Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

অস্তিত্ব সংকটে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী দখল ও দূষণে পড়েছে রীতিমতো অস্তিত্ব সংকটে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে মৃতপ্রায় এ নদী উদ্ধারে এগিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নদীর ৫০০ একর ভূমি উদ্ধারে ১৫৭ জন প্রভাবশালী দখলদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এই সংস্থা। ইতোমধ্যে কিছু দখলদারকে নোটিশও দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপসহকারী পরিচালক জানান, পর্যায়ক্রমে বাঁকখালী নদীর সব দখলদারের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বাঁকখালী দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তাদের উচ্ছেদ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নদীর তীরে চিংড়ি চাষ, তামাক বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদান থেকে বিরত থাকতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ ১০ সরকারি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

কিন্তু আদালতের নির্দেশনার ছয় বছর পরও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। দখলবাজ চক্র নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি বাঁকখালী নদীর জমি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ গ্রহণের নজিরও রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে নদী দখলদারদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে প্রভাবশালী অনেকের নাম বাদ পড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ওই তালিকার বাইরে থাকা দখলদারদের বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের উত্তর নুনিয়াছড়া থেকে মাঝেরঘাট পর্যন্ত নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ভরাট ও দখল তৎপরতা বেশি। কস্তুরাঘাটের বিআইডব্লিউআইটি টার্মিনাল সংলগ্ন নদীর ভরাট জমিতে গড়ে উঠেছে নানা স্থাপনা। তৈরি হয়েছে চিংড়িঘের, লবণ উৎপাদনের মাঠ, প্লট বিক্রির হাউজিং কোম্পানি, নৌযান মেরামতের ডকইয়ার্ড, ময়দা ও বরফ কল, শুঁটকি মহালসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

শহরের চারটি পয়েন্টে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর তলদেশ ভরাট করছে খোদ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ভরাট নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিনের কারণে কেওড়া ও বাইন গাছের প্যারাবন মরে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।

আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন কতিপয় দখলদারের একটি তালিকা তৈরি করে নোটিশ জারি করেছিল। এরপর কয়েক দফা লোকদেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়নি। উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ দখলদারও। প্রায় ৮০ কিলোমিটারের এই নদীর বাংলাবাজার থেকে নুনিয়াছড়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার অংশে দখলের ঘটনা বাড়ছে। এসব এলাকায় দখলদারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের র‌্যালী

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি :


বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের র‌্যালী ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে দলীয় কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল শহকারে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয় সামনে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএমদাদুল হক, সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশীদ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. তাজিনুর রহমান পলাশ, কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেন, শ্রমীক লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন তালুকদার, ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মহিদুজ্জামান মহিদ প্রমুখ। এর পূর্বে দিবসটি উপলক্ষে সকালে দলীয় কার্যালয় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অপর্ণ করা হয়। 


আরও খবর



জমে উঠেছে লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে চলছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে চলছে মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব। দেশের ঐহিত্যবাহী লোককারু শিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ সংরক্ষন, প্রদর্শন ও পুনরুজ্জীবিত করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্যই প্রতি বছর এ মেলার আয়োজন। দর্শনার্থীদের কাছে সব আয়োজন ঠিকঠাক থাকলেও অভিযোগ উঠেছে মূল ভিষণ থেকে সরে যাচ্ছে ফাউন্ডেশন, চারুকারু শিল্পীদের দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত স্টল, কনস্ট্রাকশন কাজ বিনষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক রূপ।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ভেতরে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন কারুশিল্প যাদুঘর এবং লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর।  গ্রাম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক এ দুটি যাদুঘরে স্থান পেয়েছে প্রাচীন লোক ও কারুশিল্প।  মাসব্যাপী এ উৎসবেকে কেন্দ্র করে পুরো ফাউন্ডেশন চত্বরকে সাজানো হয়েছে বর্নিল সাজে।  প্রতিদিনই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করছে লোক জীবন প্রদর্শনী,গ্রাম্য নালিশ,কনে দেখা, বিয়ে,জামাইকেও পিঠা আপ্যায়নের দৃশ্য, গ্রামীন খেলা হা-ডু-ডু ও কানামাছি। 

