Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

দশমিনায় পল্লীবিদুৎ অফিসের লোকমানের বিরুদ্ধে গ্রাহক ভোগান্তির অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ নাঈম হোসাইন দশমিনা,পটুয়াখালী  প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মো.লোকমান এর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সাথে খারাব আচারন ও গ্রাহক ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় অফিসে একাধিক গ্রাহক সেবা নিতে গেলে তাদের সাথে খারাব আচারন ও পরে আসেন বলে ভোগান্তির এ অভিযোগ উঠে।

জানা যায়, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মো. লোকমান হোসেন দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসে যোগদান এরপর থেকেই সেবা নিতে আশা গ্রাহকের সাথে খারাব আচারন ও ভোগান্তির দিয়ে আসছেন। তার কাছে গ্রাহক কথা বলতে গেলে তিনি ব্যস্ত কাজ করি। আজকে হবেনা কালকে আসেন।

নাম না প্রকাশ করাশর্তে একাধিক দশমিনা সাব জোনাল অফিসে কর্মরতজন জনান, তার ব্যবহারে যেমন আমরা অতিষ্ঠ তেমনি সাধারন গ্রাহকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কারনে অকারনে গ্রাকদের সাথে খারাব আচারন ও তাদেরকে ভোগান্তিতে ফেলছেন তিনি। সাধারন গ্রাহক দুর দুরান্ত থেকে সেবা নিতে আসেন এ অফিসে। এমন আচারনে আমারা ও গ্রাহক খুশি হচ্ছিনা।

এবিষয়ে দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মো. লোকমান জানান, 01754547984 এ নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে রিসিভ না করার কারনে তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

এবিষয়ে দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসের এজিএমকম আবুল কালাম আজাদ বলেন, এভাবে কোন বক্তব্য দেয়া সম্ভব না। আপনি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।


আরও খবর



শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
আরএম সেলিম শাহী, বিভাগীয় প্রধান ময়মনসিংহ::

শেরপুরে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এক সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।

বুধবার(১৭ জুলাই) দুপুরে ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত শহরের নিউমার্কেট মোড়, থানা মোড়, চকবাজারে এসব সংঘর্ষ ঘটে৷ এর আগে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দুপুর তিনটায় শেরপুর সরকারী কলেজে অবস্থান নেয়৷ সেখান থেকে মিছিল শুরু করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণের সময় ছাত্রলীগের বাঁধার মুখে পড়ে৷ এসময় শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ফলে এক সাংবাদিকসহ দুই গ্রুপের অন্তত ২০জন আহত হয়।

এখন পর্যন্ত শহরে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিবেশ শান্ত করার চেষ্টা করছে।

আরও খবর



রাজধানীজুড়ে যানজট, মেট্রো স্টেশনের গেটে তালা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। এর ফলে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাড়তি চাপ পড়েছে মেট্রোরেলের ওপর। যাত্রীদের চাপ সামলাতে মতিঝিল স্টেশনে প্রবেশ ফটকে তালা দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যাত্রীর চাপের কারণে রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয় মেট্রো স্টেশনের গেটে তালা দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় গেটে দায়িত্বরত কাউকে দেখা যায়নি।


এ সময় এক যাত্রী রাফী দেওয়ান বলেন, রাস্তা বন্ধ। তাই ভাবলাম মেট্রো রেলে করে বাসায় ফিরব। কিন্তু এসে দেখি গেট বন্ধ। গেট কেন বন্ধ বলতে পারছি না। অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি। ভেতর থেকেও কেউ আসছে না।

বুধবার বিকেল পৌনে চারটায় কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, বসুন্ধরা সিটি প্রান্তের প্রবেশমুখে যাত্রীদের ভিড় সিঁড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে।

এদিকে মতিঝিল স্টেশনের প্রবেশ ফটক আটকে দেওয়া হয়েছে। স্টেশনের বাইরে বহু মানুষ প্রবেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল এবং সংবিধানে উল্লেখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করার দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর প্রায় সব সড়কে যানবাহন স্থবির হয়ে আছে। লোকজন অনেকটা বাধ্য হয়ে মেট্রো স্টেশনে ছুটছেন। কিন্তু সেখানেও যাত্রী চাপে ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক মতিউর কন্যা ইপ্সিতা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:

ছাগলকাণ্ডে একে একে বের হতে থাকে মতিউরের দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জন করা কোটি কোটি টাকার সম্পদ। 

শুধু মতিউর না তার দুই স্ত্রী এবং সন্তানদের নামে বেনামে থাকা সম্পদের তথ্যও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকীর মেয়ে ফারজানা রহমান ইপ্সিতা সম্পদের তথ্য এবার ফাঁস হয়েছে।


