Logo
শিরোনাম

বিশ্ব বাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় দুই সরবরাহকারী দেশ সৌদি আরব ও রাশিয়া তেলের দৈনিক উত্তোলন হ্রাসের পর থেকে বিশ্ব বাজারে বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম।

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে সরবরাহের সংকট ও পরিকল্পিত কৌশলের কারণেই।

আন্তর্জাতিক বাজারে যে দামে তেল বিক্রি হয়েছে, তা ছিল চলতি ২০২৩ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দুই বেঞ্চমার্ক ক্রুড এবং ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল (ডব্লিউটিআই) উভয়ের দামই বেড়েছে। প্রতি ব্যারেল (১৫৯ লিটার) ব্রেন্ট ক্রুড এইদিন বিক্রি হয়েছে ৯৩ দশমিক ৭০ ডলারে এবং প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই এদিন বিক্রি হয়েছে ৯০ ডলারে।

বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে বেড়েছে ১ দশমিক ৮২ ডলার বা শতকরা হিসেবে ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

আর ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রতি ব্যারেলে বেড়েছে ১ দশমিক ৬৪ ডলার বা শতকরা হিসেবে ১ দশমকি ৮৫ শতাংশ।

বিশ্ব বাজারে তেলের এই চাঙ্গাভাবে পশ্চিমা বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের এই দাম বেড়েছে সৌদি ও রাশিয়ার পরিকল্পিত কৌশলের কারণে।

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থা পিভিএমের কর্মকর্তা তামাস ভারগা রয়টার্সকে বলেন, বাজারের এই চাঙ্গাভাব স্বাভাবিক নয়। এটা একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ এবং যারা এই কৌশল করছে, তারা আসলে বাজারের মানসিকতা নিয়ে খেলছে।

বাজার বিশ্লেষণকারী অপর সংস্থা অ্যাগেইন ক্যাপিটালের কর্মকর্তা জন কিলডাফ রয়টার্সকে বলেন, অর্থনীতির প্রাণচাঞ্চল্যের কারণে তেলের বাজারে এই চাঙ্গাভাব আসেনি, বরং যেটাকে চাঙ্গাভাব বলা হচ্ছে, সেটা আসলে সরবরাহের সংকট।

কিলডাফ আরও বলেন, আর এই সংকটের জন্য দায়ী রাশিয়া ও সৌদি। এমন এক সময়ে তারা তেলের উত্তোলন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যখন শীতের কারণে আর কিছুদিনের মধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলোতে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে ২০২২ সালের শুরুর দিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে উর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে চীন, ডলার সাশ্রয়ের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলো তেল কেনা কমিয়ে দেওয়ায় গত বছর জুন মাস থেকে অপরিশোধিত তেলের বাজারে মন্দাভাব শুরু হয়।

কয়েক মাস ধরে এই মন্দাভাব চলায় আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে তেল উত্তোলন ও রপ্তানিকারী দেশগুলো। তবে চলতি সপ্তাহে ফের বাড়তে শুরু করে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




অটিজম শিশুদের ভিশন রেহেবিলটেশন অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশে সমাজের সর্বোচ্চ শিক্ষিত মানুষদের মধ্যেও বড় অংশটিরই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু (যাদেরকে অটিজম রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়) এর সম্বন্ধে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অটিস্টিক শিশুরা যে রোগে আক্রান্ত হয় তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় Autism spectrum disorder (ASD) বলে। যে কারণে এই শিশুদের অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়। এই রোগটিতে আক্রান্ত মানুষদের ব্রেইনের বিভিন্ন অংশ অন্যান্য স্বাভাবিক মানুষের ব্রেইন এর বিভিন্ন অংশের মতো কাজ করে না। মানুষের ব্রেইন এর বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করে মানুষের দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ করার জন্য। যেমন আপনার বাড়িতে আগুন লাগলে আপনার ব্রেইন এর একটি অংশ নির্দেশ প্রদান করে যে বিপদ আসন্ন; সুতরাং, এখনই এই বাড়ি ত্যাগ করতে হবে। কোন কোন অটিস্টিক রোগে আক্রান্ত মানুষের ক্ষেত্রে ব্রেইনের অংশটি আসন্ন বিপদের কথা যাচাই করতে পারে না। কিংবা ঘরে পরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে নিজের মাথায় আঘাত করলে ব্যথা পাবে বা নিজের ক্ষতি হবে তা বুঝতে অক্ষম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অংক করতে ভালো বাসে পরীক্ষায় ১০০ এর মধ্যে সবসময়ই ১০০ পায় অথচ খুবই সাধারণ বিষয় ফেল করে। কোন-কোন শিশু শুকনো খাবার পছন্দ করে কিন্তু ভেজা খাবার কখনও হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখে না।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে বিশ্বে জন্মানো প্রতি ১৬০ জন শিশুর মধ্যে জন শিশুর মধ্যে অটিজম রোগের উপসর্গ পাওয়া যায়। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে যেখানে এই রোগ নির্ণয় অনেক সহজ লভ্য সেখানে প্রতি ৬০ জন শিশুর জনের মধ্যে এই রোগের উপসর্গ পাওয়া যায়। উন্নত দেশগুলোতে অটিজম রোগ সম্বন্ধে জানার জন্য ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়েছে। দুর্ভাগ্যক্রমে এই রোগ সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিকদের জানার পরিধি এখন খুবই সীমাবদ্ধ যে কারণে এখন পর্যন্ত এই রোগ নিরাময়ের জন্য পূর্ণ কোন চিকিৎসা আবিষ্কার হয় নি। তবে বৈজ্ঞানিকরা এই রোগের কিছু উপসর্গ সম্বন্ধে জানতে পেরেছেন। শিশুর জন্মের পরে যত দ্রুত এই উপসর্গ গুলো নিরাময় করার চেষ্টা করা যাবে তত দ্রুত এই সমস্যাগুলো কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। শিশুর বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যাগুলো স্থায়ী রূপ নিবে যখন সেই সমস্যাগুলো আর নিরাময় করা সম্ভাবনা অনেক কমে আসবে।

আটিজম আসলে কী?

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) হলো, মস্তিষ্কের পার্থক্যের কারণে সৃষ্ট এক ধরনের অক্ষমতা। এটি মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ততাকে বোঝায়। অটিজমে আক্রান্ত শিশুরা সামাজিক আচরণে ক্ষেত্রে দুর্বল পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত কম সক্ষম হয়ে থাকে। মানসিক সীমাবদ্ধতা একই কাজ বারবার করার প্রবণতা থেকে এদেরকে শনাক্ত করা যায়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু টিবিএসকে বলেন, "অটিজম হলো একটি জেনেটিক সমস্যা। জন্মের ১৮-৩৬ মাসের মধ্যে একটা বাচ্চা যখন অন্য বাচ্চার সাথে মিশে না, অন্য বাচ্চারা যে ধরনের আচরণ করছে তেমন করে না, কথা বলে না- একই কাজ বারবার করে, কোনো কিছুর ওপর আসক্তি থাকলে সেটা নিয়ে থাকে সবসময়এসব লক্ষণ দেখলে ডাক্তার দেখাতে হবে। দ্রুত শনাক্ত (আর্লি ডিটেকশন) করা গেলে অটিজম আক্রান্তদের কাজে লাগানো যায়।"

"আগে মনে করা হতো, অটিজম আক্রান্তদের বুদ্ধি নেই। কিন্তু সেটি ঠিক নয়। অটিজম আক্রান্তদের বুদ্ধিমত্তা ভালো থাকে, কিন্তু আচরণগত সমস্যা থাকে। সে কারণে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও অটিজমে আর্লি ডিটেকশনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যেসব কাজে বুদ্ধির দরকার হয়, সেসব বাদে অন্যান্য যেকোনো কাজ তারা করতে পারে। সেজন্য আর্লি ডিটেকশনে আরও গুরুত্ব দিতে হবে," যোগ করেন তিনি।

