Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

একদিনে ১৮০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরায়েল

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ তুলে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধ শুরু করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধবিরতি শেষ হতে না হতেই দখলদার ইসরায়েলের বিমান হামলায় ১৮০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

 ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া হামলায় আহত হয়েছেন এক হাজারের মতো বেসামরিক মানুষ। খবর রয়টার্সের।

কর্তৃপক্ষ জানায়, যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। শুক্রবার ভোর থেকেই দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের পূর্বাঞ্চলে অনবরত বোমাবর্ষণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। আকাশ ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়।

খান ইউনিস ও রাফা শহরসহ গাজার উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে চলছে হামলা। পাশাপাশি দক্ষিণ গাজার কয়েকটি অঞ্চলে লিফলেট ফেলে ফিলিস্তিনিদের এলাকা ছাড়তে বলে ইসরায়েল। প্রাণ বাঁচাতে স্থানীয় বাসিন্দারা পশ্চিমাঞ্চলে পালাতে শুরু করেছে। ভোর থেকেই গাড়িতে জিনিসপত্র বোঝাই করে তারা রাস্তায় নেমে পড়ে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। হামাসের হামলায় ১২০০ ইসরায়েলির নিহত হয়। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় টানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। দখলদার ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নারী ও শিশুসহ ১৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন।

হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দখলদার ইসরায়েল। টানা হামলার শিকার গাজায় খাবার, পানি, ওষুধ ও জ্বালানির সংকট দেখা দেয়।

প্রায় দেড় মাস সংঘাতের পর গত ২৪ নভেম্বর চার দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় হামাস ও ইসরায়েল। এ যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর দুই দফায় বাড়ানো হয় সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। যুদ্ধবিরতি চলাকালে মিশরের রাফা ক্রসিং দিয়ে কয়েকটি ত্রাণবাহী ট্রাক ঢোকে উপত্যকায়।

যুদ্ধবিরতি সাত দিনে হামাসের হাতে বন্দি ১১০ জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ইসরায়েলে বন্দি ২৪০ জন ফিলিস্তিনিকেও মুক্তি দেওয়া হয়।

নতুন করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আগেই শুক্রবার থেকে গাজায় ফের হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী।


আরও খবর



জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত হয়েছে পুলিশ

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

সরকারের সময়োচিত উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নে পুলিশ বাহিনী আধুনিক, যুগোপযোগী, দক্ষ, গতিশীল ও জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখে পুলিশ নতুন দিনের নতুন চ্যালেঞ্জ সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। পুলিশ তাদের গৌরব সমুন্নত রাখতে সদা সচেষ্ট থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত হয়েছেন অনেক পুলিশ সদস্য। কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনে জাতির পিতা যে বাহিনীর পুনর্গঠন ও উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন তা হলো পুলিশ বাহিনী। আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে পুলিশের উন্নয়ন ঘটিয়েছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আমরা পুলিশের বাজেট বৃদ্ধি, ঝুঁকিভাতা চালু, রেশন প্রাপ্তির হার দ্বিগুণ এবং প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা করি। ১৯৯৮ সালে আমরাই প্রথম পুলিশ সুপার পদে একজন নারী কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেই। ৫ কোটি টাকা সিড মানি দিয়ে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন, পুলিশ স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠা, পুলিশের জনবল বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করি।

আমরা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), শিল্প পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, এন্টি টেরোরিজম, কাউন্টার টেরোরিজম, নৌপুলিশ, এমআরটি পুলিশ ও এসপিবিএনসহ অনেকগুলো নতুন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেছি। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পার্বত্য জেলাগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় কয়েকটি ব্যাটেলিয়ন গঠন করা হয়েছে। আমরা পুলিশ স্টাফ কলেজকে আন্তর্জাতিকমানের প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করেছি। আমরা থানা, ফাঁড়ি তদন্ত কেন্দ্র, ব্যারাক, আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, সব সময় জনগণের সেবা করাই প্রতিটি পুলিশ সদস্যের পবিত্র দায়িত্ব। আমার প্রত্যাশা, মানবীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, ত্যাগ, বীরত্ব ও দেশপ্রেমের সাথে পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। রূপকল্প-২০৪১ এর সেই স্মার্ট বাংলাদেশে পুলিশকেও হতে হবে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং স্মার্ট।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রমজানের আগেই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাড়ছে ৩৪ পয়সা। আগামী মার্চ থেকে এটা কার্যকর হবে। এ ছাড়া সমন্বয় করা হবে তেলের দামও। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বিদ্যুতে বর্তমানে সরকার বছরে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয় জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুতে ভর্তুকি থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ৩ বছর বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বিদ্যুতের এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, একইভাবে গ্যাসের দামও সমন্বয় করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে দাম বাড়ানো হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে গ্যাসের দাম কমানো হবে। এই সমন্বয়ও মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে কার্যকর করা হবে।

দাম বৃদ্ধির গেজেট আজ প্রকাশ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, গ্যাসের দামও বাড়ানো হচ্ছে, তবে সেটা বাসাবাড়ির গ্রাহক পর্যায়ে এখন দাম বাড়বে না। আগের তুলনায় মার্কিন ডলারের দামের পার্থক্য ৪০ টাকার বেশি হওয়ায় সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম সমন্বয়ে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মর্টার ও গোলার শব্দ, সীমান্তে আতঙ্ক

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কক্সবাজারের টেকনাফ হোয়ইক্ষ্যং উনছিপ্রাং সীমান্তে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরের গোলাগুলি আর মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ থেমে থেমে শোনা যাচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে বিরাজ করছে।

উনছিপ্রাং সীমান্তের স্থানীয়দের দাবি, ওপারে ঢেঁকিবুনিয়া এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঘাঁটিগুলো দখল করার পর আরাকান আর্মি ও অন্যান্য বিদ্রোহীরা টেকনাফ অংশে মিয়ানমারের শহর শীলখালী, বলিবাজার ও কুইরখালী দখল নিতে এই হামলা করছে।

উনছিপ্রাং এলাকায় বাসিন্দা দিলদার বলেন, আমার চিংড়ি ঘের সাতদিন্না থেকে মিয়ানমারের শহর কুমিরখালীর দূরত্ব ৪শ মিটার। ওই শহরে কি হয় সেটি খালি চোখে অনেকটা দেখা যায়। আজ সকাল থেকে কুমিরখালীর ঘাঁটি দখল নিতে বিদ্রোহীরা হামলা করছে। মর্টার শেলের বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ও আগুনের ফুলকিও দেখা যায়। বোমা যখন বিস্ফোরণ হয় তখন ভূমিকম্পের মতো অনুভূত হয়। এখানো চলমান আছে।

উনছিপ্রাং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি আর মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ এখনো ভেসে আসছে। সীমান্তের কাছাকাছি যারা চিংড়ি চাষিদের নিরাপদ স্থানে আসার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হোয়াইক্ষং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, সকাল থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলা গৃহযুদ্ধের গোলাগুলির বিকট শব্দ শুনা যাচ্ছে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। হয়তো উনছিপ্রাং সীমান্তের কাছাকাছি মিয়ানমারের শহর কুমিরখালী দখল নিতে এই হামলা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত গুলাগুলি হয়েছিল। দিনে কিছুটা শান্ত ছিল। আজ শনিবার সকাল থেকে নতুন করে আবারো গুলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩ শতাধিক সদস্য বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন পরীমণি

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গত বছরের শেষের দিকে ব্যবসায়ীর হিসেবে নাম লেখালেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। নিজের পরিকল্পনায় তিনি শুরু করেছেন বুটিক ও বিউটি পারলার এবং রেস্টুরেন্টের ব্যবসা। এবার সেই পথে হাটতে যাচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি।

অভিনেত্রীর পাশাপাশি এবার নতুন পরিচয়ে আসছেন তিনি। আসছে ঈদে একটি প্রসাধনীর পণ্যের ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন।

এ নিয়ে এক গণমাধ্যমকে পরীমণি বলেন, আসলে অনেক আগে থেকেই আমার ব্যবসা করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু কি কিসের বিজনেস শুরু করবো তাই ভাবছিলাম। অবশেষে অনেক ভেবে আর সবদিক বিবেচনা করে প্রসাধনীর পণ্যের ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছি।

হালের এই জনপ্রিয় নায়িকা আরও বলেন, এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ঢুকলেই অনেকেই দেখি অনেক ব্যবসা করছে। সেগুলোর মাঝে মেয়েদের প্রসাধনীর পণ্যের ব্যবসা বেশ তুঙ্গে। অনেকেই বেশ ভালো পণ্য বিক্রি করছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় একটু কম দামে অনেকেই ব্যান্ডের পণ্য অনলাইন থেকে ক্রয় করছে। সেক্ষেত্রে দেখা যায় তারা আসলে প্রতারিত হচ্ছে। কেননা ব্যান্ডের পণ্য বলে বিক্রি হচ্ছে ক্লোন পণ্য। যা আসলে আমাদের স্কিনের জন্য বেশ ক্ষতিকর। আর তাই স্কিন ভালো রাখতে অরজিনাল ব্যান্ডের পণ্য নিয়ে বাজারে আসছি।


আরও খবর

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত মাহিয়া মাহির

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

উচিংছা রাখাইন,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলার ঘাগড়ার বড়ইছড়ির বগাপাড়া এলাকায় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে মিনি ট্রাক খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত ও কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সোয়া আটটার সময় এই দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহতরা সবাই নির্মান শ্রমিক। নিহত ও আহত নির্মান শ্রমিকদের তাৎক্ষনিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব চন্দ্র কর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাঙ্গামাটি শহর থেকে একদল নির্মান শ্রমিক কাপ্তাই উপজেলায় ঢালাইর কাজে যায়। সেখান থেকে কাজ শেষ করে ঢালাইয়ের কাজের ব্যবহৃত মেশিনসহ মিনি ট্রাক (গাজীপুর ন-১১-০২১০) যোগে রাঙ্গামাটিতে ফেরার পথে ঘাগড়া এলাকার বগাপাড়ার ব্রীজে উঠার সময় মিনিট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অন্তত একশ ফুট নীচে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ২জন নিহত হয় এবং কমপক্ষে  ২০ জন আহত হয়।

দূর্ঘটনার খরব পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী, ঘাগড়া আর্মী ক্যাম্পের সেনাবাহিনী, কাউখালী থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরন করে। রাত নয়টায় এ রির্পোট লেখার সময় নিহত ও আহত নির্মান শ্রমিকদের তাৎক্ষনিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। 


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