Logo
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জে বিএনপির ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।  দিবসটি উপলক্ষে বুধবার বেলা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এর বাসভবনে কেক কাটা, মিষ্টি বিতরণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা। উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক বাবুল এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। 

বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শিকদার ফরিদুল ইসলাম, মহিদলা দলের সভানেত্রী হ্যাপি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা খানমসহ শ্রমিকদল, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদলের নেতাকর্মীরা এ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন। ##


আরও খবর



কাগজের দাম বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, গ্যাস ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অভাবে কাগজ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে কম-বেশি কাগজ নিয়ে সমস্যা থাকলেও এখন তা জটিল আকার ধারণ করছে। আগামী দুই মাস চরমপর্যায়ে সংকট থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কাগজশিল্প-সংশ্লিষ্টদের অনেকে বলছেন, ডলার সংকট না মিটলে এবং লেখা ও ছাপার কাগজে শুল্কহার না কমালে এ সমস্যা দীর্ঘায়িত হবে। অন্যদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ায় কাগজের দামও বাড়বে।

কাগজকল মালিক পক্ষ বলছে, দেশে কাগজ সংকটের এ সময় পাঠ্যবই ছাপার জন্য প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টন কাগজের চাহিদা রয়েছে সরকারের। এ ছাড়া বছরের শেষ দিকে এসে ডায়েরি, ক্যালেন্ডার ছাপানোর জন্যও বাড়তি কাগজের চাপও আছে। এই পরিস্থিতিতে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি চেয়েছে। তবে সরকার ডলার খরচ করে কাগজ আমদানি করতে দেবে না। দেশের কাগজ কলগুলোকে সরবরাহ নিশ্চিত করতে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

এদিকে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খুলতে না পারায় ‘অফসেট’ কাগজ বা উন্নত কাগজের জন্য ভার্জিন পাল্প আমদানি করতে পারছেন না কাগজ কল মালিকরা। তাই চাহিদামতো কাগজ সরবরাহও করতে পারছেন না তারা। ভার্জিন পাল্প ছাড়া রিসাইকেল করে যারা কাগজ (নিউজপ্রিন্ট) উৎপাদন করেন, তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে।

আম্বার পেপার মিল, লিপি পেপার মিল, টিকে পেপার মিল, মেঘনা পেপার মিল ও রশিদ পেপার মিল মালিকরা ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, টাকার মূল্যস্ফীতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তাদের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে বলে সরকারকে জানিয়েছেন। বিশেষ করে গ্যাস সংকটের কারণে মিলের উৎপাদন ক্ষমতা এক-তৃতীয়াংশে নেমে গেছে বলে তারা উল্লেখ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে কাগজের চাহিদা প্রায় ১০ লাখ টন। ২০১৪ সালের পর থেকে লেখা ও ছাপার কাগজের (আর্ট পেপার ছাড়া) চাহিদা মেটানো হতো দেশি কাগজ কল থেকে। তবে যদি উৎপাদন বাড়ানো না যায় তাহলে দেশব্যাপী কাগজ সংকট চরমে পৌঁছাবে বলে মনে করছেন কাগজ কলের মালিকরা। অন্যদিকে এলসি না পাওয়ায় আর্ট পেপারও আমদানি করা যাচ্ছে না। ফলে সব ধরনের কাগজ সংকট চলছে এখন।

এদিকে সরকারের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টন কাগজ লাগবে ডিসেম্বরের মধ্যে। ফলে আগামী দুই মাস কাগজ সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিসেম্বরের পরও সংকট থাকতে পারে। ডলার সংকট না মেটা পর্যন্ত এ সংকট অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



গজারিয়ায় অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

গজারিয়া প্রতিনিধি : মুন্সগঞ্জের গজারিয়ায় ছয় কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। লাইনটির মাধ্যমে প্রায় দশ হাজার অবৈধ সংযোগ চলতো বলে তিতাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

গজারিয়া উপজেলার লস্করদী-ভবানীপুর এলাকা থেকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি.এম. রাশেদুল ইসলাম।

তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সুরুজ আলম বলেন, গজারিয়া উপজেলার লস্করদী-ভবানীপুর এলাকার হোসেন্দী, হোসেন্দী বাজার এলাকা, ভবানীপুর, লস্করদী, নাজির চর গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস বিতরণ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়। লাইনটির মাধ্যমে অন্তত ১০ হাজার সংযোগ চালু ছিল। গজারিয়া উপজেলায় আরো কিছু অবৈধ গ্যাস লাইন চালু আছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে অভিযান পরিচালনা করে সবগুলো লাইন বিচ্ছিন্ন করা হবে।

উল্ল্যেখ গজারিয়ার প্রায় প্রতিটি গ্রামে অবৈধ গ্যাস লাইনের ছড়াছড়ি ,তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এর আগেও বেশ কয়েকবার

সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে মধ্য বাউশিয়া, লক্ষিপুর সহ বিভিন্ন গ্রামের মহিলা পুরুষ রাস্তায় নেমে অরাজগতা সৃষ্টি করে ।

আর এর সাথে সরকারি দলের নেতারা জড়িত ।


আরও খবর



মহাদেবপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁ, মহাদেবপুর ও বদলগাছী আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর ককটেল নিক্ষেপের প্রতিবাদে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর বিকালে মহাদেবপুর উপজেলা সদর বাসস্ট্যান্ড মাছের মোড় বটতলায় আয়োজিত সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান আহসান হাবীব ভোদন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম নুরানী আলাল এতে সভাপতিত্ব করেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রাজু আহমেদের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ মজিবর রহমান ও আলফা আনোয়ার হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক কুদরত ই খুদা সোহাগ, উপ-প্রচার সম্পাদক মাস্টার ফণি ভূষণ মহন্ত, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মহাদেবপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক গোলাম রেজাউন্নবী আনসারী বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী অনুকূল চন্দ্র সাহা বুদু, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শ্রী অমিৎ কুমার ব্যানার্জী বাপ্পী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাওসার আলী, সহ-সভাপতি তাপস সরদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তনু কুমার দেব প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিএনপি জামাত দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করার জন্য এবং মহাদেবপুরে এমপির ছেলে সাকলাইন মাহমুদ রকি ও ভাগ্নে সাঈদ হাসান তরফদার শাকিলকে হত্যার উদ্দেশ্যে ককটেল হামলা চালায়। তারা এর তীব্র নিন্দা জানান ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবী জানান।

সন্ধ্যায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন।


আরও খবর



নওগাঁয় আওয়ামীলীগের কার্যালয় ভাঙচুর

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image
বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৯ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার ২০ নভেম্বর দিনগত রাতে নজিপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রাণেশ্বর হালদার বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধি-১৮৬০-এর ১৪৩, ৪৪৮, ৪২৭, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় পত্নীতলা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

পত্নীতলা থানার ওসি সেলিম রেজা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এই মামলায় এখন পর্যন্ত "সংবাদ সংগ্রহকালে" কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

উল্লেখ্য- শনিবার দিবাগত রাতে নজিপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মামুদপুর মোড়ে অবস্থিত পৌর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবু তাহের, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বায়েজিদ হোসেন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল কাদের, পত্নীতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপি'র ২০ থেকে ২৫ জন নেতা-কর্মী এ হামলায় অংশ নেন। এ সময় তারা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে কার্যালয়ের ভেতর ঢুকে চেয়ার, টেবিল ও টিভি ভাঙচুর করেন। এছাড়া আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য অফিসের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবীর চৌধুরী জানান, বিএনপি-জামায়াত ত্রাস সৃষ্টি করার জন্য আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিজেরাই দলীয় অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। যাতে করে আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যেন অংশ নিতে না পারেন, সে জন্য আওয়ামী লীগ এই মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে। সমাবেশে যেতে বাধাগ্রস্ত করতে আরো নতুন নতুন চক্রান্ত করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি।


আরও খবর



সংকট কাটাতে মজুদ হচ্ছে চাল-গম

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

ভারত, মিয়ানমার ও ভিয়েতনাম থেকে চাল এবং রাশিয়ার গম আমদানি করে আপৎকালীন মজুদ গড়ে তুলছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক চাল এবং গমবাহী জাহাজ ভিড়ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে গমবাহী ৬টি ও চালবাহী ৪টি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস চলছে। চট্টগ্রাম বন্দরের জিসিবির ৫ এবং ৯ নম্বর জেটিতে অবস্থানরত দুটি জাহাজ থেকে আটটি ক্রেনের সাহায্যে চালের বস্তা ট্রাকে নামানো হচ্ছে। চালের বস্তা ভর্তি হতেই একের পর এক ট্রাক গুদামের দিকে ছুটছে। এর মধ্যে নগরীর হালিশহরে সরকারি কেন্দ্রীয় গুদামের পাশাপাশি চাল পাশের জেলাগুলোর গুদামেও চলে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান দুটি জেটির পাশাপাশি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের জেটিতে চাল এবং সাইলো জেটিতে খালাস হচ্ছে রাশিয়া থেকে আনা গম। এছাড়া বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত আরো ৫টি মাদার ভেসেল থেকে গম এবং অপর একটি মাদার ভেসেল থেকে চাল খালাস চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই খালাস শেষ হয়ে সরকারি গুদামে যাবে অন্তত ২ লাখ টন গম ও ৯০ হাজার টনের বেশি চাল।

মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতে সেই সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থায় আপৎকালীন সংকট মোকাবিলায় সরকার ভারত ও মিয়ানমারের পাশাপাশি ভিয়েতনাম থেকেও চাল আমদানি করছে। তবে বর্তমান বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য বেসরকারি খাতকেও চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে মোকাম মালিক, বেসরকারি আমদানিকারক এবং শিল্প গ্রুপগুলোর সিন্ডিকেট কারসাজির মুখে অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের চালের বাজার। এ অবস্থায় সংকট কাটাতে সরকারিভাবে আমদানি করা চালের একটি অংশ টিসিবি কিংবা ওএমএসের মাধ্যমে বিক্রির পরামর্শ দিয়েছে ক্যাব।

চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সাড়ে পাঁচ লাখ টন গম এবং ৭১ হাজার টন সরকারের আমদানি করা চাল খালাস করা হয়েছে।


আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২