Logo
শিরোনাম

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির আরো অবনতি

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত জুলাই মাসের ৩১ দিনে ডেঙ্গুতে যতজন আক্রান্ত হয়েছেন, তার চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত জুলাই মাসে ৪৩ হাজার ৮৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। আগস্টের ১৭ দিনে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৪৪ হাজার ৪৫ জনে। জুলাইয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২০৪ জনের। আগস্টে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২০২ জনের।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা প্রতিবেদনে জনানো হয়, বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪৫৩ জন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৬৫ জন ডেঙ্গুরোগী। এর মধ্যে ৮০৪ জন ঢাকার বাসিন্দা। আর ৭৬১ জন ঢাকার বাইরের।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৯৫ হাজার ৮৭৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৬ হাজার ৯৩৩ জন। আর ৪৮ হাজার ৯৪৪ জন ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির যেভাবে অবনতি হচ্ছে তাতে এবার অন্যান্য বছরের রেকর্ড ছাড়াতে পারে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি বলেও মনে করছেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. হাবিবুল আহসান তালুকদার বলেন, রাজধানীতে ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ঢাকার বাইরে সাত জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এসব এলাকার ডেঙ্গু প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সিভিল সার্জন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

২০২০ সালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে ২৭ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



আজ সেরা আটে যাওয়ার লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



স্পোর্টস রিপোর্টার:


যুক্তরাষ্ট্র পর্ব শেষ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজে। দেশটির সেন্ট ভিনসেন্টে অবস্থিত আর্নোস ভ্যালে গ্রাউন্ডে আজ রাত সাড়ে ৮টায় নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।



 এটি নাজমুল হোসেন শান্তদের তিন নম্বর ম্যাচ। এর আগে শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলে এসেছেন তারা। মার্কিন মুলুকে লঙ্কানদের হারাতে পারলেও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে পরাস্ত হয়েছে টাইগার বাহিনী। তাতে সেরা আটে যাওয়ার জন্য আজকের ম্যাচটি বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। 


এই ম্যাচে জয় তুলে নিতে পারলে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে পরের পর্বের জন্য অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন শান্তরা। সেজন্য ডাচ বাধা কাটাতে মরিয়া বাংলাদেশ।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গেল আসরে নেদারল্যান্ডসকে হারানোর সুখস্মৃতি রয়েছে বাংলাদেশের। সাকিব আল হাসানরা এই দলকে হারিয়েই সেবার বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিলেন। তারপর আরও একটি জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ, কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে যাওয়া হয়নি। 


কিন্তু এবার সেরা আট হাতছানি দিচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। এখন পর্যন্ত চার বার টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। এর মধ্যে তিন বার জয় তুলে নিয়েছে টাইগার বাহিনী। 



২০১৬ বিশ্বকাপের পর ২০২২ বিশ্বকাপেও জয় এসেছে। ২০১২ সালে তিন জাতি সিরিজে ১ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই পরিসংখ্যান বাদ দিলে বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন শান্তরা।



গত প্রায় ১০ বছর ধরে আর্নোস ভ্যালেতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হচ্ছে না। এবার সেখানেই নামবে বাংলাদেশ। আশা করা হচ্ছে, নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টির মতো ভরাডুবি হবে না। তবে দীর্ঘদিন ম্যাচ না হওয়ায় উইন্ডিজের এই উইকেট সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। 



এই ম্যাচটি ‘ডি’ গ্রুপের অঘোষিত ফাইনাল হিসেবে সামনে এসেছে। দ. আফ্রিকা সেরা আট নিশ্চিত করার কারণে আজকের ম্যাচে যারাই জয় তুলে নিতে পারবে, দ্বিতীয় দল হিসেবে সেই দৌড়ে তারাই এগিয়ে থাকবে।


 আপাতত সেই লড়াই মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায়। 


আরও খবর



বেড়েছে অধিকাংশ পণ্যের দাম , বিপাকে মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

সপ্তাহ ব্যবধানে ফের অস্থির হয়ে উঠেছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজার। দাম বেড়ে গেছে মাছ-মাংস ও শাক-সবজিসহ প্রায় প্রতিটি পণ্যের। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ও আগানগর এবং রাজধানীর নয়াবাজার ও কারওয়ানবাজারসহ বেশকটি বাজার ঘুরে। কোরবানির ঈদের বাকি এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময়। রোজার ঈদের আগে যেভাবে পণ্যের দাম বেড়েছিল, বর্তমানেও ঠিক একই পরিস্থিতি বাজারে।

ক্রেতাদের দাবি, প্রতিদিনই বাড়ছে কোনো না কোনো পণ্যের দাম। এর বিপরীতে কিছুই কমছে না, আর কমলেও খুবই নগণ্য। এতে সংসার চালানোই দায়!

