Logo
শিরোনাম

অস্থির ডলারের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশে দুই সপ্তাহ ধরে আবারো অস্থিরতা ডলারের বাজারে। প্রণোদনাসহ সর্বোচ্চ ১১৬ টাকা দরে প্রবাসী আয় কেনার নির্দেশনা থাকলেও অনেক ব্যাংক এমনকি ১২৪ টাকা দরেও ডলার কিনেছে বলে অভিযোগ ওঠে।

যদিও আমদানিতে এসব ডলার বিক্রির কথা ১১১ টাকা দরে। এছাড়া খোলাবাজারেও ডলারের দাম ১২৭ টাকা পর্যন্ত উঠতে দেখা গেছে। কেন এমন পরিস্থিতি?

ঢাকার একজন খাদ্য আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন। আমদানির জন্য বিভিন্ন সময় ব্যাংকে এলসি খুলতে হয় তাকে।

তিনি জানাচ্ছেন, সম্প্রতি একটি ব্যাংকে এলসি খুলতে গেলে তার কাছে সরকারি রেট ১১১ টাকার বদলে ডলারের দাম ধরা হয় ১২৫ টাকা।

আনোয়ার হোসেন বলছিলেন, এই বাড়তি দামের কোনো কারণ জানাতে পারেনি ব্যাংক।

আমি আপনাকে ব্যাংকের নাম বলতে পারব না। কারণ তাহলে যেটুকু এলসি পাচ্ছি, সেটাও আমি পাবো না। কিন্তু তারা ১২৫ টাকা করে আমার কাছে জমা রেখেছে।

আমি বললাম, এক সপ্তাহ আগেই আপনারা আমার কাছ থেকে ডলার প্রতি ১১৫ টাকা করে জমা রেখেছেন। এখন কেন ১২৫ টাকা রাখবেন? সরকার তো ডলারের মূল্য বৃদ্ধি করে নাই। তখন ওরা বললো যে আপনাকে ১২৫ টাকা করেই দিতে হবে। না হলে এলসি করা যাবে না।

এই আমদানিকারক ব্যাংকে ডলারের বাড়তি দাম নিয়ে যে অবস্থায় পড়েছেন, সেটাই যেন এখন ডলার মার্কেটের বাস্তবতা। কিন্তু ডলারের খোলা বাজারের অবস্থা কী?

খোলাবাজারে যা দেখা গেল


খোলা বাজারের পরিস্থিতি বুঝতে গত সোমবার ঢাকায় কালোবাজারে ডলার বিক্রির একটা পরিচিত স্পটে যান বিবিসির এই সংবাদদাতা। পরিচয় গোপন করে ডলার কেনার চেষ্টা করা হয়।

সংবাদদাতা প্রথমেই যে মানি এক্সচেঞ্জে যান, সেখান থেকে জানানো হলো ডলার নেই। কোন এনডোর্স করা যাবে না।

কিন্তু যখন শুধু ডলার কিনতে চান তিনি, তখন পাশেই থাকা একজন বললেন, ডলার প্রতি ১২৭ টাকা করে দিতে হবে। এর কমে বিক্রি করতে রাজি হননি তিনি।

শেষ পর্যন্ত ১২৭ টাকা দরেই ডলার কিনতে হলো। এরপর রাজধানীর মতিঝিল, গুলশান, পল্টনসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঁচটি মানি এক্সচেঞ্জে গিয়ে দেখা গেল, ডলারের রেট অনেকটা একইরকম - ১২৫ থেকে ১২৭ টাকা চাওয়া হচ্ছে, অর্থাৎ কেউই নির্ধারিত দামে ডলার বিক্রি করছেন না।