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কারুশিল্পীদের প্রদর্শনী,  পুতুল নাচ, বায়স্কোপ, নাগর দোলা, মুন্সিগঞ্জ ও মৌলভী বাজারের শীতল পাটি, মাগুরা ও ঝিনাইদহের শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাড়ি ও মুখোশ, চট্টগ্রামের তালপাতার হাতপাখা, রংপুরের শতরঞ্জি, সোনারগাঁওয়ের জামদানী নিয়ে অংশ গ্রহন করেছেন চারু কারু শিল্পিরা। 

এদিকে দর্শনার্থীদের বিনোদনকে আরো প্রানবন্ত করতে ফাউন্ডেশনের ভেতরের লেকে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় লোকজ এই উৎসবে থাকছে পালাগান, বাউল ও জারিসারি গানের।করোনা ভাইরাসের কারনে গত কয়েক বছর মেলা বন্ধ থাকায় এবার অন্তত একলাখ দর্শনার্থী লোকজ এ উৎসবে অংশ নেবেন বলে আশাবাদী আয়োজকরা।

মেলায় দর্শনার্থীরা গ্রামীন এসব ঐতিহ্যে দেখে ও ছেলে মেয়েদের পরিচয় করিয়ে দিতে পেরে অনেকটাই আবেগ আপ্লুত। 

এদিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিল্পিরা জানালেন প্রতিবছরই এ মেলায় অংশ গ্রহণ করেন তারা। তবে প্লাস্টিক ও বিদেশী পণ্যের দাপটে আজ বিপন্ন হওয়ার পথে এসব গ্রামীন ঐতিহ্য। বংশ পরম্পরায় অংশ গ্রহন কারী এসব শিল্পীরা বললেন সরকারী ভাবে পিষ্ট পোষকতা ছাড়া এ শিল্প ধরে রাখা যাবেনা। তারা বললেন যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেই অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবার। কয়েকটি স্টলেই দুজন করে শিল্পকে দেয়া হয়েছে। 

মেলা পরিদর্শনে আসা কবি শাহেদ কায়েস বলেন, ফাউন্ডেশনের মূল  উদ্দেশ্য থেকে সরে যাচ্ছে। চারু কারুশিল্পীদের প্রমোট করা,আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করা ও গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষেই জয়নুল আবেদিন প্রতিষ্ঠা করেছিল এ ফাউন্ডেশন। প্রতিবছর মেলার আয়োজন ছাড়া তেমন কোন কার্যক্রমই চোখে পড়েনা। আবার যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেও অবহেলা করা হচ্ছে। ১শটি স্টলের মধ্যে ৩২ স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে শিল্পীদের। কোন কোন স্টলে দুজন শিল্পীকে বরাদ্ধ দেয়া হচ্ছে। এখানেতো অন্তত ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি স্টল বরাদ্ধ দিয়ে দেশের সব প্রান্ত থেকে অন্তত একজন করে শিল্পীকে জড়োকরা সম্ভব। তা না করে বেশীরভাগ স্টল দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদের। যারা এখানে প্লাস্টিক ও চায়না প্রডাক্ট বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।  কোটি টাকার বাজেটে বিভিন্ন ভবন তৈরী হচ্ছে। যা এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনিষ্ট করা হচ্ছে।

এসব ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের পরিচালক এস এম রেজাউল করিম বলেন,তিনি মাত্র একমাস হয়েছে দায়িত্বে বসেছেন। অভিযোগ গুলো তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেবেন। এ বছর কর্মরত কারুশিল্পীদের প্রদর্শনীর জন্য ৩২টি স্টল সহ ১০০টি স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।


আরও খবর



লালমনিরহাটে গণতন্ত্রী পার্টির কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট :


উত্তর জনপদের সীমান্ত জেলা লালমনিরহাটে শৈত্য প্রবাহের দরুন কাবু হওয়া এই জেলার বিভিন্ন স্থানে গণতন্ত্রী পার্টির পক্ষ থেকে ধরলা নদী তীরবর্তী সহ চরাঞ্চল সহ সদর পৌরসভার শীতার্ত কিছু সংখ্যক মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে।  

এসময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সংগ্রামী জননেতা উত্তম কুমার রায় লড়াই। তিনি এসকল মানুষের বাড়ী বাড়ী গিয়ে,বুমকা,ইটাপোতা ও পৌর এলাকার থানা পাড়ায় কেন্দ্র থেকে প্রেরিত ৪০ ও এই নেতার ব্যক্তিগত  তহবিল থেকে ৬১ টি মোট ১০১ টি মানসম্মত কম্বল বিতরণ করেন।


আরও খবর



২০ হাজার মানুষের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন :

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রায় বিশ হাজার দরিদ্র অসহায় নারী পুরুষের মাঝে বিনামূলে চিকিৎসা সেবা ও ফ্রি ঔষুধ প্রদান করা হয়েছে। দুই মাস ব্যাপী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ক্যাম্পিং করে বিনা মূলে চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা করেন আমেনা নূর ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিআইপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মদ আল জামান। এছাড়াও আমেনা নূর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে স্কুল কলেজ,মসজিদ মাদ্রসা,এতিমখানা,মন্দির,রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন।এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় করোনা ও বন্যা কালীন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আমেনা নূর ফাউন্ডেশন। চাঁদপুর হাজীগঞ্জে ও নোয়াখালি বেগমগঞ্জে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাকালীন সময়েও পাশে ছিলেন আমেনা নূর ফাউন্ডেশন। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথ বিজ্ঞান,ইসলামি ইতিহাস ও বাংলা বিভাগের দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়া লেখার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর উজ জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আমেনা জামানের নামে ট্রাস্ট গঠন করেছেন আমেনা নূর ফাউন্ডেশন। 

শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু করে সারাদিন ব্যাপী সানোড়া ইউনিয়নের মহিষাশী বাজারে প্রায় এক হাজার রোগিকে বিনামূলে চিকিৎসা ও ঔষুধ দেওয়া হয়। শিশু, গাইনী,ডায়বেটিস,মেডিসিনসহ অন্যন্য রোগের ডাক্তারগণ চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

এসময় আমেনা নূর ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিআইপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মদ আল জামান বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষে আমেনা নূর ফাউন্ডেশন সমাজের দরিদ্র অসহায় মানুষদের পাশে রয়েছে। আমরা বিনামূলে চিকিৎসা ছাড়াও মানুষের বাসস্থান ব্যবস্থা করে যাচ্ছি। স্কুল কলেজ,মসজিদ মন্দির, এতিমখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আমাদের অনুদান অব্যহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন মানুষের সেবা করে যাবেন। পরিশেষে তিনি ৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক আমেনা নূর ফাউন্ডশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর উজ জামানের র্দীঘ আয়ুর জন্য সবাইকে দোয়া করার অনুরোধ করেন।


আরও খবর



নেপালে শক্তিশালী ভূমিকম্প

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো নেপাল। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৩ মিনিটে দেশটিতে আঘাত হানে এ ভূকম্পন। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯ ।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ভূমিকম্পের রেশ ছিল প্রায় ২৫ সেকেন্ড। আতঙ্কিত মানুষজন বাড়ি-ঘর ও অফিস ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। তবে এখন পর্যন্ত এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জুমলা শহর থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৫ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে। শক্তিশালী এ ভূমিকম্পের প্রভাব সুদূর দিল্লিতেও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। 


আরও খবর