শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড। আর সেই মেরুদণ্ডকে দৃঢ় রাখার দায়িত্ব যাদের উপর—সেই শিক্ষকসমাজ বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত, অবহেলিত ও বঞ্চনার শিকার হয়ে চলেছেন। বিশেষ করে মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষকদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। তাঁরা শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়, সামাজিকভাবে এবং নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিতেও উপেক্ষিত হয়ে থাকেন।
দেশের হাজারো বেসরকারি স্কুল ও কলেজ শিক্ষক রাস্তায় আন্দোলন করেছেন। তারপর ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরাও রাস্তায় নেমেছেন। প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলনও চলমান। তাঁদের কারো দাবি ছিল ন্যায্য চিকিৎসা ভাতা, বাড়িভাড়া পাওয়া।
আবার কারো দাবি জীবনধারণের উপযুক্ত বেতন বা আর্থিক সম্মান এবং অবসরে নিরাপত্তা। এ আন্দোলন কেবল কিছু দাবিদাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জানান দিয়েছে আরো অনেক কিছু। এর মধ্যে একটি হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার প্রতি রাষ্ট্রের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি কেমন।
দেশের হাজারো বেসরকারি স্কুল ও কলেজ শিক্ষক রাস্তায় আন্দোলন করেছেন। তারপর ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরাও রাস্তায় নেমেছেন। প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলনও চলমান। তাঁদের কারো দাবি ছিল ন্যায্য চিকিৎসা ভাতা, বাড়িভাড়া পাওয়া।
আবার কারো দাবি জীবনধারণের উপযুক্ত বেতন বা আর্থিক সম্মান এবং অবসরে নিরাপত্তা। এ আন্দোলন কেবল কিছু দাবিদাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জানান দিয়েছে আরো অনেক কিছু। এর মধ্যে একটি হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার প্রতি রাষ্ট্রের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি কেমন।
বর্তমানে দেশের কর্ণধার প্রধান উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, পরিকল্পনা উপদেষ্টা, ধর্ম উপদেষ্টা—সবাই একেকজন খ্যাতিমান শিক্ষক।
এই সুবর্ণ সময়ে স্কুলের শিক্ষকরা সামান্য বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ১০ দিন ধরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে, চিৎকার, কান্নাকাটি করে নিজেদের আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন/কর্মসূচি চলমান থাকার পরও কারো কোনো বিকার লক্ষ করা যায়নি। সেটিই জাতিকে আজ নতুন করে ভাবাচ্ছে, গভীর চিন্তার খোরাক জোগাচ্ছে!
এই সুবর্ণ সময়ে স্কুলের শিক্ষকরা সামান্য বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ১০ দিন ধরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে, চিৎকার, কান্নাকাটি করে নিজেদের আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন/কর্মসূচি চলমান থাকার পরও কারো কোনো বিকার লক্ষ করা যায়নি। সেটিই জাতিকে আজ নতুন করে ভাবাচ্ছে, গভীর চিন্তার খোরাক জোগাচ্ছে!