এর কারণ জানতে চাইলে সামাদ (ছদ্মনাম) নামে একজন বললেন, বাজারে ডলার নেই। ব্যাংকগুলোই বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। সুতরাং খোলাবাজারে তারা বেশি দামে ডলার না কিনলে ডলার পাবেন না। ফলে বেশি দামে কিনে আরো বেশি দামে বিক্রি করছেন তারা।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, মানি এক্সচেঞ্জগুলো ডলার বিক্রি করতে পারবে সর্বোচ্চ ১১৭ টাকা দরে। সেক্ষেত্রে এর চেয়ে কম দামে তাদের ডলার কিনতে হবে। কিন্তু মানি চেঞ্জারগুলো এ দর মানছে না - এমন অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ ব্যাংক নজরদারি বৃদ্ধি করে।

কিন্তু যেসব মানি এক্সচেঞ্জ নির্ধারিত দামে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করছেন, তারা বলছেন, তাদের কাছে কেউ সেভাবে ডলার বিক্রি করতেই আসছেন না।

ঢাকার পল্টনে মেক্সিমকো মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: মোশাররফ হোসেন বলছেন, যারা বিদেশ থেকে আসার সময় ডলার নিয়ে আসেন, তাদের কাছ থেকেই তারা ডলার কিনে থাকেন। এটাই তাদের মূল উৎস। কিন্তু যেহেতু কালোবাজারে ডলারের দাম বেশি, সেহেতু বেশিরভাগ প্রবাসী সেখানেই ডলার বিক্রি করে দিচ্ছেন।

গভর্নমেন্ট রেট তো কম, সুতরাং প্রবাসীরা কেন আমাদের কাছে ডলার বেচবে? তাছাড়া এখন সরকারি নজরদারি অনেক কড়া।

কেউ যদি ডলারের বৈধ কাগজ দেখাতে না পারে, আমরা সেটা কিনতে পারব না। কিনলে প্রশাসন ধরবে। ফলে এই ডলারগুলোও আমরা পাচ্ছি না। এগুলোও ব্ল্যাক মার্কেটে চলে যাচ্ছে, বলেন মোশাররফ হোসেন।

তার মতে, এসব কারণেই যারা শিক্ষা, চিকিৎসা বা ভ্রমণের জন্য যারা বিদেশ যাবেন তারা চাহিদা মতো ডলার পাচ্ছেন না। কারণ মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে ডলারের ঘাটতি আছে।

বাধ্য হয়ে এসব লোক যখন ব্ল্যাক মার্কেটে যাচ্ছে, তখন চাহিদা বেড়ে ডলারের দামও সেখানে বাড়ছে, জানান তিনি।

পরিস্থিতি কেন এমন হলো?


বাংলাদেশে ডলারের দাম বাড়তে থাকে ২০২১ সালের ২২ অগাস্ট থেকে। তখন ডলারের দাম ৮৪ টাকা থেকে ৮৫ তে উঠে আসে। দুই বছরের ব্যবধানে সেটা হয়ে যায় ১০৯ টাকায়। বর্তমানে যেটা ১১১ টাকা।

তবে বাস্তবতা হচ্ছে, এই দাম খোলাবাজারে কার্যকর হয়নি। দুই বছর আগে একবার দাম বৃদ্ধি শুরুর পর বর্তমানে সেটা ১২৫ থেকে ১২৭ টাকায় ওঠা-নামা করছে।

এসময় ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার দাবি উঠলে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এর দায়িত্ব দেয় বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স এবিবিকে।

কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাফেদা-এবিবির নির্ধারণ করা রেটও খোলাবাজারে কার্যকর থাকেনি।

বেশ কিছু ব্যাংক নির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিদেশী রেমিটেন্স হাউস থেকে ডলার কিনে সেটা আরো বেশি দামে গ্রাহকদের কাছে দিয়েছে।

জানতে চাইলে এবিবির সাবেক সভাপতি ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বিবিসিকে বলেন, এরকম ঘটনা তারাও শুনেছেন এবং এটাই বাস্তবতা যে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ক্রয়-বিক্রয় করছে।

কিন্তু কেন এ এরকম হচ্ছে? মাহবুবুর রহমান জানান, ব্যবসায়ীদের কাছে ডলারের রেট গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং এলসি খুলে ব্যবসা করার ওপর ব্যবসায়ীরা জোর দিচ্ছেন। সেজন্য ব্যবসায়ীদের চাহিদা মেটাতেই ব্যাংকগুলোকে বেশি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে ,যেহেতু ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ডলার নেই।

আমার কাছে গ্রাহক খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমি যদি ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী এলসি দিতে না পারি, তাহলে সে ক্লায়েন্ট অন্য ব্যাংকে চলে যাবে। এখন কোনো ব্যাংক তো এভাবে নিজেকে ক্ষতির মুখে ফেলবে না। সে বেশি দাম দিয়ে হলেও ডলার কিনে ব্যবসা এবং ক্লায়েন্ট ধরে রাখবে, বলেন তিনি।

বাফেদা-এবিবি বলছে, ১১১ টাকায় এলসি সেটেলমেন্ট করতে। এ দামে ডলার বিক্রি করতে হলে এর চেয়ে কম দামে ডলার ক্রয় করতে হবে। কিন্তু সে দাম দিয়ে ডলার ক্রয় করা যাচ্ছে না বলে ব্যাংকাররা জানান। তারা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকও তার রিজার্ভ থেকে এতো ডলার বিক্রি করে চাহিদা মেটাতে পারবে না।

মাহবুবুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, যেসব ব্যাংক ১১৮ টাকা বা তার চেয়ে বেশি দামে বিদেশী রেমিটেন্স হাউস থেকে ডলার কিনে ব্যবসায়ীদের এলসি দিচ্ছে, সে কিভাবে ১১১ টাকা দরে এটা দেবে?

দিনশেষে ব্যাংক তো একটা কমার্শিয়াল অরগানাইজেশন। এখানে তো কেউ চ্যারিটি করতে বসেনি, বলছিলেন মোশাররফ হোসেন।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ডলারের বাজারে আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে হুন্ডি। যারা বিদেশে ডলার নিয়ে যাচ্ছেন, তারা বেশি দাম দিয়ে হলেও ডলার কিনতে চান। এটা বাজারে চাহিদা তৈরি করছে। ফলে বিদেশী রেমিটিং হাউসগুলো তাদের কাছে বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে।

কিন্তু বাজারে এমন অবস্থা কেন হলো? এজন্য ঘুরে-ফিরে একই প্রসঙ্গ বার বার সামনে আসছে। সেটি হচ্ছে- বাংলাদেশের নিম্নমুখী রফতানি আয় এবং প্রবাসী আয়ের কারণে ডলার সঙ্কটের কথা।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন দায়ী করছেন, সঙ্কটের মধ্যেও ডলারকে বাজারমুখী না করে একে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকে।

এখানে ডলারের দাম নির্ধারণের যে মডেল, সেটা দিয়ে ডলার বাজার স্বাভাবিক রাখা যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক একেক সময় একেক পলিসি নিচ্ছে। ফলে যারা কারসাজি করে, তারাও এটার সুযোগ নিচ্ছে। বাজারদর অনুযায়ী দাম নির্ধারণ না হলে এটার সঙ্কট মিটবে না,  বলেন মোশাররফ হোসেন।

বাংলাদেশে নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের মূদ্রানীতি কিংবা ডলার বাজার নিয়ে নীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তনের সম্ভাবনাও দেখছেন না অনেকেই।

ফলে ডলারের যে উর্ধ্বমুখী দাম, সেটা নির্বাচনে আগে কতটা স্থিতিশীল হবে তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে যেখানে আমাদের যোগানের অভাব আছে সেখানে আগামীতে ডলারের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নাই। কারণ এটাতো বাজারের ওপর নির্ভর করছে না। এটাকে সেভাবে রাখা হয়নি, বলেন মোশাররফ হোসেন।

কিন্তু এসব বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কী ভাবছে? জানতে চাইলে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

