মুক্তার হোসেন, রাজনৈতিক কর্মী :
পিতা সহ গজারিয়ার স্বঘোষিত তরুণ তুর্কি রাজনৈতিক মাঠ থেকে নিখোঁজ, গত দুই বছরে খবর রাখিনি সাধারন ছাত্রলীগ কোন নেতা কর্মীদের মুন্সীগঞ্জে বলে বেড়াত সকল নেতা কর্মীদের খোঁজ খবর রাখে !
অথচ দল যখন ক্ষমতায় ছিল বাবা আমিরুল ইসলামের অবৈধ বালুর টাকায় ফুটানি করতো ধরাকে সারা জ্ঞান মনে করত, দিন রাত চালাতো অবৈধ কার্যকলাপ।
বালুর টাকা ব্যবহার করে হতে চাই তো যুবলীগ নেতা, এখন দল নাই বালু মহল ও নাই ঠিক তখনই আমিরুল পুত্র তরুণ তুর্কি মাঠের রেইস থেকে ছিটকে পড়ল, মাঠে নেই নারী পিপাসু বাসার, সে নিজে ও চাইতো যুবলীগের সভাপতি হতে এখন বলে আমি দল করি না, আমি ছিলাম কাকার বালু মহলের ক্যাশিয়ার ছিলাম ।
বাস্তব তো দূরকি বাদ? জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও দেখা মিলছে না বাপ ছেলেকে , তবে মাঝেমধ্যে দেখা মিলে বাবা ছেলের শর্ট প্যান্ট পরিহিত থাইল্যান্ডের পাতায়া দ্বিপে।
তবে আমি হলফ করে বলতে পারি যখন আবার দলের সু-সময় আসবে,ঠিক তখনই আমিরুল কাকা দুধের মাছি হিসেবে আবারো আওয়ামী লীগে প্রত্যাবর্তন করবে বালু মাহল নিয়ন্ত্রণের জন্য।
গত দুই বছর বালু খেকো, নারী পিপাসু, আমিরুল, বাশার, জয়দের কেউ কি দেখেছেন দলের কোন প্রচার-প্রচারনায়,বা রাজপথে বিদেশ থেকে এসে বলবে দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি , আসলে ত্যাগটা হল গত দুই বছর বালু মহল থেকে কোন টাকা পাওয়া।
দল করলাম আমরা সবাই! টাকা কামালো একা আমিরুল পরিবার, আমরা খেলাম মামলা আর তারা খাইলো দুধের সর!এই দুধের মাছির জন্য সাবেক সভাপতি সুলাইমান কাকা, শফিক চৌধুরী, তৌহিদ কাকা, রব মুক্তি, দাইয়ান চেয়ারম্যানদের মতো প্রবীণ পরীক্ষিত আওয়ামী লীগ নেতারা মূল্যায়িত হয়নি বরং অনেক ক্ষেত্রে লাঞ্ছনা বঞ্চনা শিকার হতে হয়েছে ।
তাছাড়া টাকা আত্মসাৎ করেছে নিজ দলের নেতাকর্মীদের তাদের মধ্যে অন্যতম মুক্তার মেম্বার, লিয়াকত সৈনিক লীগ নেতা ,ছাত্র নেতা সাগর,মহোসিন,জাকির, রিপন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলআমিন প্রধান, বালুয়াকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি , হাবিব মেম্বার, জেলা পরিষদ সদস্য নাজমুল মেম্বার, মুক্তিযোদ্ধা সিকান্দার, আবু তালেব চেয়ারম্যান, আতাউর রহমান স্বপন,মরহুম চেয়ারম্যান আক্তার হাজী ভাই সহ আরো অনেকের।
তাই সময় এসেছে আগে গজারিয়া উপজেলায় অবৈধ বালু খেকো নারী পিপাসু দলের নেতা কর্মীদের অবমূল্যায়নকারী আমিরুল ছাড়া আওয়ামী লীগ গঠনের ।
এতে করে দল ও কর্মি উভয়ই উপকারিত হবে। ভাই দল করবে সবাই সুবিধা নিবে আমিরুল পরিবার গজারিয়ায় আর তা মেনে নেওয়া হবে না ইনশাআল্লাহ ।
পিতা সহ গজারিয়ার স্বঘোষিত তরুণ তুর্কি রাজনৈতিক মাঠ থেকে নিখোঁজ, গত দুই বছরে খবর রাখিনি সাধারন ছাত্রলীগ কোন নেতা কর্মীদের মুন্সীগঞ্জে বলে বেড়াত সকল নেতা কর্মীদের খোঁজ খবর রাখে !
