Logo
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন আজ। ৭৬ বছরে পা রাখলেন তিনি ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনার জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তাঁর শৈশব-কৈশোর কেটেছে টুঙ্গিপাড়ার গ্রামীণ পরিবেশে। শেখ হাসিনা তাঁর জীবনের ৪১ বছরই আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিকূল সময়ে দলের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠিত করেছেন, নিয়ে গেছেন রাষ্ট্রক্ষমতায়। বর্তমানে তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ দলীয় সভাপতির জন্মদিন উদযাপন করছে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো।


আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




কু‌মিল্লায় বি‌জি‌বি উ‌দ্যো‌গে দুস্থ‌দের মা‌ঝে কস্বল বিতরণ।

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ,কু‌মিল্লা ঃ

কু‌মিল্লায় শীতার্ত দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।  শনিবার বেলা ১১টার দিকে সদ‌রের কা‌লির বাজার না‌র্গিস আফজল বহুমুখী কা‌রিগ‌রি ক‌লেজে ১০‌বি‌জি‌বি উদ্যোগে  শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।                                                    কু‌মিল্লা ব‌্যাটা‌লিয়ন ১০ বি‌জি‌বি সেক্টর এর ব্যবস্থাপনায় কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এফআইজি কমান্ডারের পত্নী শামীমা সুলতানা, উপ-শাখা সীপকস্‌ (সেক্টর), কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কোষাধক্ষ্য ও সমন্বয়কারী অফিসার তানিয়া ইসলাম ।

উল্লেখ্য, আগামীকালও কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০বিজিবি) সীমান্তবর্তী বিবিরবাজার বিওপি ও  আগামী ২৯ নভেম্বর সুলতান ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) বড়জ্বালা বিওপির সীমান্তবর্তী দুঃস্থ্য মানুষের মাঝে উপ-শাখা সীপকস (সেক্টর), কুমিল্লার পক্ষ হতে কম্বল বিতরণ করা হবে।


আরও খবর



পাচঁদোনা সড়কে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে প্রান ঝরলো ২ জনের আহত ৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

নরসিংদী প্রতিনিধি :-

এবার নরসিংদী-টংগী মহাসড়কের পাচঁদোনা চাকশাল নামক স্হানে বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রান ঝরলো আমির হামজা (৩৬) ও মজিবর (৩৪) নামে দুই ব্যক্তির।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পাঁচদোনা-টংগী মহাসড়কের চাকশাল (ভাটপাড়া) নামক স্থানে ঢাকাগামী এনা পরিবহন ও বিপরীতদিক দিয়ে আসা নরসিংদীর পাচঁদোনাগামী সিএনজির সাথে মুখোমুখি  সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা ১ জন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় সিএনজির চালক মজিবরকে নরসিংদী সদর হাসপালে নেওয়ার পথে মারা যান। তিনি আরও জানান সিএনজিতে থাকা চালকসহ ৬ জন যাত্রীই গুরুত্বর আহত হন এবং তাদের মধ্যে সিএনজির চালক ও একযাত্রী নিহত হয়। সিএনজিতে থাকা বাকী চার যাত্রীকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

নিহতরা হলেন আমানত শাহ স্পিনিং মিলসের কর্মচারী টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার সিংহ রানী গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে আমির হামজা (৩৬) ও নরসিংদীর মাধবদী থানাধীন আসমান্দীরচরের জারতলা গ্রামের মৃত আকবর মিয়ার ছেলে মোঃ মজিবর (৩৪)।


আরও খবর



জনবল সংকটে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


প্রায় ২৮ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসাস্থল নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা আধুনিক হাসপাতাল। এ হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ জন ও ইনডোরে আরও ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। নওগাঁর ১১ উপজেলা ছাড়াও পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকেও লোকজন আসেন এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে। কিন্তু আশানুরুপ সেবা না পাওয়ায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

এ জেলার মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় হাসপাতাল টি। তবে আগের ১০০ শয্যা হাসাপাতালের যে জনবল সেটা দিয়েই ২৫০ শয্যার কার্যক্রম চলছে এখনো। এতে করে রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা। আর উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার হাসপাতালে উপ-পরিচালক, শিশু, মেডিসিন, সার্জারি, ফরেনসিক, চক্ষু, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজি ইমেজিং, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌন, গাইনি এ্যান্ড অবস, নাক-কান-গলা, প্যাথলজি, নিউরোসার্জারি, নেফ্রোলজি, ও মেডিকেল অফিসারসহ মোট ৪৫ চিকিৎসকের মধ্যে আছেন মাত্র ৩২ জন। ৮৬ জনের মধ্যে নার্স রয়েছেন ৭৮ জন। বর্তমানে ১৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে আউটডোর ও ইনডোরে সেবা দেয়া হচ্ছে। 

প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬/১৭শ’ এবং ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

এছাড়াও ১০০ শয্যার জন্য মঞ্জুরি করা পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, চক্ষু, অর্থোপেডিকস ও রেডিওলজি ইমেজিং, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি এ্যান্ড অবস, মানসিক, প্যাথলজি ও নেফ্রোলজি, ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অফিসার চক্ষু, রেডিওলজিস্ট এবং ইনডোর মেডিকেল অফিসার কার্ডিওলজি ও মেডিসিন প্রতি পদে একটি করে শূন্য রয়েছে। হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ১৭৬ মঞ্জুরি পদের বিপরীতে জনবল আছে ১২১ জন।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেক সেবা প্রত্যাশীরা বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বেড না পেয়ে মেঝে এমনকি বারান্দায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন। অন্যদিকে, রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের দায়িত্বরতরা। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতাল থেকে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি বাড়তি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

ইনডোরে রোগী দেখার পর ডাক্তার আউটডোরে গিয়ে রোগী দেখা শুরু করেন। এতে হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে আসাদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। আবার চিকিৎসক না থাকায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সেবা নিতে আসা রোগীদেরও।

নওগাঁর নিয়ামতপুর থেকে পায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছেন রমজান আলী। তার সঙ্গে আসা মেয়ে নিলুফা খাতুন বলেন, অর্থোপেডিক ডাক্তারের কক্ষের সামনে এতই ভিড় বাবাকে যে পাশে কোথাও বসিয়ে রাখবো সেই ব্যবস্থাও নেই। ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাবাকে ডাক্তার দেখাতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছি। অন্যকোনো দিন আবার আসবো আর না হয় রাজশাহীতে নিয়ে যাবো।

একই অবস্থা মেডিসিন বিভাগের সামনেও, দীর্ঘ লাইনে প্রায় ৫০-৬০ জনের মত সেবাপ্রত্যাশী দাঁড়িয়ে আছেন। আমেনা বেগম নামে এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, দুইদিন হলো ঘুরে গেলাম। সেই সকাল ১০টায় এসেছি এখন ১২টা বেজে গেল। কিন্তু এখনও ডাক্তারের কাছে যেতেই পারলাম না। অনেকে বাধ্য হয়ে ফিরে গেছে। আমি চলে যাবো। আর কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়বো। একসাথে তিন -চারটি কক্ষে যদি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগী দেখতেন, তাহলে এতো ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

হাসপাতালের নতুন ভবনের সার্জারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে মেঝেতে ও বাড়ান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। কামরুল হোসেন নামে একজন বলেন, আমার ভাইকে ভর্তি করা হয়েছে। বেড সংকট তাই মেঝেতেই চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। কি আর করার, বাধ্য হয়েই এসেছি সরকারি হাসপাতালে।

রেনুকা বেগম নামে এক রোগী বলেন, বেড নাই তাই বারান্দা থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসা পাওয়াতো আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু চিকিৎসাটাও ভালো ভাবে পাই না আমরা। বারান্দায় এভাবে থাকা যে কতটা কষ্টের, তা বুঝাবো কি করে? টাকা খরচ করে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে মিলাদুল ইসলাম এসে ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হয়েছে। আর বেশি ভাগ ওষুধ বাইরে থেকেই কিনতে হয়েছে।