মাত্র ৩২ বছর বয়স। নিজেকে মেকআপ আর্টিস্ট হিসাবে পরিচয় দেন এই তরুণী। পড়াশোনা শেষে এই পেশায় যোগ দিয়ে কতই বা আয় করতে পারেন। কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্যি, এই অল্প বয়সেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সাততলা বাড়িসহ শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন।



 কানাডায় নিজস্ব ফ্লাটে বসবাস করেন ইপ্সিতা। কানাডায় তার বাড়ি-গাড়িসহ বিলাসী জীবনের ছবি ঘিরে নেট দুনিয়ায় হইচই চলছে। তবে কানাডার চেয়ে দেশেই তার বেশি সম্পদ রয়েছে।প্রশ্ন উঠেছে একজন মেকআপ আর্টিস্ট এত টাকার সম্পদের মালিক হলেন কীভাবে।



ইপ্সিতার সম্পদ নিয়ে একাধিক সূত্রে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য সামনে এসেছে, ২০২৩ সালে মতিউর কন্যার প্রকাশিত আয়কর ফাইলেই ৪২ কোটি টাকার সম্পদ দেখানো হয়েছে। 



সোনালী সিকিউরিটিজে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, সিনাজি ট্রেডিং লিমিটেডে ৫ লাখ টাকা, গ্লোবাল সুজ কোম্পানিতে ৪ কোটি ৯৪ লাখ ৫৫ হাজার, ওয়ান্ডার পার্কে ১০ লাখ ও মামুন অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস কোম্পানিতে ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার ৬৯০ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে ইপ্সিতার।



আয়কর নথিতে আরও জানা গেছে, বিভিন্ন স্থানে ঋণ ও ধার বাবদ ইপ্সিতার সম্পদ আছে ২২ কোটি টাকার। নরসিংদীতে হেবামূলে দেড় একর জমি আছে তার। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বিলাসবহুল এলাকার সাততলা বাড়ি মালিক তিনি। বাড়িটির মূল্য অন্তত ৫০ কোটি হলেও আয়কর নথিতে তা ৫ কোটি দেখানো হয়েছে।


সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, মতিউর রহমান তার অবৈধ পথে আয় করা কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন কৌশলে বৈধ করার অপচেষ্টাও চালিয়েছেন। ইপ্সিতার নামে থাকা বিপুল সম্পদ তারই নমুনা মাত্র।


ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান গণমাধ্যমে বলেন, বয়স ও পেশার সঙ্গে ইপ্সিতার সম্পদের পরিমাণ স্পষ্টতই অস্বাভাবিক। 



বাবার প্রভাবে তার আয়কর ফাইল রাজস্ব বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়নি। বাবার প্রভাবে তিনি আটকাননি। দেশে যারা কর ফাঁকি দিতে চান তারা পার পেয়ে যান, আর স্বচ্ছতার সঙ্গে কর দিতে চাওয়া মানুষেরা নানামুখী হয়রানির শিকার হন। 


এখন দুদকের উচিত হবে মতিউর রহমান, তার দুই পক্ষের স্ত্রী-সন্তান, ভাই-বোন ও আত্মীয়স্বজনের সম্পদের খোঁজ নেওয়া।




আরও খবর



কুমিল্লায় পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৪ লাখ বেশি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কুমিল্লা জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেড়েছে। জেলায় বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২৭ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১ হাজার ৯৭৪ জন।



 জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষের চেয়ে মহিলা চার লাখের বেশি। জেলায় মোট পুরুষ ২৯ লাখ ৩৭১ জন, মহিলা ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৫৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ ২৫৬ জন। 


জেলার জনশুমারি ও গৃহগণনার রিপোর্টটি তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপপরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান। বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা এটি।এতে কুমিল্লার জনসংখ্য৬২ লাখ ছাড়িয়েছে।



এ বিষযে জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নে বিভিন্ন সময়ে আইনের পরিবর্তিত নতুন বিধিমালা জারি করেন। যা ২০১৩ সালে আদমশুমারি নাম বাদ দিয়ে জনশুমারি করা হয়েছে। 


তিনি বলেন, জনসেবা প্রদানের মধ্যে সঠিক তথ্য নির্ভর করার লক্ষ্যে সঠিকভাবে শুমারির প্রয়োজন। দেশের ও সমাজের উন্নয়ন অগ্রগতির লক্ষ্যে এলাকাভিত্তিক সার্বিক শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 



জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তাদের জনকল্যাণে ২০২২ সালের জনশুমারির রিপোর্ট অনুসরণ করে সেবা দানের কার্যক্রম গহণের আহ্বান জানান তিনি।



