Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারের ছুটি বহাল, গ্রীষ্মের ছুটি কমলো

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীনসহ মোট ২০ দিনের ছুটি চলছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।


 এছাড়া শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বহাল থাকবে। ফলে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ ছুটি থাকছে। দীর্ঘ ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ২৬ জুন।


বৃহস্পতিবার (২০ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।



শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের গণমাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।


শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে এবার পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন, যা চলার কথা ছিল ২ জুলাই পর্যন্ত।


ছুটি কমানোর পরিকল্পনার কারণ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো– শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। এছাড়া নতুন কারিকুলামে চলতি বছরে ঘাটতির পাশাপাশি অতি শীত ও অতি গরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৫ দিনের মতো বন্ধের ক্ষতি পোষাতে হবে। 


সে কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।


২০২৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করা হয়। সে বছরে ছুটি বাতিলের যুক্তি ছিল, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর আগে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু হবে। সেই কারণে ছুটি বাতিল করা হয়।


আর এবার ছুটি বাতিল হতে পারে যে গুঞ্জন ছিল, তাতে জানা যায়, নতুন কারিকুলামে চলতি বছরের বেশ গ্যাপ রয়েছে। শীত ও অতিগরমের কারণে এবার সপ্তাহ দুয়েকের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সেই ক্ষতি পোষাতে গ্রীষ্মের ছুটি কাটছাঁট করা হতে পারে। 


সে সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর সৈয়দ জাফর আলী গণমাধ্যমে বলেন, গ্রীষ্মের ছুটি কমানোর বিষয়ে একটি প্রস্তাব রয়েছে। এখন কী করবে, সেই সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।


এরপর আজ বৃহস্পতিবার জানা গেলে, ২৬ জুন থেকে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে।





আরও খবর



কোটা বাতিলের দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস ডেস্ক:



২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কের উভয় লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।



বুধবার (৩ জুলাই) বিকাল তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেইট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে অবরোধ করেন তারা।



তাদের অন্য দাবিগুলো হলো: ২০১৮ এর পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া এবং সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা; সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে; দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।



অবরোধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুল ইসলাম মেঘ বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এসেও দেখছি সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান। 



এই বৈষম্যের জন্যই কি মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন? আমরা ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহালসহ চার দফা দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছি। অতিদ্রুত কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’



বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌহিদ সিয়াম বলেন, 'আগামীকাল ৪ জুলাই কোটা নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানি হবে। সেখানে যদি সরকারি চাকুরিতে কোটা বহাল রাখা হয়, তাহলে আমাদের আন্দোলন আরো জোরালো হবে।’


এদিকে অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ প্রক্টরিয়াল বডির অন্য সদস্যরা। তারা শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, তবে শিক্ষার্থীরা পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যান। পরে বিকাল পাঁচটায় অবরোধ কর্মসূচি তুলে নেন তারা।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ আলমগীর কবির বলেন, ‘আমরা সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ করেছি, যাতে তারা সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি খেয়াল রাখে। তবে যেহেতু এটা জাতীয় ইস্যু, সেহেতু শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।’


আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ বলেন, ‘অবরোধের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।’






আরও খবর



ফেনীর দুই উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:



বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ফেনীর ফেনীর ফুলগাজী ও পশুরামে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ফেনীর জেলা প্রশাসক শাহীনা আক্তার এ তথ্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আজ বাংলা দ্বিতীয় পত্র বিষয়ে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।



জেলা প্রশাসক বলেন, মুহুরী নদীর বাঁধ ভেঙে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আজকের পরীক্ষা স্থগিতের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। 



বিষয়টি আমরা তিনবোর্ডকে (সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড ও ভোকেশনাল) চিঠির মাধ্যমে অবগত করি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।



ফেনীতে ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজানের পানিতে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৪টি স্থান ভেঙে জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। 


এছাড়া সোমবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টা থেকে ফুলগাজী বাজারে পানি বাড়ায় ফেনী-পরশুরাম আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে।



এর আগে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ফেনীর ২৫টি কেন্দ্রে ১৮৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকার তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর মাঝে এইচএসচিতে ১৩২ জন, অলিমে ৫১ জন ও ভোকেশনালে ২ জন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছর ফেনীর ২৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১১ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১ হাজার ৩০১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১৮৫ জন।


এদিকে বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগে স্থগিত হওয়া চার বিষয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশিত হয়েছে। নতুন রুটিনে এই চার বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়ে আগামী ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষাগুলো আগের রুটিন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। 


বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগের চার জেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। গত ৩০ জুন ওই পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো যথারীতি হবে বলে তখন জানানো হয়। এখন স্থগিত হওয়া চার বিষয়ের পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ করা হলো।


এবার ৯ টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি(ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন এবং ছাত্রী সংখা ৭ লাখ ৫০৯ জন।এবার মোট কেন্দ্র ২ হাজার ৭২৫ টি ও মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ৪৬৩ টি।


নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখা ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮০ জন এবং ছাত্রী সংখা ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৬০১ জন। মোট কেন্দ্র ১ হাজার ৫৬৬ টি এবং মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৪ হাজার ৮৭০টি।


আলিম পরীক্ষায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৭৬ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৪৭ হাজার ৫৯২ জন এবং ছাত্রী সংখা ৪০ হাজার ৪৮৪ জন। মোট কেন্দ্র ৪৫২ টি এবং মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৬৮৫ টি।


এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) এইচএসসি (ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা ইন কমার্স  পরীক্ষা (কারিগরি) বোর্ডে চলতি বছরে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬৫ হাজার ৪২৪ জন। মোট কেন্দ্র ৭০৭ টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৯০৮ টি।


গতবছরের তুলনায় ২০২৪ সালে চলতি বছরে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন। মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২৯৪ টি, মোট কেন্দ্র বেড়েছে ৬৭টি।


আরও খবর



তিস্তা নিয়ে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চীনের সম্মতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্পে ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে চীনের কোনও আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।



তিনি বলেন, ‘সরকারের যেকোনো সিদ্ধান্ত আমরা সম্মান করব। এ প্রকল্প নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছিলাম আমরা, এখনো বাংলাদেশের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।’



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) কূটনীতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডি ক্যাব আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।


ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে এদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কৃষি সহযোগিতা, ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট, ডিজিটাল ইকোনোমি, শিক্ষা, গণমাধ্যমের সঙ্গে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে। 



এছাড়াও দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হবে। আবার রোহিঙ্গা সংকট আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

 

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, এ নদী বাংলাদেশের নদী। অতএব তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যেকোনো সিদ্ধান্ত আমরা সম্মান করব।



 তিস্তা নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছিলাম আমরা। আমরা এখনও বাংলাদেশের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিস্তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। আমরা সেটা সম্পন্ন করি। যে পক্ষই এ প্রকল্পে কাজ করুক, দ্রুত শেষ হোক সেটা আমরা চাই।


 উত্তরের সমস্যার দ্রুত সমাধান হোক সেটা আমরা চাই। আর তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্পে ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে রাজি আছে চীন।  

 

চীনা রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশকে উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে দেখে চীন। এ ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন চলতে থাকলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় হবে ৪ হাজার ডলার।



 আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও চীনের দৃষ্টিভঙ্গি একই। ফলে আমাদের সম্পর্কের একটি কমন জায়গা রয়েছে।



মিয়ানমারে যুদ্ধ থামাতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছে চীন- যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথ উন্মুক্ত করবে এ কথা জানিয়ে ইয়াও ওয়েন বলেন, দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। কিন্তু যত জটিলই হোক, আমরা চেষ্টা করে যাব যুদ্ধবিরতি আনার। 



যুদ্ধবিরতি না হলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কঠিন। আমরা আরাকান আর্মির সঙ্গেও কথা বলেছি এ বিষয়ে। আরাকান আর্মিসহ সব আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে।


তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তৃতীয়পক্ষীয় আলোচনা সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। 



তবে এটিকে আমরা বন্ধ বলতে চাই না। এটাও নিশ্চিত নই যে, কবে প্রত্যাবাসন শুরু হবে। আমরা চেষ্টা করছি যাতে, গৃহযুদ্ধ থামে এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দ্বার উন্মুক্ত হয় বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ধামরাইয়ে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী দেশের সর্ববৃহৎ রথযাত্রা উৎসব

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন ( স্টাফ রিপোর্টার):

ঢাকার ধামরাইয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রা শুরু হবে আগামীকাল (৭ জুলাই) রবিবার, আর নবম তম দিন ১৫ জুলাই উল্টো রথ টানের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে রথযাত্রা। এটি দেশের সর্ববৃহৎ রথযাত্রা আর রথযাত্রা উপলক্ষে মেলা চলবে মাসব্যাপী।


এবারের রথযাত্রা উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডঃ সামন্ত লাল সেন।যদিও আজ সেই বড় রথটি আর নেই। তবে যেটি এখনো রয়েছে সেটিও সুবিশাল ৪০ ফিট উচ্চতার এবং ২০ ফিট প্রশস্ত আকারের রথ। ঐতিহ্যবাহী বড় যে রথটি ছিল সেটির উচ্চতা ছিল ৬০ ফিট। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা পুড়িয়ে দেয় সেই সময়কার ৬০ ফিট উচ্চতার রথটিকে। পুড়িয়ে দেয়া হলেও এর উৎসব-আয়োজন থেকে মানুষকে বিরত রাখা যায়নি। এই উৎসব উপলক্ষে রথটিকে ধোঁয়া-মোছার পর রঙ তুলির কাজও শেষ করেছেন কারিগররা। শেষ পর্যায়ের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এই রথযাত্রা উপলক্ষে প্রতিবছর রথযাত্রা ও উল্টো রথ যাত্রার দিনে হাজার হাজার নর-নারীর অংশ নিয়ে থাকেন।


রথযাত্রা উপলক্ষে মাসব্যাপি আয়োজিত হয়েছে লোকজ মেলা।আয়োজিত মেলায় প্রায় দুই শতাধিক বিভিন্ন প্রকারের স্টলসহ সেখানে সার্কাস,পুতুল নাচ, নাগরদোলা সহ বিভিন্ন বিনোদনের আয়োজন থাকবে। তেমনি গ্রামীণ তৈজসপত্র, হরেক রকমের মুখরোচক খাবার দোকান, মুড়ি-চিড়া-সন্দেশ- মিষ্টি, দৈনন্দিন জিনিসপত্র, কাঠের তৈরি, লোহার তৈরি জিনিসপত্র, বাচ্চাদের খেলনা ইত্যাদি পাওয়া যায়। রবিবার এই রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রী প্রনয় কুমার ভার্মা।এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো.আসাদুজ্জামান।অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করবেন শ্রী শ্রী যশোমাধব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাস (অবঃ)।


ধামরাই যশোমাধব মন্দির পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডঃ অজিত কুমার বসাক বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও খুব জাকজমক ভাবে রথ উৎসব উদযাপিত হবে। রথযাত্রা ও রথ মেলার সাজসজ্জা ও পরিচর্যার কাজ প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে। বাকি কাজও দ্রুত শেষ করা হবে।


এ ছাড়া মাসব্যাপী মেলা হবে। এরমধ্যে সকল প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি।ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান মো. আব্দুল্লা আল মামুন বলেন, রথযাত্রা আয়োজনের প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে এই মেলাকে সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে। আশা করছি প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অত্যন্ত সুন্দরভাবে আমরা এই মেলা উদযাপন করতে পারবো।


আরও খবর



কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি::

কুষ্টিয়া -রাজবাড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের  কুমারখালী বাসস্ট্যান্ডের গোলত্বরে অবস্থান নিয়ে  শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। বুধবার বেলা  ৩ টার দিকে পৌর বাস টার্মিনাল থেকে  ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড ও জাতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে সাধারন শিক্ষার্থীরা । বাসস্ট্যান্ড থেকে পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল হলবাজারে পৌঁছালে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুইজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন আফজাল ও  মাহিন তানভীর।

সদ্য কুমারখালী পৌর ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করা পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পদক আসাদুজ্জামান আলী ও কামরুজ্জামান সোয়াদের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে কুমারখালী সরকারি ডিগ্রি কলেজ, কুমারখালী মহিলা কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সেসময় প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীদের সমাগম ঘটে।

এ সময় মিছিলে শিক্ষার্থীরা  স্লোগান দিতে থাকেন সাঈদ ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবোনা।  ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রধানমন্ত্রী জবাব চাই’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ভুয়া ভুয়া’,‘কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা কেন বিচার চাই বিচার চাই’,‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার, এ কথা বলছে কে সরকার সরকার’, ‘আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’,‘কোটা না মেধা মেধা মেধা, আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’।

ঘটনাস্থলে কুমারখালী থানার ওসি আকিবুল ইসলামসহ ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন থাকা অবস্থায় কিছু সময়ের মধ্যে মহাসড়ক ত্যাগ করেন শিক্ষার্থীরা। 

এসময়  মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মহাসড়ক থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা কুমারখালী হলবাজারে মোড়ে পৌঁছালে ঢিলের আঘাতে কুমারখালী সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইসএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আফজাল ও কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের এই এসসি পরীক্ষার্থী মাহিন তানভীর আহত হন। 

হামলাকারীদের খুঁজে পাওয়া না গেলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পুলিশ নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিকেল ৫ টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন।

আরও খবর