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) একটি মানসিক এবং বিকাশগত অক্ষমতা যা প্রায়শই শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ এবং আচরণে প্রভাব ফেলে। তবে, অনেকেই জানেন না যে অটিজম শিশুদের মধ্যে চোখের সমস্যাও হতে পারে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে আরও বাধা সৃষ্টি করে। যদিও অটিজম শিশুদের সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি থেরাপি রয়েছে, ভিশন রেহেবিলিটেশন এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে । অটিজম শিশুদের দৃষ্টি সমস্যা সাধারণত অবহেলিত হয়। অনেক সময় এই শিশুদের চোখের সমস্যা তাদের আচরণগত শিক্ষাগত উন্নতিতে বাধা সৃষ্টি করে।

অটিজম শিশুদের মধ্যে ভিশন সমস্যার প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি। সাধারণ সমস্যা গুলোর মধ্যে রয়েছে:

·         স্ট্রাবিসমাস: চোখের বল একত্রে কাজ করতে না পারা।

·         অ্যাম্বলিওপিয়া: চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া।

·         কনভারজেন্স ইনসাফিসিয়েন্সি: চোখের বল একত্রে কাজ করতে অক্ষমতা।

এই সমস্যাগুলো অটিজম শিশুদের জন্য আরও জটিল হয়ে ওঠে কারণ তারা প্রায়ই তাদের সমস্যাগুলো প্রকাশ করতে সক্ষম হয় না। অটিজম শিশুদের দৃষ্টি সমস্যা সাধারণত অবহেলিত হয়। অনেক সময় এই শিশুদের চোখের সমস্যা তাদের আচরণগত শিক্ষাগত উন্নতিতে বাধা সৃষ্টি করে। অপ্টোমেট্রিস্টরা ধরনের সমস্যা চিহ্নিত করে তাদের জন্য সঠিক চিকিৎসা থেরাপি প্রদান করতে পারেন।

অপ্টোমেট্রিস্টরা বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক যারা চোখের স্বাস্থ্য এবং দৃষ্টি সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে দক্ষ। অটিজম শিশুদের ক্ষেত্রে, অপ্টোমেট্রিস্টরা বিশেষ দৃষ্টি থেরাপি এবং রেহেবিলটেশন প্রোগ্রাম প্রয়োগ করতে পারেন, যা শিশুদের চোখের সমস্যা মোকাবেলা করতে সহায়ক।

অনেক এএসডি শিশুদের ভিশন থেরাপির প্রয়োজন হয়। অপ্টোমেট্রিস্টরা এই থেরাপি প্রদান করে থাকেন, অটিজম শিশুদের জন্য দৃষ্টি থেরাপির প্রভাব শুধুমাত্র তাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সহায়ক নয়, বরং তাদের সামগ্রিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সঠিক দৃষ্টিশক্তি শিশুদের শিখতে, খেলতে এবং সামাজিকভাবে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে, যা তাদের মানসিক এবং সামাজিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার এএসডি শিশুদের ভিশন সমস্যা

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডিশিশুদের মাঝে বিভিন্ন ধরণের ভিশন সমস্যা দেখা যায়। তারা অনেক সময় চোখের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণে সমস্যায় পড়ে, চোখের সংযোগ স্থাপনে অক্ষমতা এবং ফোকাস করার সমস্যার সম্মুখীন হয়। এসব সমস্যা তাদের দৈনন্দিন কাজ, শিক্ষা এবং সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা:

. ভিশন এসেসমেন্ট:
অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রথম কাজ হলো এএসডি শিশুদের ভিশন এসেসমেন্ট করা। এই এসেসমেন্টের মাধ্যমে শিশুর চোখের কার্যকারিতা, ফোকাসিং ক্ষমতা, চোখের গতিবিধি এবং চোখের মাংসপেশির কাজকর্ম যাচাই করা হয়। এর মাধ্যমে দৃষ্টির কোন সমস্যা রয়েছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।

. ভিশন থেরাপি:
অনেক এএসডি শিশুদের ভিশন থেরাপির প্রয়োজন হয়। অপ্টোমেট্রিস্টরা এই থেরাপি প্রদান করে থাকেন, যা শিশুদের চোখের মাংসপেশি এবং চোখের সমন্বয় ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিশন থেরাপি মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি উন্নত করা সম্ভব হয়, যা শিশুর দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তোলে।

. চশমার প্রয়োগ:
প্রয়োজনে এএসডি শিশুদের চশমা ব্যবহার করতে হতে পারে। অপ্টোমেট্রিস্টরা শিশুদের দৃষ্টিশক্তি অনুযায়ী সঠিক পাওয়ারের চশমা নির্ধারণ করেন, যা তাদের দৃষ্টির সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।

করণীয়:

. নিয়মিত চেক-আপ:
এএসডি শিশুদের নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা উচিত। এর মাধ্যমে চোখের কোন সমস্যা থাকলে তা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে এবং তা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।

. ভিশন রেহেবিলিটেশন প্রোগ্রাম:
বিভিন্ন ভিশন রেহেবিলিটেশন প্রোগ্রামের সাথে শিশুদের যুক্ত করা উচিত। এই প্রোগ্রামগুলো তাদের চোখের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

. পারিবারিক সহযোগিতা:
এএসডি শিশুদের ভিশন রেহেবিলিটেশনে পরিবারের সদস্যদেরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বাড়িতে চশমা পরিধান করানো, ভিশন থেরাপির অনুশীলন করানো ইত্যাদি ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

. শিক্ষক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা:
এএসডি শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষকদেরও দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত। শিক্ষক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহায়তায় শিশুদের সঠিক ভিশন রেহেবিলিটেশন সম্ভব।

বাংলাদেশে এএসডি শিশুদের জন্য কার্যকর ভিশন রেহেবিলিটেশন নিশ্চিত করতে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা উচিত:

·         সচেতনতা বৃদ্ধি: এএসডি এবং এর সাথে সম্পর্কিত ভিশন সমস্যার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

·         প্রশিক্ষিত অপ্টোমেট্রিস্ট: ভিশন রেহেবিলিটেশনের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা জরুরি।

·         প্রতিষ্ঠানিক সহায়তা: সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় ভিশন রেহেবিলিটেশন সেন্টার স্থাপন করা যেতে পারে।

·         গবেষণা উন্নয়ন: এএসডি এবং ভিশন সমস্যার উপর গবেষণা বৃদ্ধি করা এবং নতুন নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করা উচিত।

বাংলাদেশে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) শিশুদের ভিশন রেহেবিলিটেশন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অপ্টোমেট্রিস্টদের মাধ্যমে সঠিক ভিশন রেহেবিলিটেশন কার্যক্রম পরিচালিত হলে এই শিশুদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাই, ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) শিশুদের ভিশন রেহেবিলিটেশন একটি জটিল কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অপ্টোমেট্রিস্টদের সহযোগিতায় এবং সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এএসডি শিশুদের জীবনে দৃষ্টিশক্তির সমস্যাগুলো দূর করা সম্ভব এবং তাদের জীবনকে সহজ করা যায়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এএসডি শিশুদের জন্য একটি সুন্দর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।


লেখক: ডক্টর মো: মিজানুর রহমান , পিএইচডি , দৃষ্টি বিজ্ঞান

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরম্যানেজমেন্ট এন্ড সাইন্স ইউনিভার্সিটি , মালয়শিয়া


আরও খবর



রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুড়ে গেছে ৫ শতাধিক ঘর

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী ১৩নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে সক্ষম হয় দমকল বাহিনী। এতে প্রায় ৫ শতাধিক শেড পুড়ে গেছে দাবি করলেও উপজেলা প্রশাসন বলছে, আগুন নিয়ন্ত্রণের পর তারা ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে কাজ শুরু করেছে। বিকেলের দিকে জানা যাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।

শুক্রবার (২৪ মে) বেলা ১১ টার পর থাইংখালী ১৩নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি অফিস থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে পৌনে ১ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণে একাধিক টিম কাজ করে।

রোহিঙ্গারা জানান, একটি অফিস থেকে হঠাৎ আগুনের ধোঁয়া দেখা যায়। এরপর মুহূর্তর মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে মানুষের প্রাণহানি না ঘটলে রোহিঙ্গাদের সহায় সম্বল পুড়ে গেছে। শুধু রোহিঙ্গাদের ঘর নয়, বেশকিছু দোকানপাটও পুড়ে গেছে।

