Logo
শিরোনাম

ডেঙ্গু জ্বর সেরে যাওয়ার পর প্রথম ৩ দিন বিপজ্জনক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসি অধ্যাপক ডা. মো: শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ডেঙ্গু জ্বর সেরে যাওয়ার পর প্রথম তিন দিন বিপজ্জনক সময়। এই সময়ে সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে।

ভিসি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় দেশ সেরা। এডাল্ট ৭০০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শিশু বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২০০ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। যারা সবাই সুস্থ হয়েছে। আমাদের সেবার মান আগের থেকে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

সেমিনারে বলা হয়, ডেঙ্গু জ্বরের গুরুত্বপূর্ণ সময় যখন রোগীর জ্বর ছেড়ে যায়। জ্বর ছেড়ে যাওয়ার পরে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা ডেঙ্গু রোগীর ক্রিটিক্যাল সময়। এটি ডেঙ্গু জ্বরের গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ সময় রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুদের প্রতি বেশি যত্মশীল হতে হয়। কারণ শিশুদের শরীরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা স্পষ্ট করে বলতে পারে না। ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুদের বাইরে থেকে স্বাভাবিক মনে হলেও যেকোনো সময় শিশুরা ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে চলে যেতে পারে। তাই ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ মনিটরিং করতে হবে। যেন কোনো সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফজালুন নেসা ডাইনামেকিস অব ডেঙ্গু ভাইরাস ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড ডেঙ্গু ভ্যাকসিন আপডেটস, শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. মাহবুব মোতানাব্বি ক্লিনিক্যাল প্রেসেন্টেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু: পেডিয়াট্রিক অ্যাসপেক্ট ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফজলে রাব্বী চৌধুরী ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু ইনফেকশন: টিপস অ্যান্ড ট্যাকটিস শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্যানেল অব এক্সপার্ট হিসেবে ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ মতামত প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সেন্ট্রাল সাব কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন সিদ্দিকী।


সূত্র : বাসস


আরও খবর



যাত্রাবাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক দম্পতির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ভোরে যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া এলাকার পশ্চিম মোমেনবাগের আড়াবাড়ি বটতলার বাসা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।


নিহতরা হলেন শফিকুর রহমান (৬০) ও তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন (৫০)।



পুলিশ জানায়, আজ সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা বাসার নিচতলার পার্কিংয়ে শফিকুরের লাশ দেখতে পায়। 


তার গলা ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরে দোতলায় গিয়ে শোবার ঘরে মশারির ভেতর স্ত্রী ফরিদার লাশ পাওয়া যায়। তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।


পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, এটি ডাকাতির ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা প্রাথমিকভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বাসার ভেতর সব আলমারি খোলা পাওয়া গেছে।



যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে। শফিকুর নামাজ পড়ে ফেরার সময় ওৎ পেতে থাকা খুনিরা তাকে প্রথমে হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তারা দোতলায় উঠে তার স্ত্রীকে হত্যা করে। 


বাসার নিচের প্রধান ফটক ও ঘরের দোতলার দরজা খোলা ছিল। শফিকুরের কাছে বাসার প্রধান ফটকের চাবি পাওয়া গেছে। বাসার পেছনের দেয়াল–লাগোয়া একটি ভবন বেয়ে এই ভবনে ওঠা যায়। 


বাসার ভাড়াটেরা দাবি করেছেন, তারা কেউ বিষয়টি টের পাননি।


আরও খবর



বেড়েছে অধিকাংশ পণ্যের দাম , বিপাকে মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

সপ্তাহ ব্যবধানে ফের অস্থির হয়ে উঠেছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজার। দাম বেড়ে গেছে মাছ-মাংস ও শাক-সবজিসহ প্রায় প্রতিটি পণ্যের। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ও আগানগর এবং রাজধানীর নয়াবাজার ও কারওয়ানবাজারসহ বেশকটি বাজার ঘুরে। কোরবানির ঈদের বাকি এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময়। রোজার ঈদের আগে যেভাবে পণ্যের দাম বেড়েছিল, বর্তমানেও ঠিক একই পরিস্থিতি বাজারে।

ক্রেতাদের দাবি, প্রতিদিনই বাড়ছে কোনো না কোনো পণ্যের দাম। এর বিপরীতে কিছুই কমছে না, আর কমলেও খুবই নগণ্য। এতে সংসার চালানোই দায়!

