়াকে (চোর)
পুলিশ গ্রেফতার করে। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে থানায় আরো চুরির মামলার রেকর্ড রয়েছে।
শনিবার (৫ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশ্বম্ভরপুর থানার এস,আই আনন্দ চন্দ্রের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এ অভিযানে চালবন গুলি কিত্তা গ্রামের হাসান আলির ছেলে বশির মিয়ার(২৪)বাড়ি থেকে চারটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযানে বোয়ালিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে দ্বীন ইসলামের ঘর থেকে আরো ১ টি বকনা গরু উদ্ধার করা হয়।
বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক চুরিকৃত গরু উদ্ধার করে গরুর ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার পর গরুর মালিকরা তাদের গরু সনাক্ত করে থানায় আসলে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাধ্যমে চারটি গরু মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গরুর মালিক সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের জগাইরগাও গ্রামের বাদশা মিয়ার পুত্র ময়না মিয়া জানান, প্রায় ১৭-১৮ দিন পূর্বে রাতে গোয়ালঘর থেকে (৬০ হাজার টাকা মূল্যে)
আমার একটি গাভী চুরি হয়ে যায়, একই গ্রামের আজর আলীর পুত্র লিয়াকত আলীর আরেকটি অস্ট্রেলিয়া গাভী বাছু সহ চুরি হয় যার প্রায় এক লক্ষ টাকা। সূত্রে জানা যায় গরুগুলো থানা থেকে তাদের কাছে হস্তান্তরের সময় গৌরারং ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুস সুবহান উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের যতীন্দ্র দেবনাথের ছেলে মঞ্জু দেবনাথ জানান, গত ৫ অক্টোবর তার গোয়ালঘর থেকে বেড়া কেটে সিন্দি জাতের (প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যে)একটি বকনা বাছুর চুরি হয়ে যায়।সে তার গরু সনাক্ত করলে পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল আহমদের উপস্থিতিতে গরুটি হস্তান্তর করা হয়।
বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আটককৃত ব্যক্তি সহ অজ্ঞাত আরো কিছু লোককে আসামী করে থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে মামলা নং ০৪/১০/২০২৩। এরিপোর্ট লিখার সময় পর্যন্ত ১টি গরু থানার হেফাজতে আছে।
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে চোরাইকৃত ৫ গরু সহ ১ চোর গ্রেফতার
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে চোরাইকৃত ৫ গরু সহ ১ চোর গ্রেফতার
শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার:সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেচোরাইকৃত ৫ টি গরু সহ এক চোরকে গ্রেফতার করেছে।বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ফতেপুর ইউনিয়নের সংগ্রামপুর গ্রামের মৃত আক্রম আলীর ছেলে খালেক মিয়াকে (চোর)পুলিশ গ্রেফতার করে। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে থানায় আরো চুরির মামলার রেকর্ড রয়েছে।শনিবার (৫ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশ্বম্ভরপুর থানার এস,আই আনন্দ চন্দ্রের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।এ অভিযানে চালবন গুলি কিত্তা গ্রামের হাসান আলির ছেলে বশির মিয়ার(২৪)বাড়ি থেকে চারটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযানে বোয়ালিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে দ্বীন ইসলামের ঘর থেকে আরো ১ টি বকনা গরু উদ্ধার করা হয়। বিশ্বম্ভরপুর
থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক চুরিকৃত গরু উদ্ধার করে গরুর ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার পর গরুর মালিকরা তাদের গরু সনাক্ত করে থানায় আসলে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাধ্যমে চারটি গরু মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গরুর মালিক সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের জগাইরগাও গ্রামের বাদশা মিয়ার পুত্র ময়না মিয়া জানান, প্রায় ১৭-১৮ দিন পূর্বে রাতে গোয়ালঘর থেকে (৬০ হাজার টাকা মূল্যে)আমার একটি গাভী চুরি হয়ে যায়, একই গ্রামের আজর আলীর পুত্র লিয়াকত আলীর আরেকটি অস্ট্রেলিয়া গাভী বাছু সহ চুরি হয় যার প্রায় এক লক্ষ টাকা। সূত্রে জানা যায় গরুগুলো থানা থেকে তাদের কাছে হস্তান্তরের
সময় গৌরারং ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুস সুবহান উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের যতীন্দ্র দেবনাথের ছেলে মঞ্জু দেবনাথ জানান, গত ৫ অক্টোবর তার গোয়ালঘর থেকে বেড়া কেটে সিন্দি জাতের (প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যে)একটি বকনা বাছুর চুরি হয়ে যায়।সে তার গরু সনাক্ত করলে পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল আহমদের উপস্থিতিতে গরুটি হস্তান্তর করা হয়। বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আটককৃত ব্যক্তি সহ অজ্ঞাত আরো কিছু লোককে আসামী করে থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে মামলা নং ০৪/১০/২০২৩। এরিপোর্ট লিখার সময় পর্যন্ত ১টি গরু থানার হেফাজতে আছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত