Logo
শিরোনাম

গণপরিবহনে নৈরাজ্য থামছেই না

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

রাজধানীর গণপরিবহনে অভিযান চালাচ্ছে বিআরটিএ'র ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিভিন্ন অনিয়ম-অভিযোগে আদায় করা হচ্ছে জরিমানা। দেওয়া হচ্ছে মামলা। বিআরটিএ'র এসব অভিযান স্বত্বেও রাজধানীর সড়কে ফেরেনি শৃঙ্খলা। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ওয়েবিল সিস্টেম, যত্রতত্র যাত্রী তোলা কোনোটিই বন্ধ হয়নি।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং রুট ভায়োলেশন, রুট পারমিট না থাকা,হাইড্রোলিক হর্ন,ফিটনেস না থাকা,ওয়েবিল ও অন্যান্য অপরাধের দায়ে ৮৪টি বাসের বিপরীতে ৮৪ মামলায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া রুট পারমিট না থাকায় একটি গাড়িকে ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় যাত্রীদের সঙ্গে। চার্ট অনুযায়ী ভাড়া নেওয়ার কথা বললে ওয়েবিলের কথা বলে বেশি টাকা আদায় করে। এরপরও যাত্রীরা পুরো বাসে গাদাগাদি করে উঠতে বাধ্য হন এবং অতিরিক্ত ভাড়া দেন। তবে বিপাকে পড়েন নারী যাত্রীরা। তাদের বাসে ওঠার সুযোগই হয়নি ভিড়ে।

বাসের এ অনিয়ম আর অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনের খরচের মাত্রা আরো কয়েকগুন বেড়ে যায়।

এদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পুনর্র্নিধারিত বাস ভাড়া কার্যকর করা গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে তিনটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। এসব সিদ্ধান্ত  ১০ অগাস্ট থেকেই কার্যকর হয়। কিন্তু এতেও শৃঙ্খলা ফেরেনি গণপরিবহনে।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি সিদ্ধান্তগুলো হলো- বিআরটিএর চার্ট অনুযায়ী ভাড়া আদায় করতে হবে। চার্টের বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। প্রতিটি গাড়িতে দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট অবশ্যই টাঙিয়ে রাখতে হবে।

কোনো পরিবহনের গাড়িতে বিআরটিএর পুনর্নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া যাতে আদায় না করা হয়, সে বিষয়ে সভায় মালিকদের সমন্বয়ে নয়টি ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়। এসব টিম বিআরটিএর ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে থেকে সব অনিয়ম তদারকিসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

ঢাকা শহর ও শহরতলী রুটে চলাচলকারী গাড়ির ওয়েবিলে কোন স্ল্যাব থাকবে না। রাস্তায় কোন চেকার থাকবে না। এক স্টপেজ থেকে আরেক স্টপেজ পর্যন্ত গাড়ির দরজা বন্ধ থাকবে, খোলা রাখা যাবে না। রুট পারমিটের স্টপেজ অনুযায়ী গাড়ি থামাতে হবে।

রাজধানীতে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে গঠিত বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০ বাস নিয়ে চালু হওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। কারণ, তিন রুটের বাসের জন্য থামার স্থানের নির্মাণকাজ করা যায়নি। তাছাড়া বর্তমানে চলা গাড়ির মালিকরা এই ইস্যুতে সাড়া দেননি। তবে এই কমিটির সভা আগামী ৬ সেপ্টেম্বর হবে। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওযা হবে কবে চালু করা যাবে এই নতুন বাস।

বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির সদস্য ও গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. এস এম সালেহ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বড় অবকাঠামো প্রকল্পের (মেট্রোরেল) কারণে আমরা কিছু জায়গায় এই তিন রুটের বাসের জন্য থামার স্থানের নির্মাণকাজ করতে পারিনি। এছাড়া আমাদের যে ২০০ বাস নামানোর কথা ছিল তার নির্মাণ ও সংস্কার শেষ করা যায়নি। তাই আমাদের তিনটি রুটে বাস নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যাবে না।

কবে চালু হতে পারে এই তিন রুট জিজ্ঞাসা করা হলে সালেহ উদ্দিন বলেন, কমিটির সভা রয়েছে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর। সেখানে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো কবে এটা চালু করা যাবে।

 


আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ভয়ংকর স্বাস্থ্য বিধ্বংসী রূপ নিচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হলেও থামছে না, বরং এর অপব্যবহার বেড়েই চলেছে।অ্যান্টিবায়োটিক, জীবনদায়ী ওষুধ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। মূলত এটি এক ধরনের অণুজীবনাশী পদার্থ; যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। কিন্তু অযৌক্তিক ব্যবহারে ওষুধটি দেশে অকার্যকর হয়ে পড়ছে । চিকিৎসক ও রোগী উভয়ের অসচেতনতা, অবহেলা ও অজ্ঞতার কারণে বাংলাদেশে ক্রমেই তা কার্যকারিতা হারাচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি এখন শিশুদের শরীরেও এটি অকার্যকর হয়ে পড়ছে। দুটি আলাদা গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৯ ভাগ শিশুর মধ্যে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। ৭০ শতাংশ নিউমোনিয়া রোগীর শরীরে কার্যকারিতা হারিয়েছে চার ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক। কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না, এমন রোগীর সংখ্যা ৭ শতাংশ।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সেবনের কারণে কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। করোনাকালে এই সমস্যা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। এর আগে গত নভেম্বরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজির যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিরাময়ে কাজে আসছে না, বরং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার এবং এর অকার্যকারিতা উভয়ই রোগীর জন্য অশুভ। বয়স্ক ও শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারানোর বিষয়টিকে অশনিসংকেত বলে মনে করেন গবেষকরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে শরীরে সেই ওষুধের প্রতি রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধ তৈরি হয়। তখন সৈই ওষুধ আর কাজ করতে চায় না। কারণ শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়া তখন ওষুধের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। অথচ ব্যাকটেরিয়াজনিত কিছু রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক অপরিহার্য। কিন্তু আগে থেকে এটি কার্যকারিতা হারালে মৃত্যু ছাড়া তখন কোনো গতি থাকবে না। উল্লেখ্য, দেশে প্রায় আড়াই লাখের মতো ওষুধের দোকান আছে। এর মধ্যে এক লাখ বা তারও বেশি অননুমোদিত। প্রতিদিন জ্বর, সর্দি, কাশি, শরীর ব্যথা, আমাশয় আক্রান্ত কয়েক লাখ মানুষ ওষুধের দোকানদার, অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তির পরামর্শে অথবা নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক কিনে সেবন করেন। বেশির ভাগই ব্যবহারে কোনো নীতিমালা মানেন না। এভাবে অনিরাপদ ব্যবহার অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে তুলছে। এতে করে ভবিষ্যতে কেউই নিরাপদ থাকবে না। অর্থাৎ রোগী, দোকানদার এবং চিকিৎসক সবাই অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারনোর ক্ষেত্রে সবিশেষ ভূমিকা রাখছে।

আমাদের এখানে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারাচ্ছে। অবশ্য অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ার বা জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই সমস্যাটি নিয়ে আলোচন হচ্ছে, গণমাধ্যমে খবর বের হচ্ছে। তবে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধে সরকার বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো কর্মসূচি চোখে পড়ে না। এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অ্যান্টিবায়োটিক ঠিকমতো কাজ না করায় রোগীকে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে, রোগীকে হাসপাতালে বেশি দিন থাকতে হচ্ছে। রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে। সংগত কারণে এন্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে। আর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। এই সচেতনতা দরকার নীতিনির্ধারকদের, স্বাস্থ্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের, হাসপাতাল ব্যবস্থাপকদের, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের, ব্যবস্থাপত্র যারা লেখেন, সেই চিকিৎসকদের, ওষুধের দোকানদারদের, সর্বোপরি সাধারণ মানুষের।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ 

নওগাঁয় রাস্তায় গাছ ফেলে বিভিন্ন পরিবহনে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৬ জন সদস্যকে গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার সহ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত দেশী অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে নওগাঁ জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ৩ নভেম্বর দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক রাশেদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩০ অক্টাবর রাত অনুমান ১.৫০ ঘটিকায় নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার মহাদেবপুর- সতীহাট গামী পাকা রাস্তার সুলতানপুর নামক স্থানে ৮/১০ জন এর ডাকাতকদল গাছ কেটে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে মাইক্রোবাস এবং পিকআপ ঠেকিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের ভয় দেখিয়ে লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও নগদ ২৮ হাজার ২শ’ টাকার মালামাল লুট করে নেয়।


এঘটনার শিকার মহাদেবপুর থানার মহাদেবপুর দুলালপাড়ার মৃত মমতাজ হোসেনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে বুধবার মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে জড়িত ডাকাতদের শনাক্তকরন, গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেন পুলিশের একটি চৌকস দল। বুধবার রাতে জেলার মান্দা, নিয়ামতপুর, পোরশা ও মহাদেবপুর উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ সদস্যরা জেলার মান্দা উপজেলার চকজামদই গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ডাকাতদলের সদস্য তারেক ওরফে হৃদয় (২৫), একই উপজেলার মোয়াই গ্রামের সাত্তারের ছেলে জুয়েল (২৬), নিয়ামতপুর উপজেলার ভবানীপুর দামনাশপাড়ার ইছাহক আলীর ছেলে নুরুজ্জামান সাগর (২৮), একই উপজেলার পরানপুর (বরাইল দেনপুকুরপাড়া) গ্রামের বিকাশ (২৬), পোরশা উপজেলার শোভাপুর গ্রামের মৃত আবেদ আলীর ছেলে হায়দার আলী (৩২) ও একই গ্রামের শুকুর মিস্ত্রির ছেলে মেহেদী (২১)কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে লুন্ঠিত ৩টি মোবাইল ফোন, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত চায়নিজ কুড়াল, হাসুয়া, হ্যান্ডকাপ, চাকু এবং লাঠি উদ্ধার করা হয়। এরা সবাই একাধিক ডাকাতি মামলার আসামীও। সকল প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, জয়ব্রত পালসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



হাজীগঞ্জে আলোচিত কাউন্সিলর মিনু"র স্বামী গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

কামরুজ্জামান টুটুল, হাজীগঞ্জ,চাঁদপুর ঃ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯নং  ওয়ার্ডের  আলোচিত সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মিনু আক্তারের স্বামী নুরে আলমকে গ্রেফতার করেছে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে তাকে গ্রেফতার করেন হাজীগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. রেজাউল করিম। 

পুলিশ জানায়, উপজেলার দ্বাদশগ্রাম ইউনিয়নের কাপাইকাপ গ্রামের বাসিন্দা, হাজীগঞ্জ বাজারের দর্জি ও পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯নং  ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মিনু আক্তারের স্বামী নুরে আলমের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির একটি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। 

ওই মামলার আসামি হিসাবে তাকে গ্রেফতার করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। ফরহাজুল ইসলাম নামের এক এনজিও'র কর্মকর্তা বাদী হয়ে নুরে আলমের বিরুদ্ধে আদালতে চেক জালিয়াতির একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- সিআর- ৪৪৬/২২। 

এ বিষয়ে নুর আলম জানান, ব্রাক বাজার নামক একটি এনজিও থেকে তিনি ঋণ গ্রহণ করেন। ওই ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। যার ফলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ জানান, গ্রেফতারি পরোয়ানামূলে নুরে আলমসহ কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বিকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। 

উল্লেখ্য সম্প্রতি সময় এই নারী কাউন্সিলর এক পুরুষ কাউন্সিলর ও পৌর মেয়রকে উদ্দেশ্য করে নিজ ফেজবুক পেজে বিভিন্ন কুৎসা রটনা রটিয়ে আলোচনায় আসেন। সেই ঘটনায় পৌর কাউন্সিলর মিনু আক্তারের নামে আদালতে মামলা ও থানায় সাধারন ডায়েরি করেন যা তদন্তাধীন রয়েছে। একই বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষ সংবাদ সন্মেলন করেছ 


আরও খবর



যুবলীগ চেয়ারম্যানের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

১১ নভেম্বরের পর স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।

যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তীতে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। পরশ বলেন, করোনার পরে এটিই হবে সবচেয়ে বড় জনসভা, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বশরীরে উপস্থিত থাকবেন। এসময় বিএনপি-জামাতকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, দেশে কোন অরাজকতা করতে চাইলে যুবলীগ তাদের শক্ত হাতে প্রতিরোধ।


আরও খবর



চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই--নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, মিলগেট থেকে শুরু করে কোথাও চালের দাম বাড়েনি। একটা মৌসুম শেষ আরেকটা মৌসুম শুরু হলে এই দুই মৌসুমের মাঝখানে চালের দাম একটু ওঠানামা হয়। ইতিমধ্যে আমন মৌসুম এর ধান কাটা-মাড়াই শুরু হচ্ছে। এছাড়াও ওএমএস চলমান রয়েছে। তাই চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। 

শনিবার দুপুরে নওগাঁ চেম্বার অফ কর্মাস ভবনে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ উদ্বোধনে শেষ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারী গুদামে যে খাদ্য মজুত থাকার কথা, তার দ্বিগুন আছে। প্রায় ১৮ লাখ টন চাল সরকারী গুদামে মজুদ আছে। পাশাপাশি সরকারী ও বেসরকারী ভাবে আমদানী করা হচ্ছে। এরসাথে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই যোগ হবে নতুন আমনের ফলন। সব মিলিয়ে দেশে খাদ্য সংকটের কোন শংকা নেই।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষকদের নায্যামূল্য দিতেই ধান কিনে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলো কি হলো না সেটা কোন বড় কথা নয়। আমরা চাই কৃষকেরা ধানের নায্যা মূল্য পাচ্ছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, চকচকে চাউল না খেয়ে সবাইকে নন-পলিশ চাল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। আগের মত মানুষ যদি নন-পালিশ চাল খাওয়া শিখে তাহলে আমাদের দেশে ১৮ থেকে ২০ লাখ চাল সেফ হবে। তখন আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।

খাদ্য নিয়ে অযথা কেউ যাতে গুজব ছড়াতে না পারে সে দিকে ব্যবসায়ীসহ সকলকে সচেতন থাকার আহবান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।

এসময় সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার ও আনোয়ার হোসেন হেলাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, এফবিসিসিআই ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিন হেলালি, পরিচালক মোসাদ্দেক হোসেন খান ও যশোধা জীবন দেবনাথ, এফবিসিসিআই এর পরিচালক ও নওগাঁ চেম্বার অফ কর্মাসের সভাপতি ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুনুসহ চেম্বারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে চেম্বারের মেম্বার-ডে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন। তারা দেশের যে কোন সংকটে সরকার কে সহযোগিতা ও মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।


আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২