এটি এক চরম বাস্তবতা—আমাদের জাতীয় আত্মসম্মানের এক লজ্জাজনক প্রতিফলন। কারণ শিক্ষককে যখন রাস্তায় বসতে হয়, তখন বোঝা যায় রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার তালিকায় জ্ঞানের স্থান কতটা নিচে নেমে গেছে।
সরকার প্রায়ই বলে শিক্ষার উন্নয়ন হচ্ছে, শিক্ষকদের অবস্থাও বদলাচ্ছে। কিন্তু রাস্তায় বসে থাকা হাজারো শিক্ষক প্রমাণ করেছেন আমাদের বাস্তবতা ভিন্ন।
সরকার প্রায়ই বলে শিক্ষার উন্নয়ন হচ্ছে, শিক্ষকদের অবস্থাও বদলাচ্ছে। কিন্তু রাস্তায় বসে থাকা হাজারো শিক্ষক প্রমাণ করেছেন আমাদের বাস্তবতা ভিন্ন।
ছোটকালে স্কুলে ভাবসম্প্রসারণ লিখেছি যে শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। এই উপাধিটি আমরা শিক্ষকসমাজকে দিয়েছি একসময় সম্মানের প্রতীক হিসেবে। কিন্তু আজ সেই মেরুদণ্ডটি কেবল ব্যথার কারণে ব্যথিত নয়, সেটি শিরদাঁড়া পর্যন্ত কোঁকড়ানো হয়ে পড়েছে সরকারের ক্রমাগত অবহেলা, উপেক্ষা আর অপ্রতুল আর্থিক সম্মানের কারণে বঞ্চনার ভারে।
এই ইতিবাচক সময়ে শিক্ষকরা এত দিন ধরে কেন রাস্তায় থাকলেন? শ্রেণিকক্ষে যাঁরা পাঠদান করেন, চরিত্র গঠন করেন, জাতির ভবিষ্যৎ তৈরি করেন, তাঁদের কেন রাস্তায় বসতে হয়? প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ থেকে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সব স্তরের শিক্ষকই এখন একই কণ্ঠে বলেছেন, আমরা বাঁচার মতো বাঁচতে চাই। বিশেষ করে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা এই দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে সেটিই জানান দিয়েছেন জাতিকে।
এই ইতিবাচক সময়ে শিক্ষকরা এত দিন ধরে কেন রাস্তায় থাকলেন? শ্রেণিকক্ষে যাঁরা পাঠদান করেন, চরিত্র গঠন করেন, জাতির ভবিষ্যৎ তৈরি করেন, তাঁদের কেন রাস্তায় বসতে হয়? প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ থেকে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সব স্তরের শিক্ষকই এখন একই কণ্ঠে বলেছেন, আমরা বাঁচার মতো বাঁচতে চাই। বিশেষ করে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা এই দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে সেটিই জানান দিয়েছেন জাতিকে।
বেসরকারি শিক্ষকরা সমন্বিত বেতন কাঠামোর দাবি তুলেছেন, তাঁরা ন্যূনতম জীবিকা নিশ্চিত করার দাবিতে রাস্তায় বসেছেন। কেউ বৃষ্টিতে ভিজেছেন, কেউ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গেছেন। সরকারের পুলিশ বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়েও অনেককে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দরজা তখনো বন্ধ, এখনো একপ্রকার বন্ধ এক শ্রেণির ধান্ধাবাজ চাকুরের কারণে। তাই নীতিনির্ধারকদের মুখে কেবল আশ্বাসের শব্দ, যৎসামান্য প্রতিশ্রুতির প্রতিধ্বনি। সাড়ে ৭ শতাংশ ভাতাবৃদ্ধির ঘোষণা আপাতত মন্দের ভালো হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু এই সামান্য দয়ার দান দিয়ে শিক্ষকদের অর্থের অপ্রতুলতা কি বাজারদরের সঙ্গে কখনো সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে?
অপ্রতুল বেতনের অঙ্কে ভেঙে যাওয়া সম্মান নিয়ে আমাদের শিক্ষকদের দিনাতিপাত হয় বড় কায়ক্লেশে। বাংলাদেশে সরকারি স্কুলের নতুন শিক্ষক মাসে পান ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা, আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অনেকের বেতন ১০ হাজার টাকারও কম। এই আয়ে সংসার চালানো মানে প্রতিদিন মর্যাদা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্বে হারতে থাকা এক জীবন। যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিদিন বাড়ছে, সেখানে শিক্ষকরা বেঁচে আছেন বেতনের কষ্টিপাথরে। বহু শিক্ষক অতিরিক্ত টিউশন বা কোচিং করে সংসার চালান। লজ্জাকর। কিন্তু এটিই তো আসল ট্র্যাজেডি যে শিক্ষককে বাঁচতে হলে শিক্ষা বিক্রি করতে হয়!
অপ্রতুল বেতনের অঙ্কে ভেঙে যাওয়া সম্মান নিয়ে আমাদের শিক্ষকদের দিনাতিপাত হয় বড় কায়ক্লেশে। বাংলাদেশে সরকারি স্কুলের নতুন শিক্ষক মাসে পান ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা, আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অনেকের বেতন ১০ হাজার টাকারও কম। এই আয়ে সংসার চালানো মানে প্রতিদিন মর্যাদা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্বে হারতে থাকা এক জীবন। যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিদিন বাড়ছে, সেখানে শিক্ষকরা বেঁচে আছেন বেতনের কষ্টিপাথরে। বহু শিক্ষক অতিরিক্ত টিউশন বা কোচিং করে সংসার চালান। লজ্জাকর। কিন্তু এটিই তো আসল ট্র্যাজেডি যে শিক্ষককে বাঁচতে হলে শিক্ষা বিক্রি করতে হয়!
কিন্তু তাতে শিক্ষকতার মূল মর্যাদাই দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া শিক্ষককে যখন জীবিকা রক্ষায় শিক্ষাকে পণ্য বানাতে হয়, তখন বুঝতে হবে এর ফল কী হচ্ছে? কেমন করে একটি জাতির মেরুদণ্ড সত্যি কোঁকড়ানো হয়ে গেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের শিক্ষকদের বেতন সবচেয়ে কম। ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় শিক্ষকরা গড়ে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকার সমমূল্যের বেতন পান এবং তাঁদের সামাজিক মর্যাদাও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। ফিনল্যান্ড, জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশে শিক্ষকতা পেশা সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ। বাংলাদেশে শিক্ষকরা আছেন উন্নয়নের সব আলোচনার বাইরে, বাজেটের অবহেলার ছায়ায়। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ এখনো জিডিপির মাত্র ২ শতাংশের কাছাকাছি, যেখানে ইউনেসকোর প্রস্তাব ৬ শতাংশ। অবকাঠামো উন্নয়ন, রাস্তা নির্মাণ, মেগাপ্রকল্পে হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু যে শিক্ষক সেই প্রকল্পে কাজ করার মানবসম্পদ গড়ে তোলেন, তাঁর মাসের শেষে হিসাব মেলে না।
আমরা জানি, কোঁকড়ানো মেরুদণ্ড মানেই ভঙ্গুর জাতি। সমাজে আমাদের শিক্ষকরা নানাভাবে অপমানিত হন। সেখানে নৈতিকতা অবক্ষয় পায়, প্রতারণা বৃদ্ধি পায়, আর জ্ঞানের আলো ম্লান হয়ে যায়। ছাত্ররা যখন দেখছে, তাদের শিক্ষক রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে রাস্তায় বসে সামান্য ভাতা চাইছেন, তখন তাদের চোখে শিক্ষককে ছাপিয়ে আমাদের দারিদ্র্য, দুর্বলতা ও রাষ্ট্রের ব্যর্থতাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
একজন শিক্ষক ক্লাসে দাঁড়িয়ে যখন পাঠদান করেন, তাঁর কণ্ঠে তখন জ্ঞান বিতরণের সঙ্গে মর্যাদা প্রকাশের আকুতি থাকে। সেই মর্যাদা যদি সমাজ ফিরিয়ে না দেয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে শিক্ষকতা হয়ে উঠবে কেবল বাধ্যতামূলক পেশা, মহৎ কোনো আহবান নয়।