উখিয়া উপজেলা ইউএনও তানভীর হোসেন জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। ক্ষয়ক্ষতি নির্ণয়ে কাজ চলছে। তবে কোন প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



কাঁচাবাজারে নাকাল নিম্নআয়ের মানুষ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মৌসুম শেষ হওয়ার দুই-তিন মাস দুয়েক না যেতেই চড়া আলু পেঁয়াজের দাম। দুই সপ্তাহে দ্বিগুণের বেশি দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। স্বস্তি নেই সবজি মাছ মাংসেও। ষাটের নিচে নেই তেমন কোনো সবজি। শুক্রবার (২৪ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশের মানুষের প্রধান সবজি প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। এক প্রায় দুই মাস ধরেই এই দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানির পরও কমেনি পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। আবারও ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে কাঁচা মরিচের দাম।

বাজারে দেখা যায় ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে, প্রতি কেজি ২২০-২৩০ টাকা। যা কয়েক সপ্তাহ ধরে একই দামে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও সোনালি পাকিস্তান জাতের মুরগী ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। লেয়ার মুরগী লাল ৩৫০-৩৭০, সাদা ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার উপরে।

মাছের বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ২০০ টাকার নিচে তেমন কোনো মাছ নেই। সাইজ ভেদে তেলাপিয়া ২২০-২৫০ ও পাঙাশ ২১০ থেকে ২৪০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজ ভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা। ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০, চাষের শিং মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায়।

এদিকে আবারও উত্তাপ ডিমের বাজারে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৫৫ টাকায়। হালি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০-৫৫ টাকা। যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

সবজির বাজারে লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, টমেটো ৬০-৭০ টাকা, করল্লা ৮০-৯০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৫০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, শশা ৫০-৬০, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০, কাঁচা কলা ডজন ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও শাকের মধ্যে পাট শাক ১৫-২০ টাকা, কলমি শাক ১০-১৫ টাকা, পালং ১০-১৫ টাকা, লাউ শাক ৩০-৪০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ৩০-৪০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




প্লাটিনাম জয়ন্তীতে সব রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। কে প্রতিপক্ষ সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়৷

আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোমবার (১০ জুন) দুপুরে মহানগর ও  ঢাকা জেলার নেতা, মেয়র ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে যখন প্রস্তুত হচ্ছি ঠিক এই সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এসেছে। এবার আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী জাঁকজমকপূর্ণ করা হবে। 

তবে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আমরা সাজসজ্জা করব না। এ বিষয়ে আমাদের নেত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। তবে আমাদের দলের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদযাপন তৃণমূল ওয়ার্ড-ইউনিয়ন পর্যন্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ২১ তারিখে ৩ টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু ভবন পর্যন্ত র‌্যালি বের করা হবে। ২৩ তারিখে সকালে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে প্লাটিনাম জন্মজয়ন্তীর শুভ উদ্বোধন করবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। 

২৩ তারিখ বিকাল ৩ টায় আলোচনা সভা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। শুরুতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হাতিরঝিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে ও সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সারাদেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত,  ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, দলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাঈদ খোকন ও  ঢাকা ১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ।।

এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন চৌধুরী নিখিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু সেতুতে একদিনে টোল আদায় ২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


কোরবানির ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।



 তারমধ্যে পশু ও পণ্যবাহী পরিবহন বেশি চলাচল করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। এদিকে, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪০১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ২০ হাজার ২৫০ টাকা।


বুধবার (১২ জুন) সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, গত সোমবার রাত ১২টা থেকে ১০ জুন মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪০১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ২০ হাজার ২৫০ টাকা।


উত্তরের ঈদযাত্রায় এবারও যানজটের শঙ্কা

তারমধ্যে টাঙ্গাইলের সেতু পূর্বে ১৪ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, এর বিপরীত টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা এবং সিরাজগঞ্জের সেতু পশ্চিমে ১৪ হাজার ১২১ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫০ টাকা।


গত মঙ্গলবার ১১ জুন বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ছোট-বড় সব মিলিয়ে ২৫ হাজার ৯২৩টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৮৭ হাজার ১০০ টাকা টোল আদায় হয়েছিল।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