যদিও ব্যাংকসূত্র জানিয়েছে, ডলারের বাজারে কারসাজি রোধ করতে ইতোমধ্যেই কিছু পদক্ষেপ তারা নিয়েছেন, যার প্রভাবে হয়তো 'শিগগিরই বাজারে দাম কমে' আসবে।

কিন্তু বাংলাদেশে যখন গত দুই বছর ধরেই ডলারের প্রধান দুই উৎস রেমিটেন্স ও রফতানি আয় নিম্নমুখী, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক কতটা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে সেটা এক বড় প্রশ্ন।

সূত্র : বিবিসি

 


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  রিপোর্ট:


ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, অভিবাসনের সঙ্গে সঙ্গে দিন দিন ঢাকায় ভূমিকম্পসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।



শনিবার (১ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সেমিনার অন আর্থকোয়েক রেজিলিয়েন্স’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি।



মন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং ভূমিকম্প সহনশীল নগরায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার এবং জনগণ সবাইকে একসঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে। সরকারের একার পক্ষে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।


 ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে সমাজের প্রত্যেক স্তরের অংশীজনকে সম্পৃক্ত হতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।


দ্রুত নগরায়ন, নির্মাণ নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং নৈতিকতার অভাবের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের সব জেলা শহর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবে শহরের উন্মুক্ত স্থানসমূহ বেদখল হয়ে যাচ্ছে।


 ঢাকার দ্রুত বৃদ্ধি এবং অভিবাসনের ফলে ভূমিকম্প এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপদের ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে বলে জানান তিনি।


মন্ত্রী আরও বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাসের জন্য বিল্ডিং কোডের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন, তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে অবকাঠামোগত নকশা পরীক্ষা ও পরিদর্শন এবং গুণগত ও নিরাপদ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে।


 এ জন্য সরকার, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাই মিলে একটি উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।


অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি তার বক্তব্যে সেমিনার থেকে প্রাপ্ত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনাসমূহ ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সব জেলা ও উপজেলা শহরে প্রয়োগের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।


রাজউক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নবিরুল ইসলাম।


এ ছাড়া গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. শামীম আখতার, স্থাপত্য অধিদফতরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুরুর রহমান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ পুলিশ, বিশ্বব্যাংক, ইউএসএআইডি, জাইকা, এডিবি, আইইবি, বিআইপি,  আইডিইবির প্রতিনিধিসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




রাজধানীতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র ৩ দিন বাকি। রাজধানীর পশুর হাটগুলো ধীরে ধীরে জমে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোরবানির পশু আসতে শুরু করেছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত চলবে পশু বিক্রি।

গত বছর মাঝারি সাইজের গরুর বেচাকেনা বেশি ছিল। তবে এবার ক্রেতা মানেই নজর ছোট গরুতে। তবে খাসি ছোট-বড় সব সাইজেই বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, শুক্রবার থেকে কেনাবেচা ব্যাপক জমবে বলে বিক্রেতারা জানান। তারা বলছেন, এবার প্রতিটি খামারেই অনেক গরু রয়েছে। তাদের ধারণা চাহিদার চেয়ে এবার গরু বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন)  ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ও  ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার হাটগুলোতে দেখা যায়, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকে করে গরু-ছাগল আসছে। 

তবে বেচাকেনা তেমন শুরু না হলেও ক্রেতাদের আনাগোনা রয়েছে। ক্রেতাদের অনেককে দর কষাকষি করতেও দেখা গেছে।

‘বিক্রেতারা আকাশচুম্বী দাম হাঁকাচ্ছেন। যার যেমন ইচ্ছে দাম চাচ্ছেন। ৮০ হাজার টাকার কমে কোনো গরু মিলছে না।’ ক্রেতারা এমন অভিযোগ করেছেন।

গাবতলী হাটে এসে এক ক্রেতা বলেন, ব্যাপারীরা গরুর দাম বেশি চাচ্ছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটে আছি। বাধ্য হয়ে দেড় লাখ টাকার গরু এক লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হলো।