অথচ দল যখন ক্ষমতায় ছিল বাবা আমিরুল ইসলামের অবৈধ বালুর টাকায় ফুটানি করতো ধরাকে সারা জ্ঞান মনে করত, দিন রাত চালাতো অবৈধ কার্যকলাপ।
বালুর টাকা ব্যবহার করে হতে চাই তো যুবলীগ নেতা, এখন দল নাই বালু মহল ও নাই ঠিক তখনই আমিরুল পুত্র তরুণ তুর্কি মাঠের রেইস থেকে ছিটকে পড়ল, মাঠে নেই নারী পিপাসু বাসার, সে নিজে ও চাইতো যুবলীগের সভাপতি হতে এখন বলে আমি দল করি না, আমি ছিলাম কাকার বালু মহলের ক্যাশিয়ার ছিলাম ।
বাস্তব তো দূরকি বাদ? জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও দেখা মিলছে না বাপ ছেলেকে , তবে মাঝেমধ্যে দেখা মিলে বাবা ছেলের শর্ট প্যান্ট পরিহিত থাইল্যান্ডের পাতায়া দ্বিপে।
তবে আমি হলফ করে বলতে পারি যখন আবার দলের সু-সময় আসবে,ঠিক তখনই আমিরুল কাকা দুধের মাছি হিসেবে আবারো আওয়ামী লীগে প্রত্যাবর্তন করবে বালু মাহল নিয়ন্ত্রণের জন্য।
গত দুই বছর বালু খেকো, নারী পিপাসু, আমিরুল, বাশার, জয়দের কেউ কি দেখেছেন দলের কোন প্রচার-প্রচারনায়,বা রাজপথে বিদেশ থেকে এসে বলবে দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি , আসলে ত্যাগটা হল গত দুই বছর বালু মহল থেকে কোন টাকা পাওয়া।
দল করলাম আমরা সবাই! টাকা কামালো একা আমিরুল পরিবার, আমরা খেলাম মামলা আর তারা খাইলো দুধের সর!এই দুধের মাছির জন্য সাবেক সভাপতি সুলাইমান কাকা, শফিক চৌধুরী, তৌহিদ কাকা, রব মুক্তি, দাইয়ান চেয়ারম্যানদের মতো প্রবীণ পরীক্ষিত আওয়ামী লীগ নেতারা মূল্যায়িত হয়নি বরং অনেক ক্ষেত্রে লাঞ্ছনা বঞ্চনা শিকার হতে হয়েছে ।
তাছাড়া টাকা আত্মসাৎ করেছে নিজ দলের নেতাকর্মীদের তাদের মধ্যে অন্যতম মুক্তার মেম্বার, লিয়াকত সৈনিক লীগ নেতা ,ছাত্র নেতা সাগর,মহোসিন,জাকির, রিপন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলআমিন প্রধান, বালুয়াকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি , হাবিব মেম্বার, জেলা পরিষদ সদস্য নাজমুল মেম্বার, মুক্তিযোদ্ধা সিকান্দার, আবু তালেব চেয়ারম্যান, আতাউর রহমান স্বপন,মরহুম চেয়ারম্যান আক্তার হাজী ভাই সহ আরো অনেকের।
তাই সময় এসেছে আগে গজারিয়া উপজেলায় অবৈধ বালু খেকো নারী পিপাসু দলের নেতা কর্মীদের অবমূল্যায়নকারী আমিরুল ছাড়া আওয়ামী লীগ গঠনের ।
এতে করে দল ও কর্মি উভয়ই উপকারিত হবে। ভাই দল করবে সবাই সুবিধা নিবে আমিরুল পরিবার গজারিয়ায় আর তা মেনে নেওয়া হবে না ইনশাআল্লাহ ।