রাশেদুল ইসলাম নামে বেসরকারি এক চাকরিজীবী বলেন, এমনিতেই পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। প্রতিদিনই বাড়ছে পণ্যের দাম। ঘোষণা করা হয়েছে নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা। ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর আরও সুযোগ পেয়েছেন। আরেক ক্রেতা নয়ন বলেন, কোরবানি আসছে। এ সুযোগে মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ানোর যেন উৎসবে মেতে উঠেছেন ব্যবসায়ীরা।

বাজারে দারুচিনি ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা, জিরা ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, এলাচ প্রকারভেদে ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা, গোলমরিচ ৮৮০ থেকে ৯০০ টাকা, লবঙ্গ ১৬০০ থেকে ১৬৫০ টাকা, তেজপাতা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শুকনো মরিচ মানভেদে ৩৮০ থেকে ৪৩০ টাকা, আলুবোখারা ৯৯০ টাকা, কাজুবাদাম ১২৫০ থেকে ১৩০০ টাকা ও ধনিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলারের দাম বাড়ার ফলে আমদানি কমায় মসলার দাম বেড়েছে পাইকারি বাজারগুলোতে। ফলে দাম বাড়ছে খুচরা বাজারেও। আমদানি না বাড়লে ঈদে দাম আরও বাড়তে পারে।

কারওয়ানবাজারের পাইকারি বিক্রেতা রাকিব জানান, ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি পর্যায়ে খরচ বেড়ে গেছে। যে কারণে সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। অবশ্য বাজেটের কোনো প্রভাব এখনও পড়েনি।

এছাড়া, কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। আর কেজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি দেশি রসুন ২৩০-২৪০ টাকা, আর আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। এছাড়া কেজিতে ২০-৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।

এদিকে, সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়েছে শাক-সবজির দাম। বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৫০ টাকা, কহি ৪০ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, লতি ৬০-৮০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা ও কাঁকরোল ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, প্রতি পিস লাউ ৫০ টাকা ও চালকুমড়া ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি লালশাক ১৫ টাকা, পাটশাক ১০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, কলমিশাক ১৫ টাকা ও পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। তবে দাম কমেছে কাঁচা মরিচের। খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৬০ টাকা। আর পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, কাঁচা মরিচের দাম কমলেও, বেড়েছে অন্যান্য সবজির। মূলত সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে।

স্বস্তির খবর নেই ডিম ও মাংসের বাজারেও। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা ও কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত কমে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকায়। প্রতি কেজি দেশি মুরগি ৭০০-৭৫০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৪০-৩৫০ টাকায়। এছাড়া, জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকায়। তবে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি খাসির মাংস এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।

দাম কমেনি ডিমেরও। মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, আর সাদা ডিম ১৫৫ টাকায়, আর প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।

এদিকে, ইলিশ বাদে স্বস্তির খবর নেই মাছের বাজারে। প্রায় সব ধরনের মাছে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০-৫০ টাকার মতো। বিক্রেতাদের অজুহাত, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে।

বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০-২৪০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৬৫০ টাকা ও চাষের কৈ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়। এছাড়া আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ও আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ইলিশের দাম। এ মুহূর্তে প্রতি কেজি ইলিশের দাম পড়ছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। যদিও ৮০০-৯০০ গ্রাম ইলিশ ১৪০০ টাকা ও ৬০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকায়।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েরই। ক্রেতারা বলছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয় না। এতে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পায়। আর বিক্রেতারা বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধুদের দৌরাত্ম্য কমবে।


আরও খবর



লালমনিরহাটে নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শ্যামলকে সংবর্ধনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

উত্তম রায়, লালমনিরহাট : 

শুন্য পদে উপ নির্বাচনে লালমনিরহাট জেলা পরিষদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় এসএসসি ৯৭ ব্যাচের বন্ধুমহল কর্তৃক সংবর্ধিত হলেন শ্যামল।  