নওগাঁ নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এ.কে.এম ফজলে রাব্বী বকু জানান, ২৮ লাখ মানুষের ভরসা নওগাঁ সদর হাসপাতাল। চিকিৎসক সংকটের কারণে যদি কেউ সময়মত সেবা না নিতে পারে তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক কি আর হতে পারে। হাসপাতালে যদি সেবার মান ভালো না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে সেবা নিতে? চিকিৎসক সংকটসহ হাসপাতালের সার্বিক সমস্যা দূর করে যেন সেবার মান বৃদ্ধি করা হয় সেই দাবি জানান তিনি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, ২৫০ শয্যা বলা হলেও ১০০ শয্যার হাসপাতাল চালাতে যে পরিমাণ জনবল দরকার তাও এখানে নেই। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬শ' জন ও ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য চাহিদা পত্রের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি চাহিদা গুলোর অনুমোদন পেলে ডাক্তার, সেবিকা, ওষুধ ও অবকাঠামো সহ সার্বিকভাবে সেবার মান আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পার্বত্য স্থানীয়দের বেকারত্ব গুচাবে পর্যটন শিল্প---পার্বত্য মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মো. রেজুয়ান খান ঃ


পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, অপার সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি পার্বত্য অঞ্চল। বান্দরবান ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় নগরী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তিনি বলেন, পর্যটন শহর বান্দরবানকে সাজাতে নতুনভাবে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং দর্শনীয় স্থানগুলোকে আরো আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয়দের বেকারত্ব গুচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে পর্যটন শিল্প।

 বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম, বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী, বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষ্মীপদ দাস ও বান্দরবান জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ পর্যটন ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি আরও বলেন, পর্যটন নগরী বান্দরবানে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে ভ্রমণ করতে পারে সেই জন্য মহাসড়কসহ আভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর উন্নয়ন কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নৈতিক কাজ হলো দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা। সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় একদিন পার্বত্য এলাকার পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য দেখা দিবে। তিনি বলেন, আগামীতে পর্যটনখাত আরো সমৃদ্ধ হবে। এগিয়ে যাবে বান্দরবান, আর বান্দরবানের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটবে। মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য কাজ করেছেন আর তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পিতার আর্দশে বাংলাদেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়নে সকল ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয় দেশে ১৫ হাজার ম্যালেরিয়া রোগী সনাক্ত হয়েছে যার মধ্যে বান্দরবানেই সনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার। সভায় স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়টি খুব গুরুত্ব পায়। এছাড়া সভায় পর্যটন শিল্পের আধুনিকায়ন ও এর সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

লেখক ঃ

জনসংযোগ কর্মকর্তা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়



আরও খবর



১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশে ১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ২ হাজারের বেশি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬২৭টি ধর্ষণ হয়েছে ২০২০ সালে। সে বছর দেশে করোনা মহামারি শুরু হয়। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় দেশে ৯ হাজার ৬৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৭৯টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সে তুলনায় মামলা হয়েছে অনেক কম।

২০১৯ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি এবং এরমধ্যে মামলা হয়েছে ৯৯৯টি। ২০২০ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৬২৭টি এবং মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৪০টি। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩২১টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯১৬টি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৭৩৪টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০৩টি। গত ১০ বছরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫৭২ জনকে এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০৩ জন।

আসক সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত ৯টি জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর বাইরেও সংবাদে প্রকাশ হয়নি এমন ধর্ষণের ঘটনাও তাদের তথ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ধর্ষণের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় তার শক্তি প্রদর্শনের চিন্তা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এসব কিছুর সঙ্গেও ধর্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। যখন দেশে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তখনই তা নিয়ে আলোচনা হয়। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয় না। মানুষের নৈতিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় অনেকেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে চান না জানিয়ে রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, ধর্ষণের কোনো ঘটনা প্রকাশ পেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই সমাজ দোষীর চোখে দেখে এবং তাকেই কটুকথা শোনায়। অনেক সময় তার ওপরই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং ধর্ষককে নিরপরাধী হিসেবে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি প্রবৃত্তি থাকে। তার মধ্যে একটি হলো পাশবিক প্রবৃত্তি। যারা ধর্ষণ করেন, তারা এই পাশবিক প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হন। এটিকে কোনোভাবেই মানসিক সমস্যা বলার সুযোগ নেই। করোনার সময় ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, করোনার সময় মানুষ ঘরের মধ্যে এক ধরনের বন্দিজীবন কাটানোর ফলে সামাজিক কর্মকা- খুব কম হয়েছে। সামাজিক সম্পর্ক মানুষ চালিয়ে যেতে পারছিল না। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে; যা মানুষকে নানা অপরাধের দিকে প্ররোচিত করে। তাছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যায়।



আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২