রাশেদুল ইসলাম নামে বেসরকারি এক চাকরিজীবী বলেন, এমনিতেই পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। প্রতিদিনই বাড়ছে পণ্যের দাম। ঘোষণা করা হয়েছে নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা। ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর আরও সুযোগ পেয়েছেন। আরেক ক্রেতা নয়ন বলেন, কোরবানি আসছে। এ সুযোগে মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ানোর যেন উৎসবে মেতে উঠেছেন ব্যবসায়ীরা।

বাজারে দারুচিনি ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা, জিরা ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, এলাচ প্রকারভেদে ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা, গোলমরিচ ৮৮০ থেকে ৯০০ টাকা, লবঙ্গ ১৬০০ থেকে ১৬৫০ টাকা, তেজপাতা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শুকনো মরিচ মানভেদে ৩৮০ থেকে ৪৩০ টাকা, আলুবোখারা ৯৯০ টাকা, কাজুবাদাম ১২৫০ থেকে ১৩০০ টাকা ও ধনিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলারের দাম বাড়ার ফলে আমদানি কমায় মসলার দাম বেড়েছে পাইকারি বাজারগুলোতে। ফলে দাম বাড়ছে খুচরা বাজারেও। আমদানি না বাড়লে ঈদে দাম আরও বাড়তে পারে।

কারওয়ানবাজারের পাইকারি বিক্রেতা রাকিব জানান, ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি পর্যায়ে খরচ বেড়ে গেছে। যে কারণে সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। অবশ্য বাজেটের কোনো প্রভাব এখনও পড়েনি।

এছাড়া, কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। আর কেজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি দেশি রসুন ২৩০-২৪০ টাকা, আর আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। এছাড়া কেজিতে ২০-৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।

এদিকে, সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়েছে শাক-সবজির দাম। বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৫০ টাকা, কহি ৪০ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, লতি ৬০-৮০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা ও কাঁকরোল ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, প্রতি পিস লাউ ৫০ টাকা ও চালকুমড়া ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি লালশাক ১৫ টাকা, পাটশাক ১০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, কলমিশাক ১৫ টাকা ও পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। তবে দাম কমেছে কাঁচা মরিচের। খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৬০ টাকা। আর পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, কাঁচা মরিচের দাম কমলেও, বেড়েছে অন্যান্য সবজির। মূলত সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে।

স্বস্তির খবর নেই ডিম ও মাংসের বাজারেও। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা ও কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত কমে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকায়। প্রতি কেজি দেশি মুরগি ৭০০-৭৫০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৪০-৩৫০ টাকায়। এছাড়া, জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকায়। তবে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি খাসির মাংস এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।

দাম কমেনি ডিমেরও। মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, আর সাদা ডিম ১৫৫ টাকায়, আর প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।

এদিকে, ইলিশ বাদে স্বস্তির খবর নেই মাছের বাজারে। প্রায় সব ধরনের মাছে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০-৫০ টাকার মতো। বিক্রেতাদের অজুহাত, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে।

বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০-২৪০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৬৫০ টাকা ও চাষের কৈ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়। এছাড়া আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ও আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ইলিশের দাম। এ মুহূর্তে প্রতি কেজি ইলিশের দাম পড়ছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। যদিও ৮০০-৯০০ গ্রাম ইলিশ ১৪০০ টাকা ও ৬০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকায়।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েরই। ক্রেতারা বলছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয় না। এতে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পায়। আর বিক্রেতারা বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধুদের দৌরাত্ম্য কমবে।


আরও খবর



এনটিআরসিএ'র ১৮তম নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা ১২ ও ১৩ জুলাই

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



সদরুল আইন:


বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৮তম নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ করেছে। 


আগামী ১২ ও ১৩ জুলাই দেশের ৮ বিভাগীয় শহরে এ পরীক্ষা হবে।


রোববার (২৬ মে) স্ব স্ব জেলা প্রশাসককে এনটিআরসিএ থেকে পাঠানো চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


চিঠির তথ্যানুযায়ী, ১২ জুলাই শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা হবে। আর ১৩ জুলাই শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।


জানা গেছে, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেটে শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রের তালিকা এরইমধ্যে আট জেলার প্রশাসককে পাঠানো হয়েছে। 


ওইদিন অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার সূচি না রাখার অনুরোধও করা হয়েছে চিঠিতে।



এর আগে ১৮তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 


এতে অংশ নিতে আবেদন করেন ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৯ জন। তবে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৩৩ জন।


প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নির্ধারিত নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮১ জন। এরমধ্যে স্কুল-২ পর্যায়ে ২৯ হাজার ৫১৯ জন, স্কুল পর্যায়ে ২ লাখ ২১ হাজার ৬৫২ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১৩ জন। 


এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৩৫ দশমিক ৮০ শতাংশ।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ২৫ লাখ গ্রাহক

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’র প্রভাবে উপকূলের বিভিন্ন এলাকার ২৫ লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ঝড়ো বাতাসে গাছ পড়ে দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো।


বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) এক পরিচালক নাম প্রকাশ না শর্তে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দুর্ঘটনা এড়াতে ১৪টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ২৫ লাখ ৬৯ হাজার ৫০০ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। 


উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর বিদ্যুৎ কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় শেষ হওয়ার পরপরই যাতে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায়, সেই লক্ষ্যে প্রত্যেকটি সমিতির কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছেন।


তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎহীন এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে পটুয়াখালী, বাগেরহাট, ভোলা, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা ও ঝালকাঠি জেলা। এরমধ্যে পটুয়াখালীতে ছয় লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। 


তাছাড়া বাগেরহাটে ৪ লাখ ৫০ হাজার ও ভোলায় ৪ লাখ ২৫ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।  


আরও খবর



এমপি আনার হত্যার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন শিলাস্তিও, আসামিদের লোমহর্ষক বর্ণনা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের জট এখনও খোলাসা না হলেও দেশে গ্রেপ্তার তিন আসামি— শিমুল ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি ডিবির। 


এরই মধ্যে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এমপি আনারকে রিসিভ করার পর হত্যাকাণ্ডের সময় কলকাতার নিউটাউনের ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন শিলাস্তি রহমান। এমনকি ঝিনাইদহ-৪ আসনের এ সংসদ সদস্যকে হত্যার পর নিজেদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে সব কাজ করেছেন হত্যাকারীরা।


শুক্রবার (৩১ মে) শিমুল ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান। কিন্তু আদালত এ তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এই তিন আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবি জানায়, এমপি আনারকে হত্যা করার আগে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ওঠেন শিলাস্তি রহমান। হত্যা করার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন তিনি। তার দায়িত্ব ছিল এমপি আনার যখন ফ্ল্যাটটিতে যাবেন তাকে রিসিভ করা। 


সেই অনুযায়ী শিলাস্তি রহমান ওই ফ্ল্যাটটিতে এমপি আনারকে রিসিভ করেন। এরপর থেকে আর এমপি আনারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।


রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার শিমুল ভূঁইয়া (৫৬) জিজ্ঞাসাবাদে ডিবিকে জানায়, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) শীর্ষস্থানীয় নেতা। খুলনা, জিনাইদহ, যশোরসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তথা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে তাদের নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি।


 শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে এমপি আনারের আদর্শের বিরোধ ছিল। এছাড়া ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান ওরফে শাহিনের সঙ্গেও সংসদ সদস্যের বিরোধ ছিল। এই দুই বিরোধকে কেন্দ্র করে শাহিন ও শিমুল ভূঁইয়া আনারকে হত্যা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করছিলেন।


এমপি আনার হত্যাকাণ্ড / এবার নেপাল যাচ্ছে ডিবি

গত জানুয়ারি ও মার্চ মাসে দুবার তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হন তারা। পরবর্তীতে শাহিন ভারতের কলকাতার নিউটাউন অভিজাত এলাকায় চলতি মাসের এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। 


পরিকল্পনায় শামিল করা হয় শিলাস্তি রহমানকে। পরে তাদের সঙ্গে হত্যা পরিকল্পনার মিটিং করে শাহিন গত ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে চলে আসেন।


ডিবির রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, পরবর্তীতে শিমুল ভূঁইয়া ও শাহিনের নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা ভুক্তভোগীকে কৌশলে ব্যবসার কথা বলে কলকাতার ওই ফ্লাটে নিয়ে যান। পরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী শিমুল ভুঁইয়া অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় আনারকে হত্যা করেন। 