স্থানীয় মুন স্টার হোটেলের হল রুমে সন্ধ্যায় সংবধর্না অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল এসএসসি ৯৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনকারী বন্ধু।  নির্ভেজাল নির্মল পরিবেশে বেড়ে ওঠা বন্ধুদেরদ্বারা সংবর্ধিত হওয়ায় মানে আনন্দিত হওয়া। চেয়ারম্যান  শ্যামল তার বন্ধুদের উদ্দেশ্যে বলেন, বন্ধু মানে  পাশে আছি। 

এসময় অপর আরও দুইজন বন্ধু একজন লালমনিরহট জেলা মহিলা ক্রিড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য বিদায়ী বন্ধু সীমান্ত ব্যাংকের ম্যানেজারকেও সংবর্ধনা প্রদান করেন।  এসময় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডা: শাফিউজ্জামান শাফি প্রমুখ।  

অনুষ্ঠান শেষে প্রীতিভোজ হয় তাহাদের মাঝে।


আরও খবর



ঈদুল আজহা উদযাপনে যেসব পদক্ষেপের কথা জানালো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইনঃ


আসন্ন ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।


 গতকাল বুধবার (১২ জুন) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। 


বৈঠকে কোরবানির পশুর প্রাপ্যতা ও পরিবহণ, বাজার ব্যবস্থাপনা, অনলাইন মনিটরিং এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ বেশ কয়েকটি মূল বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।


কোরবানির পশু : এ বছর কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উদ্বৃত্তের কারণে ন্যায্যমূল্যে পশু পাওয়া যাবে বলে সভায় জোর দেওয়া হয়। ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ এই প্রাণিগুলোর প্রাপ্যতা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি কৃত্রিম ঘাটতি রোধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।


বাজার ও পরিবহণ : অননুমোদিত অস্থায়ী পশুর হাট স্থাপন ঠেকাতে স্থানীয় সরকার পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করছে। প্রতারণা রোধে ক্রেতা, বিক্রেতা ও পরিবহণ যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


ঈদ যাত্রা : জালিয়াতি ও হয়রানি রোধসহ রেলের টিকিট সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধানের জন্য মুখ্য সচিব রেলসচিবকে নির্দেশ দেন। যানজট নিরসনে ব্যবস্থা নিয়ে সড়ক-মহাসড়কে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণের চাপ কমাতে এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএর মতো ব্যবসায়ীদের শ্রমিকদের ছুটি দিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ওভারলোডিং রোধ এবং জাহাজের ফিটনেস নিশ্চিত করতে নৌযানগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।


বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদকে অবশ্যই কোরবানির পশু জবাই ও বর্জ্য নিষ্পত্তির নির্দেশনা কার্যকর করতে হবে।


কাঁচা চামড়া ব্যবস্থাপনা : কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া ভালোভাবে সরবরাহ ও চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঈদের পর কমপক্ষে ১০ দিন ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে না বলেও শর্ত দেওয়া হয়েছে।


পশুর হাট, পরিবহণ ও সার্বিক উৎসব নির্বিঘ্ন করতে ঈদুল আজহাকে সবার জন্য নিরাপদ ও আনন্দময় করার লক্ষ্যে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।



আরও খবর



নরসিংদীতে বজ্রপাতে মা-ছেলেসহ নিহত ৪

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image


নরসিংদী প্রতিনিধি:



নরসিংদীতে বজ্রপাতে মা-ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ মে) সকালে সদর উপজেলার চরাঞ্চলের আলোকবালীতে ও শহরতলীর হাজীপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়।


নিহতরা হলেন, আলোকবালী গ্রামের কামাল মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম, তার ১০ বছরের ছেলে ইমন মিয়া এবং ধান কাটা শ্রমিক কাউয়ুম মিয়া। তারা জমিতে ধান কাটছিলেন।



কাউয়ুম রায়পুরার বাঘাইকান্দি এলাকার হাতেম আলীর ছেলে।


এদিকে বৃষ্টির সময় বাইরে বের হয়ে শহরতলীর হাজিপুর চকপাড়ার মোসলেহ উদ্দিন নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।


নরসিংদী  মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


ওসি বলেন, ‘বজ্রপাতে পৃথক ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন।



আরও খবর