ব্যাপারীরা বলছেন, গরুর খাবারের দাম সম্প্রতি বেশ বেড়েছে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে একটা গরু  ঢাকায় আনতে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচও হয়। তাই গরুর দাম একটু বেশি। গরুর দামের বিষয়ে ক্রেতাদের কোনো ধারণা নেই।

তারা বলেন, শুরু থেকেই ক্রেতার আগ্রহ দেখছি ছোট গরুতে। আজ অনেকে দেখে দাম-দর করে যাচ্ছেন। কাল তারাই কিনে নিয়ে যাবেন। কয়েকজন তো আগাম অর্ডার দিয়ে গেলেন।

গাবতলী হাটের ছাগলের শেডে গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার ছাগলে ভরে গেছে হাট। দাম-দরে হরহামেশা বিক্রি হচ্ছে খাসি। বিশ্বাস স্থাপনের জন্য খাসির দাঁত বের করেও দেখাচ্ছে বিক্রেতারা। এবার ৬ হাজার টাকায়ও খাসি মিলছে।

এদিকে, এ বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বিশাল চাহিদা মেটাতে দেশে পর্যাপ্ত সংখ্যক গবাদিপশু রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যানুযায়ী, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে এক কোটি ১০ লাখ কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে। 

এই চাহিদার তুলনায় দেশে এখন বাড়তি প্রায় আট লাখ পশু অর্থাৎ দেশে এখন প্রায় এক কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩টি পশু প্রস্তুত আছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




‘বেনজীরের ব্যক্তিগত অপরাধের দায় নেবে না পুলিশ বাহিনী' : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সাবেক আইজিপি বেন‌জীর দেশে নাকি বিদেশে সে বিষ‌য়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। 


তবে অপরাধ করলে বিচার হবে। অভিযোগের তদন্ত চল‌ছে। তার ব্যক্তিগত অপরাধের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না।



শনিবার (১ জুন) দুপুর দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) ছাত্রলীগ কর্তৃক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত 'আমাদের বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।


এমপি আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মূল হত্যাকাণ্ড যেহেতু ভারতে হয়েছে সেহেতু মূল মামলাও ভারতে হয়েছে৷ ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দী বিনিময় চুক্তি আছে।


 তাই ভারতই এ হত্যাকাণ্ডের মূল তদন্ত করবে। আমাদের দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হলে আমাদের পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করতো। তারা যদি আমাদের সম্পৃক্ত করে তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা করবো।


হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজন নেপালে পালিয়ে গেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে আর আমরা বসে থাকবো এমন হতে পারে না। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং সহযোগিতাকারী সবাইকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। 


নেপালে একজন পালিয়ে গেছে। তবে সে কোথায় আছে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত হচ্ছে, তাকে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




উপজেলা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

 নিজস্ব প্রতিবেদক:

উপজেলা পরিষদে গত ১০ বছরের হিসাবে অনির্বাচিতদের তুলনায় নির্বাচিতদের আয় বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। 


আর সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩৭ গুণ। তৃতীয় ধাপে ১১১ উপজেলার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিদের ১৮ জন স্বজন। আর এ ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন। ১০ বছরে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।


সোমবার (২৭ মে) ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ ধাপের ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।



টিআইবি জানায়, প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রার্থী ঋণ বা দায় রয়েছে। এই ধাপে ভোটে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৪১৯ প্রার্থীর মধ্যে ২২৭ জনই বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত। সেই সঙ্গে অতীতে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ৩০৭ জন। 


তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৪৮১ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে নারী মাত্র ২০ জন। ভাইস চেয়ারম্যান ৫৬১ এবং ৩৭৭ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৬৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ; ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রার্থী পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী দেখিয়েছেন।


টিআইবি আরও জানায়, প্রথম ধাপে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের ১৩ জন, দ্বিতীয় ধাপে ১৭ জন এবং তৃতীয় ধাপেও ১৭ জন স্বজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এই ধাপে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনের মধ্যে একজন ভাইস চেয়ারম্যানও রয়েছেন।



প্রতিবেদনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপে জমির মালিকানার দিক দিয়ে আইনি সীমা অতিক্রম করেছেন ছয়জন প্রার্থী। আইন অনুযায়ী, একজন নাগরিক সর্বোচ্চ ১০০ বিঘা বা ৩৩ একর জমির মালিক হতে পারেন। এই তালিকার শীর্ষে আছেন দোয়ারাবাজার উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী দেওয়ান আশিদ রাজা চৌধুরী। 


তার মোট জমির পরিমাণ ২৮০ একর। সীমার বাইরে জমির মালিক বাকিরা হলেন সাদুল্লাপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রেজাউল করিম, রাণীনগরের মো. রাহিদ সরদার, সোনাগাজীর জহির উদ্দিন মাহমুদ, পটিয়ার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজেদা বেগম ও ইটনার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সিব্বির মাহমুদ।


প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় অন্তত ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৭৪। একই সময়ে ১০০ শতাংশের বেশি স্ত্রী বা স্বামী ও নির্ভরশীলদের অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ২২ জনের। ২০১৪ সাল থেকে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে ৪৫ জনের। একই সময়ে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৫৩ জনের।


টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৫ বছরে অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধিতে উপজেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা পেছনে ফেলেছেন সংসদ সদস্যদের। একজন সংসদ সদস্যের অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৫ শতাংশ। যেখানে একজন চেয়ারম্যানের বেড়েছে ৯ হাজার ৮৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ।


জাতীয় পর্যায়ে যে এক দলের আধিপত্য স্থানীয় নির্বাচনেও তা বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বড় দুটি দলের দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে অনেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। এটি ইঙ্গিত দেয়, দলীয় আদর্শ বা নৈতিক আদর্শের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। 


যেহেতু ক্ষমতায় থাকতে পারলে নির্বাচিত হতে পারলে সম্পদ এবং আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। অর্থাৎ, রাজনীতি, জনপ্রতিনিধিত্ব এর মধ্যে জনস্বার্থের উপস্থিতি এই ক্ষেত্রে নেই। যেটি আছে সেটি হচ্ছে নিজস্ব ব্যক্তিগত স্বার্থ।


তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে এটি দেখানো একটি বিষয়। এটি একধরনের পাতানো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের খেলা।


অস্বাভাবিক আয়ের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তিনি।


আরেকটি কথা হচ্ছে কর বাড়ার বিবেচনায় এটি করা হয়। ১৮-১৯ বছর যাবৎ এই কাজটি করা হচ্ছে। রাজস্ব বোর্ডের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য হারে এ জন্য কোনো বছরই কর আদায় হয়নি অবৈধতাকে বৈধতা দেওয়ার মাধ্যমে যোগ করেন তিনি।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




আত্রাইয়ে সোয়া লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ রিং জাল জব্দ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ)  :

নওগাঁর আত্রাইয়ে অভিযান চালিয়ে এবার একলক্ষ ২৫হাজার টাকা মূল্যেও ৮০০মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ করেছে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ। পরে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে ভস্মিভূত করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টা নাগাদ আত্রাই নদীর রেল ব্রীজ এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার আত্রাই গুড়নদীর উদয়পুর স্লুইচ গেট সংলগ্ন স্থান থেকে লক্ষাধীক টাকা মূল্যের ৭০০মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ করে আগুনে ভস্মিভূত করা হয়।

আত্রাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান,উপজেলার আত্রাই নদীর রেল ব্রীজ এলাকায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিং জাল দিয়ে মাছ ধরা হচ্ছে,এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে বুধবার দুপুর ২টা নাগাদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ওই নদী থেকে একলক্ষ ২৫হাজার টাকা মূল্যের ৮০০মিটার রিং জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে ভস্মিভূত করা হয়। এসময় তিনিসহ আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম এস.আই রাকিব হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান,দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর