Logo
শিরোনাম

আরও ৭৩ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে সোমবার (১১ জুলাই) ৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সবমিলিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪১ জনে।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ৪২ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এই সময়ে ঢাকার বাইরে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৩১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন ৭৩ জনসহ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১ জনে। তাদের মধ্যে ১০৭ জনই ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আর ঢাকার বাইরে রয়েছেন সর্বমোট ৩৪ জন রোগী।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৪৭৭ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন এক হাজার ৩৩৫ জন। 


আরও খবর



ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হচ্ছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বৃহস্পতিবারের (২২ মে) মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং এ সংক্রান্ত এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যা ঘনীভূত হয়ে ধাপে ধাপে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলছেন, বর্তমান প্রেডিকশন অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ বাংলাদেশ, মিয়ানমার বা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িশ্যা অঞ্চলের দিকেই। তবে এর গতিপথ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। প্রতিনিয়ত গতিপথ পরিবর্তন করছে; রাতে একটা গতিপথ থাকছে আবার সকালে আরেকটা। তাই লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত এমনই থাকবে। নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। তবে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তখন গতিপথ স্থির হবে। সে সময় স্পষ্টভাবে বলা যাবে, এটা কোন এলাকায় বা স্থানে আঘাত হানতে পারে।

তিনি বলেন, ২২ মে লঘুচাপ তৈরি হয়ে; ২৩ বা ২৪ মের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। ২৪ মে রাতে বা ২৫ মে সকালের দিকে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়ার বিভিন্ন মডেল বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ‌ বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল ২৬ মে সকাল ৬টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা থেকে শুরু করে; চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে স্থল ভাগে আঘাত করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের অগ্রবর্তী অংশ উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ করা শুরু করতে পারে সকাল ৬টার পর থেকে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভব্য সময় ২৬ মে দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল ৬টার মধ্যে। ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের পেছন দিকের অর্ধেক অংশ পুরোপুরি স্থল ভাগে প্রবেশ করতে রাত ১২টা পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি যদি জোয়ারের সময় উপকূলে আঘাত হানা শুরু করে তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলোর উপকূলে আঘাতের সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার; যা দমকা হাওয়াসহ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে ২৪ মে থেকে; যা ২৮ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ওপর মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে ২৫, ২৬ ও ২৭ মে। অপেক্ষাকৃত হালকা পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে; মে মাসের ২৪ ও ২৮ তারিখে। মে মাসের ২৩ তারিখ থেকেই সমুদ্র উত্তাল শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অবস্থান করছে ঘূর্ণাবর্ত। যা পূর্ব বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার ওপরে রয়েছে। এর বিস্তৃতি ভারতের হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ থেকে বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে পূর্ব বাংলাদেশ পর্যন্ত। এছাড়া রেমালের প্রভাবে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বলয় তৈরি হতে পারে, যা পরে শুক্রবার নাগাদ নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে ওই নিম্নচাপ বলয় উত্তর পূর্বে সরে এসে নিম্নচাপ তৈরি করতে পারে। এছাড়াও এটিই পরে শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার মতো অনুকূল পরিস্থিতি সাগরে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও বিবিসি


আরও খবর



৬ই জুন বাজেট : শিক্ষায় বাড়ছে বরাদ্দ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

আগামী ৬ জুন প্রথম বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষায় বরাদ্দ থাকছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ৩৮ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি বরাদ্দ আসছে।


 তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, বাজেটের আকারের সাথে বরাদ্দ বাড়লেও ইউনেস্কোর হিসেবে এখনও জিডিপির ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ।



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, বরাদ্দর চেয়ে গুণগত বাস্তবায়নে এবার জোর দেয়া হবে। আসছে অর্থবছরে গুরুত্ব পাবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষক ও কারিকুলাম বাস্তবায়ন। সেইসাথে গুরুত্বের তালিকায় থাকবে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক খাত।


শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য বলছেন, বরাদ্দ যায় হোক বাস্তবায়নের গুরুত্ব দিতে হবে। এবার শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ নতুন কারিকুলাম গুরুত্ব পাচ্ছে। গবেষণাও থাকবে অগ্রাধিকারে।


তিনি বলেন, বাজেট বাড়ালেই হবে না, সেটা কর্মমুখী করতে হবে। কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট যে সব দক্ষতা আছে, সেগুলো তৈরি করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, কারিকুলামের মান উন্নয়ন, উচ্চ শিক্ষায় জোর দেয়া হচ্ছে।   


প্রশ্ন ছিলো শিক্ষার সাথে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে জুড়ে দিয়ে টাকার অঙ্ক বড় করে দেখানো হয়। মন্ত্রীর জবাবও ২২ মন্ত্রণালয় শিক্ষার সাথে কাজ করছে। 


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সেগুলো কিন্তু এ হিসেবে দেখানো হয় না। আমাদের সাথে ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত। যেহেতু ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত সেখানে যথাযথ বাজেট বরাদ্দ হয়ে থাকে। 


করোনাকালীন ধাক্কা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠেনি শিক্ষা খাত। সেই সাথে আরো কিছু চ্যালেঞ্জ ছিলো সব উৎরে বাজেটের সঠিক বাস্তবায়ন গুরুত্ব পাবে বলছেন শিক্ষামন্ত্রী।


আরও খবর



রাজ-বুবলীর বিয়ে

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



ডিজিটাল ডেস্ক :


যেখানে বিশ্বের নানা প্রান্তের বিখ্যাত ব্যক্তি এবং বিভিন্ন মাধ্যমের তারকা ব্যক্তিদের যাবতীয় তথ্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে, সেই উইকিপিডিয়ার তথ্যেই সম্প্রতি দেখা যায় বুবলীকে বিয়ে করেছেন রাজ!


শনিবার রাজের নামের উইকিপিডিয়াতে ঢুকে দেখা যায়, গত ১৩ মে তিনি বুবলীকে বিয়ে করেছেন। বৈবাহিক তথ্যটির অপশনের জায়গায় রাজের স্ত্রীর তালিকায় প্রাক্তন পরীমনির পরই বুবলীর নামটি জ্বলজ্বল করছে।


একই দিন একই তথ্য মেলে বুবলীর প্রোফাইলেও। তার বৈবাহিক তথ্যের জায়গায় প্রাক্তন স্বামী শাকিব খানের পর রাজের নামটি উল্লেখ করা আছে। তারিখ ওই একই, ১৩ মে। অর্থাৎ, ওই দিনে শরীফুল রাজকে বিয়ে করেছেন বুবলী।



তবে খবরটি একেবারেই সত্য নয়। কারণ, যে কেউ এই অনলাইন তথ্যকোষের তথ্য সংযোজন-বিয়োজন করতে পারেন যে কোনো সময়। সবশেষ তাই হয়েছে।



বর্তমানে (রোববার) রাজ-বুবলী দুজনের উইকিপিডিয়া থেকেই সম্পর্কের বিষয়টি মুছে ফেলা হয়েছে।



এমনিতেই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ ঝামেলায় আছেন রাজ-বুবলী। কয়েক মাস আগেই পরীমিণির সঙ্গে ডিভোর্স হয়েছে রাজের।



বুবলীও শাকিব খানের জীবন-সংসারের বাইরে। তার মধ্যে এমন কান্ড কে বা কারা করল, তা অবশ্য জানা যায়নি।রোজার মুক্তি পেয়েছে রাজ-বুবলীর ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমাটি।


আরও খবর



বেনজীরের সাভানা পার্কের নিয়ন্ত্রণ নিল জেলা প্রশাসন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন গোপালগঞ্জের সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার (০৮ জুলাই) সকাল থেকে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী পার্কের যাবতীয় কার্যক্রম চালু থাকবে। এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুইটি দল পার্কে অবস্থান নেয়। এদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে পার্কের প্রধান ফটকের পাশে মাইকিং করে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যৌথভাবে এ ঘোষণা দেয়।

এ অভিযানে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসনের পক্ষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ বাবলী শবনম, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গোপালগঞ্জের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান, সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন সোহেল, দুদক মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান ও গোপালগঞ্জ জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগানসহ জেলা প্রশাসন ও দুদক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৫ থেকে ২০২০ সালে র‌্যাবের মহাপরিচালক এবং ২০২০ সাল থেকে থেকে ২০২২ পর্যন্ত আইজিপি থাকাকালীন সময়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগীটোল গ্রামে ৬২১ বিঘা জমির ওপর বেনজির গড়ে তোলেন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক। এ পার্কের জমির প্রায় সবই হিন্দু সম্প্রদায়কে ভয় দেখিয়ে, জোর করে এবং নানা কৌশলে কেনা হলেও অনেক জমি দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।


আরও খবর



বিএনপি-জামায়াতের সময়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



 ডিজিটাল ডেস্ক:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে। নারী ও পুরুষের মাঝে বৈষম্য দূরীকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করায় আমাদের আন্তরিক প্রয়াস ছিল। 


কিন্তু দুর্ভাগ্য নেমে আসে বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে। তারা কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়। দেশের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়।


বুধবার (১৫ মে) সকালে 'আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভারসিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।



শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পরে ১৯৭২ সালে জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দ্বায়িত্ব হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ন্যাশনাল পপুলেশন কাউন্সিল গঠন করেন। 


আমাদের দুর্ভাগ্য, ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। এরপরেই দেশে অগণতান্ত্রিক সরকার আসে এবং সমস্ত অর্জনগুলো একে একে নষ্ট করে দেয়।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরপর দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পারি দিয়ে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। সকলের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিৎ করতে নতুন জাতীয় স্বস্থ্য নীতি প্রণয়ন করা হয়। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশজুড়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন শুরু হয়। 


বিশেষ করে মা ও শিশুর অপুষ্টি কমিয়ে আনতে জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি গ্রহণ করি।



তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে আইসিপিডির ১৫টি মূলনীতি বাস্তবায়নে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি-২০১২ প্রণয়ন করি। মাতৃমৃত্যু ও নবজাতকের মৃত্যুহার কমানো, মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীর প্রজনন স্বাস্থ্যসহ পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনার ব্যাপক কর্মসূচি শুরু করি।


শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশকে আমি ২০৪১ সালের মধ্যে বাল্যবিবাহমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সে লক্ষ্যে কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি নানা উদ্যোগে বাল্যবিয়ের হার কমে আসছে। নানাভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।


আরও খবর