হত্যার পর তার মরদেহের হাড়-মাংস আলাদা করে মাংসের ছোট ছোট টুকরো করা হয়। পরে সেগুলো ফ্ল্যাটের টয়লেটের কমোডে ফেলে ফ্লাশ করা হয়। এছাড়া হাড়সহ শরীরের অন্যান্য অংশ ট্রলিব্যাগে করে কলকাতার নিউটাউন থেকে দূরে একটি খালে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা।


রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, শাহিন ভুঁইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য কলকাতার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি পুলিশকে জানানো হয়। পরবর্তীতে কলকাতার সিআইডি পুলিশ ওই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংকে তালাশ করে মানুষের মাংস সদৃশ কিছু উদ্ধার করে। যা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আনোয়ারুল আজীম আনারের কি না নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে কলকাতার সিআইডি পুলিশের মাধ্যমে মৌখিকভাবে জানানো হয়। 


এই আলামত উদ্ধারের সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।


ডিবিকে গ্রেপ্তার শিমুল ভুঁইয়া আরও জানান, আনারকে হত্যা করা ও লাশ থেকে হাড় মাংস আলাদা করার কাজে আসামি ফয়সাল, মোস্তাফিজ ও জিহাদ সরাসরি জড়িত ছিলেন। হাড় ও শরীরের অন্যান্য অংশ দূরে ফেলে দেওয়ার কাজে সিয়ামসহ অজ্ঞাতনামা দু-একজন সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।


আসামি জিহাদকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আসামি তানভীর ভূঁইয়া (৩০) ঘটনার সময় শাহিন ভুঁইয়ার সঙ্গে কলকাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি হত্যাকাণ্ডে শাহিন ভুঁইয়াকে সহযোগিতা করেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। 


পরে তানভীর ভূঁইয়ার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বাড়ি থেকে তিনটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। আনারকে হত্যার সময় শিলাস্তি রহমান কলকাতায় ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন। হত্যা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিলাস্তির দায়িত্ব ছিল এমপি আনারকে রিসিভ করা।


 ঘটনায় জড়িত পলাতক মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহিন, সিয়াম ও মোস্তাফিজসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য আসামিদের সঠিক নাম-ঠিকানা সংগ্রহ ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। 


বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার রহস্য জানতে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসমিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়।


এর আগে গত ১২ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যান এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলকাতায় তার পারিবারিক বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পরদিন, ১৩ মে চিকিৎসক দেখাতে হবে জানিয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে গোপালের বাড়ি থেকে বের হন আনার। 


সন্ধ্যায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি। পরে বিধান পার্কের কাছে কলকাতা পাবলিক স্কুলের সামনে থেকে ট্যাক্সিতে উঠেছিলেন তিনি। চলে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় আনারের মোবাইল নম্বর থেকে তার বন্ধু গোপালের কাছে ম্যাসেজ আসে যে, তিনি দিল্লি যাচ্ছেন এবং সেখানে পৌঁছে তাকে ফোন করবেন।


পরে ১৫ মে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তায় এমপি আনার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি পৌঁছেছেন এবং ভিআইপিদের সঙ্গে আছেন। তাকে ফোন করার দরকার নেই। একই বার্তা পাঠান বাংলাদেশে তার ব্যক্তিগত সহকারী রউফের কাছেও।


১৭ মে আনারের পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে গোপালকে ফোন করেন। ওই সময় তারা গোপালকে জানান, তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দিন ঢাকায় থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে আর এমপি আনারের খোঁজ পাওয়া যায়নি।


২০ মে এমপি আনারের খোঁজ করতে গিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে। তারা জানতে পারেন, কলকাতায় বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার মোবাইলের লোকেশন একবার পাওয়া গিয়েছিল সেখানকার নিউমার্কেট এলাকায়।


 এরপর ১৭ মে তার ফোন কিছুক্ষণের জন্য সচল ছিল বিহারে। পরে বুধবার (২২ মে) ভারতের এনডিটিভির খবরে বলা হয়, কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জিভা গার্ডেনসের একটি ফ্লাটে এমপি আনারকে খুন করা হয়েছে।



আরও খবর