Logo
শিরোনাম

উপমহাদেশে ইসলামের বিজয়কাব্যের সূচনা করেছেন খাজা গরীবে নেওয়াজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মাইজভাণ্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন, ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী বলেছেন, হিন্দুস্তান নামে পরিচিত উপমহাদেশের এ বিশাল জনবহুল ভূখণ্ডে রাতারাতি ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এখানে কোন নবী রাসুল (আঃ), সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) এর শুভাগমন হয়েছে বলেও ইতিহাস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় না৷ মানুষ ছিল পথহারা। সমাজে ছিল জুলুম নির্যাতনের রাজত্ব। মানবাধিকারের ছিটেফোঁটাও ছিল না। সত্য পথ ও পথপ্রদর্শকের সন্ধানে মানুষ চাতক পাখির মত অপেক্ষা করছিলো। ঠিক সেই সময়ে প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নির্দেশে পশ্চিমাঞ্চলের আরব দেশ থেকে পূর্বাঞ্চলের এ পাক-ভারত উপমহাদেশে  ত্রাতারূপে আবির্ভূত হন হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ মইনুদ্দীন চিশতী (রাঃ)। বহু প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ইসলামের খেদমতে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তৎকালীন রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান তার ইসলাম প্রচারের পথে বহু বাঁধা সৃষ্টি করেও সফল হন নি। হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাঃ) এর উসিলায় ও প্রত্যক্ষ আধ্যাত্নিক সাহায্যে ১১৯২ সালে ত্বরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করতে সমর্থ হন মুহাম্মদ ঘুরী। এভাবে ইসলাম প্রচারের পথ সুগম হয়। তারই সেই পথ ধরে যুগে যুগে অগণিত অলি আল্লাহ্গণ মানুষের ঘরে ঘরে, এমনকি উঁচু পর্বতের চূড়ায়, গহীন অরণ্যে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।"


তিনি আরো বলেন, "হযরত খাজা মইনুদ্দীন চিশতী (রাঃ) এর দরবার ছিল গরীব-দুঃখী মানুষের আশ্রয়স্থল। সে জন্যই তার উপাধি 'গরীবে নেওয়াজ' হয়েছে। বিশেষত তিনি মানুষের অন্তরকে জয় করেছিলেন। ধূসর মরুসম হৃদয়ে আল্লাহ্ ও রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রেমের ঢেউ সঞ্চারিত করেছেন। ফলশ্রুতিতে ১২ শতাব্দীতে প্রায় ১ কোটি মানুষ তার পবিত্র হাতে হাত রেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। আজ সমগ্র বিশ্বে প্রায় ১৬০ কোটি মুসলমানদের মধ্যে সিংহভাগ মুসলিম এই উপমহাদেশে। ইসলামের প্রকৃত অনুসরণের দিক থেকেও এ অঞ্চল এগিয়ে আছে এবং প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর খাটি আশেক হিসেবে স্বীকৃত।  নিঃসন্দেহে এটি মহান আল্লাহ্ পাকের বিশেষ অনুগ্রহ। তাই হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাঃ) এর স্মরণ ও জীবনাদর্শ চর্চা আমাদের জীবনকে আল্লাহ্ ও তার প্রিয় হাবিব (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সন্তুষ্টির দিকে পরিচালিত করবে।"


১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ মাদারীপুরে "আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া, মাদারীপুর জেলা" এর আয়োজনে, হযরত খাজা মইনুদ্দীন চিশতী (রাঃ) স্মরণে আয়োজিত মাহ্ফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় খলিফাবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


দোজাহানের বাদশাহ্ প্রিয় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আহলে বাইতে রাসুল (দ) গণের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম পেশ শেষে বিশ্ববাসীর কল্যাণ কামনায় মুনাজাত করেন ডক্টর শাহ্জাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী। হাজারো নবীপ্রেমিক জনতা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকবৃন্দ সকলের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করেন।


আরও খবর



কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেলো বিএনপি

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



সরকারি চাকরিতে কোটার ব্যাপারে ছাত্র-তরুণদের দাবি অবশ্যই ন্যায্য এবং যৌক্তিক বলে মনে করে বিএনপি। একই সঙ্গে কোটাবিরোধী চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে দলটি। 


শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন। 



গত বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি। 



তিনি বলেন, সর্বজনীন পেনশন ‘প্রত্যয়’ স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মচারীদের এই যৌক্তিক আন্দোলন সমর্থন করছি এবং অবিলম্বে এই পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।


বিএনপি মহাসচিব বলেন, একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। 



তাই সাধারণ ছাত্র সমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহের সঙ্গে আমরা একমত। বড়জোর ৫-১০ শতাংশ কোটা থাকতে পারে; ক্ষমতায় গেলে সব ধরনের বৈষম্য ব্যবস্থা বাতিল করবে বিএনপি।



মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি দেশের সব কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক ও কর্মচারী সম্প্রতি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করার জন্য দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ত করে সরকারি পরিপত্র জারি করেছে। 



এ বিষয়টি নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সম্প্রদায় ও কর্মচারীদের এই স্মারক প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এর প্রতিবাদ করেছে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদান, পরীক্ষাগ্রহণসহ সব প্রকার কর্মকাণ্ড বন্ধ রেখেছে। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 


কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রীয় আচার অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবসসমূহ—এমনকি তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মানের সহিত দাফন সম্পূর্ণ করা হয়। এগুলো তাদের প্রাপ্য। 



এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ নানান সুবিধা আছে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের অর্থাৎ স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রধান অঙ্গীকার ছিল সাম্য— মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা। 


তিনি বলেন, প্রথম, দ্বিতীয় ,তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কোনো শ্রেণিতেই কোটা পদ্ধতি মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে না এবং মেধাভিত্তিক বৈষম্যহীন জাতি ও সমাজ বিনির্মাণের মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।



 তাই সাধারণ ছাত্রসমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহের সঙ্গে আমরা একমত।


আরও খবর



কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে  রিপোর্ট:



কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। বাংলা ভাষার এ বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ১৯১১ সালের এই দিনে বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। 



কবির জন্মদিন উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।


১৯৩৮ সালে সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’ প্রকাশিত হয়। এ বইটির ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বইটির প্রশংসা করেছিলেন। 



সুফিয়া কামাল ছিলেন ‘বেগম’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম পরিষদ (বর্তমানে মহিলা পরিষদ) গঠিত হলে তিনি এর প্রতিষ্ঠাতাপ্রধান নির্বাচিত হন। 


এছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ছায়ানটের সভাপতি ছিলেন। তিনি ৫০টিরও বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার উল্লেখযোগ্য। ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।



কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মহিলা পরিষদের পক্ষ থেকে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সংগঠনের সুফিয়া কামাল ভবনে (১০ বি/১, সেগুনবাগিচা, ঢাকা) কবির প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। 


অনুষ্ঠানে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলী এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।





আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




জিন্স প্যান্ট ও চোখে কালো চশমা পরলেই স্মার্ট হওয়া যায় না....নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

পুরস্কার নেয়া যেমন আনন্দের। তা ধরে রাখাও অনেকটা চ্যালেঞ্জ এবং দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেলো। তাই মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করে এইচএসসিতে ফলাফলও ধরে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হবে। জিন্স প্যান্ট ও চোখে কালো চশমা পরলেই স্মার্ট হওয়া যায় না। পড়াশুনাও স্মার্ট হতে হবে। তোমরা সুশিক্ষায় এগিয়ে যাবে এবং মানবিক মানুষ হবে। শনিবার দুপুরে নওগাঁয় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

খাদ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, জীবনে বড় হতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বই আর বালিসকে আপন করতে হবে। মাদক ও মোবাইলের অপব্যবহার হতে নিজেদের কে বিরত রাখার কঠোর সংকল্প থাকতে হবে।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের সন্তানরা যেন অসৎ সঙ্গে না জড়ায় সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন। সন্তানদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ আর খারাপ বিষয়গুলো বর্জন শেখাতে হবে। মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার তাদের উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি বেশি করে এটা বোঝাতে হবে। এসময় শিক্ষার্থীদের সাবজেক্ট পছন্দের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দ ও পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহবান জানান তিনি। নওগাঁ চেম্বার অফ কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি ও ইথেন এন্টাপ্রাইজ এর স্বত্তাধিকারী ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান এবং জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রিজভী।

পরে ২০২৩ সালে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫শ' ৭০ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান শেষে ক্রেস্ট, সনদ ও পুরুষ্কার তুলে দেন।


আরও খবর



আইএমএফ থেকে ১১৫ কোটি ডলার ঋণ পেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। 



গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) এই ঋণ ছাড় করে আইএমএফ বোর্ড। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ও আইডিবি (ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) থেকে ৯০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়া গেছে।


  সব মিলিয়ে মোট ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে।



বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে যোগ হয়েছে।



 ঋণ হিসেবে আসা দক্ষিণ কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে মোট ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে রিজার্ভে। এতে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের রিজার্ভ ২৬ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন (দুই হাজার ৬৫০ কোটি) ডলারে দাঁড়িয়েছে।


 গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী বোর্ড সভায় ঋণের তৃতীয় কিস্তি অনুমোদন করা হয়েছিল। 



ঋণ চুক্তি অনুমোদনের পর গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার হাতে পায় বাংলাদেশ। 


আর গত ১২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ পায় ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।



আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




নতুন গিলাফে জড়ানো হলো পবিত্র কাবা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারাম তথা কাবাঘরের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়েছে। কালো কাপড়ের স্বর্ণখচিত গিলাফ মোড়ানো আরবীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্য। প্রতি বছর হজের সময় পুরোনো গিলাফ পরিবর্তন করে কাবাঘরে নতুন গিলাফ পরানো হয়। কিন্তু এবার তা নতুন বছরে করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে আরবি নতুন বছর ১৪৪৬ হিজরির প্রথম প্রহরে পবিত্র কাবার এ গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। হিজরি নববর্ষকে স্মরণীয় করতে গত বছর থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর আগে প্রতি বছর হজের সময় আরাফার দিন সকালে কাবার গিলাফ পরিবর্তন করা হতো। তবে গত দুই বছর হিজরি নববর্ষের প্রথম দিন কাবার গিলাফ পাল্টানো হচ্ছে।

আরবি নতুন বছর উপলক্ষে শনিবার ১ মুহাররম (সন্ধ্যা থেকে দিন গণনা শুরু) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় এশার নামাজের পর রাত পৌনে ১০টার দিকে পবিত্র ঘরের নতুন গিলাফ পরিধানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শনিবার সৌদি প্রেস এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


আরও খবর