জনশুমারির রিপোর্ট বলা হয়েছে, সাক্ষরতার হার জাতীয় সাক্ষরতার হারের চেয়ে বেশি। জেলা সাক্ষরতার হার ৭৬.৬৮ এবং জাতীয় সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০। 


জেলায় মোট ৮৮.৮৫% খানার নিজস্ব বাসগৃহে বসবাস করে। ৯% খানা ভাড়া বাসায় বসবাস করে যাদের অন্যত্র নিজস্ব বাসগৃহ আছে এবং ১.৩৬ শতাংশ খানা ভাড়া  বাসায় বসবাস করে যাদের কোন নিজস্ব বাসগৃহ নেই এবং ০.৩৩ পার্সেন্ট লোক বিনা ভাড়ায় বসবাস করে যাদের অন্যত্র নিজস্ব বাসগৃহ আছে। 


প্রকাশিত রিপোর্ট মোতাবেক জেলায় পাঁচ বছর ও তদুর্ধ বয়সীদের মধ্যে ৫৮.৫৮ শতাংশ মানুষের নিজস্ব ব্যবহারের মোবাইল ফোন রয়েছে এবং ৪০.২৬ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। 


জেলার জনশুমারি ও বসবাসকারী ১২ লাখ ৬৯ হাজার ২৮০ জন এবং পল্লী এলাকায় বসবাসকারী ৪৯ লাখ ৪২ হাজার ৯৩৬ জন। এছাড়া জেলায় ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার হার মুসলমান ৯৫.৫৬, হিন্দু ৪.৩৩, বৌদ্ধ ০.০৯, খ্রিস্টান ০.০১ এবং অন্যান্য ধর্মের হার ০.০০৩। বাসস।


আরও খবর



নওগাঁয় প্রথম স্ত্রীর মৃতদেহ হাসপাতালে রেখে আত্মগোপনে স্বামী, দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় বড় স্ত্রী সূচনা আক্তার কে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ এনে সাংবাদিক স্বামী ও সতিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাংবাদিকের প্রথম স্ত্রী সূচনা আক্তার এর ভাই আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত রবিবার ৩০জুন রাতে নওগাঁর মান্দা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় পরই রাতেই অভিযান চালিয়ে সাংবাদিক এম এ রাজ্জাকের ছোট স্ত্রী ফারজানা আক্তার (৩০) কে গ্রেফতার করেন থানা পুলিশ। সোমবার বিকেলে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক নওগাঁর মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়ন এর দক্ষিণ পরানপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিন সরদারের ছেলে। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকায় নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। প্রায় ১৫ বছর আগে রাজধানী ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা সূচনা আক্তারকে বিয়ে করেন সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক। স্ত্রীর সঙ্গে ৪ বছর সংসার করেন। প্রথম পক্ষের একটি মেয়ে ও একটি ছেলে দুটি সন্তান আছে। 

নিহত সূচনা আক্তারের বড় বোন রেহেনা আক্তার বলেন, ৪ বছর সংসার করার পর বনিবনা না হওয়ায় বোন সূচনা আক্তারকে রেখে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্ত রাজ্জাক নিজ গ্রামে চলে আসেন। পরবর্তীতে ফারজানা আক্তার নামে আরেক নারীকে বিয়ে করেন রাজ্জাক। গর্ভের সন্তানদের দেখার জন্য আমার বোন সূচনা আক্তার মাঝে মধ্যে রাজ্জাকের বাড়ি আসত। ঈদ উপলক্ষে গত ২২ জুন সূচনা আবারও রাজ্জাকের বাড়ি আসেন। এখানে অবস্থানকালে ২৬ জুন কেনাকাটার জন্য সূচনা স্বামী রাজ্জাককে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় গোপালপুর বাজারে যায়। এ নিয়ে সতিন ফারজানার সঙ্গে সূচনার হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে সতিন ফারজানা ও স্বামী রাজ্জাকের নির্যাতন সইতে না পেরে বোন সূচনা আত্মহত্যা করে। মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, নিহত সূচনা আক্তারের মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী রাজ্জাক ও সতিন ফারজানার বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের ভাই আরিফ হোসেন। মামলার পর সতিন ফারাজানাকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সঙ্গে ৪০টি প্যারাসিটামল ট্যাবলেট সেবন করেন সূচনা আক্তার। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে তিনি মারা যান। এরপর স্ত্রী সূচনা আক্তারের মৃতদেহ হাসপাতালে ফেলে রেখেই আত্মগোপনে চলে যান সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক।


আরও খবর