Logo
শিরোনাম

আরও ২৬ হাজার পরিবার উপহারের ঘর পাচ্ছেন

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহীত আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর পাচ্ছেন ভূমিহীন ও গৃহহীনরা। আগামী বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী এসব ঘর হস্তান্তর করবেন।

সোমবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

৫২টি উপজেলার উপকারভোগীরা সেদিন এসব ঘরে উঠবেন। এরই মধ্যে সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন।

এর আগে সরকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর দিয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮০০টি ঘর দেওয়ার কাজ চলছে। এরই মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি দেওয়া হয়েছে। ২১ জুলাই ২৬ হাজর ২২৯টি দেওয়া হবে। পাশাপাশি ৮ হাজার ৬৬৭টি ঘর নির্মাণাধীন রয়েছে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




শিক্ষক রনির স্বীকারোক্তি

অদিতাকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ অনুপ সিংহ,

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর লক্ষীনারায়ণপুরে অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী তাসমিয়া হোসেন অদিতাকে (১৪) বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনি। এদিকে স্কুল ছাত্রী অদিতা হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে নোয়াখালীর শিক্ষাঙ্গন ও রাজপথ।

অভিযুক্ত আবদুর রহিম রনি (৩০) নোয়াখালী পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর মহল্লার লাতু কাউন্সিলরের বাড়ির খলিল মিয়ার ছেলে। 

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আসামি। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

এসপি নিজ কার্যালয়ে প্রেস কনফারেন্সে বলেন, রনি নামে এক যুবকের কাছে প্রাইভেট পড়ত নোয়াখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী অদিতা। হঠাৎ করে অদিতা তার কাছে প্রাইভেট পড়তে অনীহা প্রকাশ করে এবং নতুন শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে শুরু করে। এতে রনি নাখোশ হয়। এ বিষয়সহ অদিতার ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানার জন্য তাৎক্ষণিক রনিকে প্রথমে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তখন তার তুথনি ও ঘাড়ে নখের আঁচড়ের তাজা দাগ দেখতে পায়। নখের আঁচড়ের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে একেক সময় একেক তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আঁচড়ের ব্যাপারে তার থেকে কোন সদুত্তর না পেয়ে তার বিষয়ে আরো সন্দেহ জোরালো হয়। তখন তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের লক্ষে আদালতে সোপর্দ করে ১০দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রনি ঘটনার সাথে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।   

এসপি আরো বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে অদিতার বাসায় যায় সাবেক কোচিং শিক্ষক রনি। বাসায় গিয়ে বন্ধ দরজা নক করলে অদিতা বাসার দরজা খুলে দেয়। তখন সে বাসায় প্রবেশ করে অদিতার সঙ্গে গল্পগুজব করে। গল্পগুজবের একপর্যায়ে রনি অদিতাকে জড়িয়ে ধরে চুমু দেওয়ার চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন কারণে ব্যর্থ হয়। এরপর রাগান্বিত হয়ে অদিতা বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে রনি অদিতাতে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে।  পরবর্তীতে রান্না ঘর থেকে ছোরা এনে অদিতার বাম হাতের রগ এবং গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে হাতের বাঁধন খুলে দেয়। এরপর আসামি রনি ঘটনাকে ভিন্ন খাতে রুপ দিতে ঘরের আলমিরা ও ওয়ারড্রবের জামা-কাপড়, কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রুমের দরজা লক করে এবং মূল ঘরের দরজা বাহির থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। শনিবার দুপুরে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি রনি এসব কথা বলেন। 

উলেখ্য, গত বৃহষ্পতিবার বিকেলে জেলা শহর মাইজদীতে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসমিয়া হোসেন অদিতাকে (১৪) গলাকেটে হত্যা করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধারের পরপর পুলিশের একাধিক দল পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সাবেক গৃহ শিক্ষক আবদুর রহিম রনিকে (২০), ইসরাফিল (১৪), তার ভাই সাঈদ (২০) গ্রেফতার করে। গতকাল আদালত রনির ৩ দিনের মঞ্জুর করে।


আরও খবর



গজারিয়ার বাউসিয়া চর কুমারিয়া গ্রাম থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

 গজারিয়া প্রতিনিধিঃ 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর কুমারিয়া গ্রামে আগের দিন সন্ধ্যায় ইমাম নিয়ে বিতর্কের পরের দিন সকালে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা রহস্যের সৃষ্টি করেছে সাধারণ মানুষদের মনে। স্বজনরা বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে সঠিক তদন্তপূর্বক দোষীদের বিচার দাবি করেছেন।

নিহতের নাম বাহাদুল্লাহ মোল্লা (৫০)। সে চর কুমারিয়া গ্রামের জলিল মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় চর কুমারিয়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

 নিহতের ভাই শহীদুল্লাহ জানান,   আমার ভাই বাহাদুল্লাহ  স্থানীয় চর কুমারিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত প্রায় ১৫দিন ধরে মসজিদের বর্তমান ইমামকে রাখা না রাখার ব্যাপারে মুসলিরা দ্বিধা বিভক্ত হয়ে পড়েন। কিছু মুসল্লি বর্তমান ইমামকে বিদায় করে দেওয়ার পক্ষে আর কিছু মুসুল্লি তাকে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমামকে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। এদিকে সর্বশেষ গতকাল ( শনিবার) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। 

গতকাল শনিবার  রাত ১০ ঘটিকার সময় আমার ভাই বাহাদুল্লা রাতের খাবার খেয়ে  চা দোকানে সময়   ব্যয় করে। তারপরে তিনি আর বাসায় ফিরেননি, দীর্ঘ সময় তার খোঁজখবর না পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে  ( রবিবার) সকালে প্রতিবেশী সুরুজ মিয়ার আম বাগানে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পায় লোকজন। পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

নিহত বাহাদুল্লার পরিবার এবং ভাই শহীদুল্লাহ সহ মহল্লাবাসীর ধারণা    এই ঘটনার জের ধরে হত্যাকাণ্ড হতে পারে ।

এদিকে নিহতের স্ত্রী ফারজানা বেগম বলেন, তার স্বামীর আত্মহত্যা করার মতো কোনো কারণ নেই। তাদের অনেক সুখের সংসার ছিল। তার স্বামীকে  পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই ঘটনাই দোষীদের শাস্তির দাবি করেন তিনি।

নিহতের মা খবিরন নেছা তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে দাবি করে বলেন,যাদের সাথে তার ঝামেলা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই কে হত্যাকারী তা জানা যাবে। 

 প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রামবাসীদের প্রশ্ন ক্ষুদ্র একটি রশি দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে না ।  

গজারিয়া থানা এসআই সেকান্দার আলী বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করি। বিষয়টি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটি ময়নাতদন্তের পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। এর আগে কোন মন্তব্য করতে চাই না।


আরও খবর



কুমিল্লার বাঙ্গরায় পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লার বাঙ্গরায় পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।                                        শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার মুরাদনগর উপ‌জেলার বাঙ্গরা বাজার থেকে শেখ আকরাম নামের ওই আসামিকে হ্যান্ডকাফসহ ছিনতাই করা হয়। 

আসামি আকরামের বড় ভাই ওই ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটেছে। এতে বাঙ্গরা থানারএসআই রনি নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছে।

পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানায়, গত ৪সেপ্টেম্বর ফুয়াদ নামে এক স্কুল ছাত্রকে মারধর করে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় বৃহস্পতিবার বাঙ্গরা বাজার থানায় মামলা দায়ের করেন দৌলতপুর গ্রামের ইকবাল হোসেন নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের ছোট ভাই শেখ আকরাম সহ ৪জনকে আসামি করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব আসামিদের গ্রেফতারে খাপুরা এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় শেখ আকরামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসার পথে বাঙ্গরা বাজারে ইউপি  চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন পুলিশের ওপর হামলা করে। এ সময় হ্যান্ডকাফ  পরিহিত আকরামকে ছিনিয়ে নেয়া হয়। এতে পুলিশের এসআই রনি আহত হয়। 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, আমরা পুলিশের ওপর হামলা করিনি, আমার ভাই শেখ আকরামকে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এলাকার লোকজন তাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ করেছে, আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা সঠিক নয়। 

 মুরানগর উপ‌জেলার বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি ইকবাল হোসেন জানান, এজহার নামীয় আসামি শেখ আকরামকে খাপুরা  গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে থানায় নিয়ে আসার পথে বাঙ্গরা বাজারে পুলিশের উপর হামলা করে হ্যান্ডকাফসহ আসামী আকরামকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ওই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং এঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



কিশোর গ্যাং আতঙ্কে রাজধানী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : রাজধানীতে ক্রমেই বাড়ছে কিশোর অপরাধ। কিশোর গ্যাং উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নগরবাসী। গ্যাংয়ের অধিকাংশ সদস্যই ছিন্নমূল ও বস্তিবাসী। যাদের বেশির ভাগের বয়স ১৮ থেকে ২২ বছর। মাদক সেবন ও চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত তারা। মাদক বিক্রি, জমি দখল, চুরি-ছিনতাই এমনকি হত্যা মামলাও রয়েছে অনেক কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। 

রাজনৈতিক পেশিশক্তির ঢাল ও মাদক কারবারের স্বার্থে কিশোর অপরাধ বাড়ছে বলে মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, সংগত কারণে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন এলাকার প্রভাবশালী কিছু রাজনৈতিক নেতা ও মাদক কারবারি। তবে কিশোর অপরাধ রুখতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তালিকাভুক্ত করা হয়েছে থানাভিত্তিক কিশোর গ্যাং লিডার, সদস্য ও পৃষ্ঠপোষকদের।

পুলিশের তথ্য বলছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের ৭টি থানায় অন্তত ২৫টির বেশি কিশোর গ্যাং সক্রিয়। এসব গ্যাংয়ে পাঁচ শতাধিক সদস্য রয়েছে। যার বেশিরভাগের বয়স ১৮ থেকে ২২ বছর। পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছেন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।

নারীদের দিয়ে মাদক বিক্রি করা এ গ্যাংয়ের একটি কৌশল। এ গ্যাংয়ের মাদক কারবারিতে বাধা দেওয়ায় হামলার শিকারও হয়েছেন অনেকে।

পল্লবীর তালতলা মোড়, নাভানা আবাসিক ভবন, ও সবুজ বাংলা আবাসিক গেট এলাকায় আশিক গ্রুপের উৎপাতে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। আশিকের নেতৃত্বে এ গ্রুপে শামীম, রায়হান, আল-আমিন, রাব্বি, রনি, মহিন ও সুমনসহ ১২-১৩ জন সদস্য সক্রিয় রয়েছে। আশিক গ্রুপকে লিড দিচ্ছে পল্লবী থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন ঢালী। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি কোনো কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ বা প্রশ্রয় দেই না। বরং কিশোর গ্যাং উৎপাত রোধে কাজ করছি। যুবলীগের কিছু নেতাকর্মীরা এসব কিশোর গ্যাংদের মদদ দিচ্ছে।’

বি-ব্লক, ঈদগাহ মাঠ এলাকায় রয়েছে- পিন্টু-কাল্লু গ্রুপ। অন্তত ২০ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে এ গ্রুপে। বাউনিয়া বাঁধ বি-ব্লকের কাল্লু, ‘ডি’ ব্লকের উজ্জ্বল, সজিব, সাজ্জাদ, শুক্কুর, ‘ই’ ব্লকের জন্টু এবং ‘এ’ ব্লকের হাসান অন্যতম। অভিযোগ রয়েছে এ গ্যাংয়ে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সদস্য সুলতান। এ বিষয়ে খলিলুর রহমানের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কিশোর গ্যাংকে মদদ দেওয়া বিষয়টি অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা সুলতান বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি। এর মানে এই নয় যে, কিশোর গ্যাংদের প্রশ্রয় দিব। হয়তো প্রতিপক্ষের বিরোধের জের ধরে আমাকে জড়ানো হচ্ছে।’

রানা মুন্সি নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘মিরপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। গ্যাংয়ের বেশির ভাগ সদস্য কিশোর হলেও তাদের পরিচালনা করেন কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতা। বিশেষ করে মাদক কারবারি, ছিনতাই ও রাজনৈতিক অপকর্মে তাদের ব্যবহার করা হয়। এসব গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে হামলা-দামলা এমনকি মামলারও শিকার হতে হয়।

পল্লবীর ই-ব্লকে রয়েছে রোমান্টিক গ্রুপ। কুর্মিটোলা বিহারি ক্যাম্পের বাসিন্দা ভুলু এ গ্রুপের লিডার। মনু, জসিম ওরফে ক্যাডার জসিম, পল্টু, দেলোয়ার ও গুড্ডু এ প্রুগের অন্যতম সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও মারামারির অভিযোগ রয়েছে। রোমান্টিক গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বিহারি ক্যাম্পের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ভন্টুর নাম ওঠে আসে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ক্যাম্পের চেয়ারম্যান। আমার কাছে সবাই আসে, তাই বলে কী আমি সবাইকে মদদ দেই! আমাদের এখানে কোনো গ্রুপ নেই। এখানে কোনো কিশোর গ্যাং নেই।



আরও খবর

কল্যাণপুরে ভবনে ফাটল

রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2

রাজধানীর গ্রিনরোডে গ্যারেজ শ্রমিক খুন

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের বিশেষ টিকা দান ক্যাম্পেইনের সময়সীমা আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

৩ অক্টোবর দুপুরে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন বিশেষ ক্যাম্পেইন বিষয়ক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির।

আহমেদুল কবির বলেন, করোনার বিশেষ এই টিকাদান ক্যাম্পেইন আজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সরকারি ছুটি ও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় আরও তিনদিন এই কর্মসূচি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, আগামী ৪, ৬, ৮ তারিখ পর্যন্ত বাদ পড়া ব্যক্তিরা নির্ধারিত টিকা কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন।

এরইমধ্যে গত ছয়দিনে ১ কোটিরও বেশি মানুষ প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ ২ হাজার ৪৮ জনকে, দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৫ লাখ ৪ হাজার ৬৩৮ জনকে। আর বাকি সব বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে।

আহমেদুল কবির বলেন, টিকাদানের কারণেই বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। তবে গত কয়েকদিনে সংক্রমণ কিছুটা বাড়লেও হাসপাতালে ভর্তির সংখা খুবই কম। এসব বিষয় চিন্তা করেই বাদ পড়াদের টিকার আওতায় আনতে নতুন করে আবারও বিশেষ টিকা দান ক্যাম্পেইনের সময় বাড়ানো হয়েছে।


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় দিনে, ২৫ জন ভর্তি

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২