তাই রাষ্ট্রের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। কারণ সরকারি বা বেসরকারি কোনোভাবেই নীতি প্রণয়ন, বাজেট বরাদ্দ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে শিক্ষকদের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, আপত্তি, সমস্যা—সবই কেবল রিপোর্টের ফুটনোটে সীমাবদ্ধ। রাষ্ট্র যদি এই পরিস্থিতিতে চোখ বন্ধ রাখে, তবে তা কেবল শিক্ষকদের জন্য না হয়ে গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকে অচল করে দেওয়ার নামান্তর হবে।
এ জন্য শিক্ষককে দ্রুত শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করার পর শিক্ষা উপদেষ্টার মুখে সামান্য হাসির রেখা ফুটে উঠেছে। তাঁর এই হাসি ধরে রাখার জন্য এখন দক্ষিণ এশীয় গড় অনুযায়ী একটি ন্যায্য বেতন ও ভাতা নীতিমালা করে শিক্ষক বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ জরুরি হয়ে পড়েছে। পেশাগত মর্যাদা রক্ষা অধ্যাদেশ জারি করে শিক্ষক অবমাননা, হেনস্তা বা অবহেলার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও প্রশাসনিক শাস্তিরও ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির কমপক্ষে ৪-৫ শতাংশে উন্নীত করা আরো জরুরি।
সামনের দিনগুলোতে শিক্ষকদের দাবিদাওয়াকে অবহেলা বা আন্দোলনকে দমন না করে সংলাপ ও অংশগ্রহণমূলক নীতি প্রণয়ন জরুরি। শিক্ষককে কেবল চাকরিজীবী না ভেবে জাতি গঠনের কারিগর হিসেবে দেখতে হবে। সমাজে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করার জন্য এটি সরকারি প্রচারের বিষয়ও বটে। রাষ্ট্রের এখনই উচিত সব পর্যায়ের শিক্ষকদের যেকোনো দাবির যৌক্তিক সমাধান করা। না হলে এই অবহেলার মূল্য দিতে হবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।
১০ দিন ধরে শিক্ষকরা রাস্তায় থেকে জাতিকে যা শেখালেন, সেটি শুধু বেতন-ভাতা বৃদ্ধির আন্দোলনের গল্প হিসেবে ভাবলে ভুল হবে। এটি জাতির আত্মসমালোচনার জন্ম দিয়েছে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ভৌত উন্নয়নের সঙ্গে মানবিক উন্নয়নের যথেষ্ট ফারাক তৈরি হয়ে গেছে। এই বৈপরীত্যই প্রমাণ করে আমরা উন্নয়নকে পরিমাপ করছি ভবন ও সড়কে, কিন্তু মানুষ গঠনের ক্ষেত্রটি বরাবরই উপেক্ষিত রয়ে গেছে। আমরা জানি, যে দেশে শিক্ষক অবহেলিত, সেখানে জ্ঞান ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, নৈতিকতা হারিয়ে যায়, ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়।
রাষ্ট্র যদি সত্যি উন্নয়নের দাবি করে, তবে তাকে প্রথমে শিক্ষকের দিকে তাকাতে হবে। কারণ শিক্ষা ও শিক্ষক ছাড়া কোনো জাতির মেরুদণ্ড শক্ত হতে পারে না। আজ সময় এসেছে এই ব্যথিত মেরুদণ্ডকে সোজা করে দাঁড় করানোর। কারণ শিক্ষককে রাস্তায় নয়, শ্রেণিকক্ষেই মানায়। এই কথাটি ভুলে গেলে সামনের দিনে আমরা সবাই আরো হোঁচট খাব।
ভবিষ্যতে শিক্ষকরা যদি আবার রাস্তায় নামেন, তাহলে হয়তো শিক্ষার্থীরাও তাঁদের সঙ্গে রাস্তায় নামবে। তখন শুধু কেবল বেতন বা ভাতা নয়, তখন প্রশ্ন উঠবে জ্ঞানের ভবিষ্যৎ নিয়ে। আমরা জাতির মেরুদণ্ডকে যদি সত্যি টেকসইভাবে সোজা রাখতে চাই, তাহলে এখনই দরকার আমাদের শিক্ষকদের জন্য সার্কভুক্ত দেশ বা বৈশ্বিক আর্থিক সম্মানীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ন্যায্য আর্থিক সম্মান ও মানবিক মর্যাদা ফিরিয়ে আনার যথার্থ নীতি নির্ধারণ করার উদ্যোগ নেওয়া।