Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

উপমহাদেশে ইসলামের বিজয়কাব্যের সূচনা করেছেন খাজা গরীবে নেওয়াজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মাইজভাণ্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন, ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী বলেছেন, হিন্দুস্তান নামে পরিচিত উপমহাদেশের এ বিশাল জনবহুল ভূখণ্ডে রাতারাতি ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এখানে কোন নবী রাসুল (আঃ), সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) এর শুভাগমন হয়েছে বলেও ইতিহাস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় না৷ মানুষ ছিল পথহারা। সমাজে ছিল জুলুম নির্যাতনের রাজত্ব। মানবাধিকারের ছিটেফোঁটাও ছিল না। সত্য পথ ও পথপ্রদর্শকের সন্ধানে মানুষ চাতক পাখির মত অপেক্ষা করছিলো। ঠিক সেই সময়ে প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নির্দেশে পশ্চিমাঞ্চলের আরব দেশ থেকে পূর্বাঞ্চলের এ পাক-ভারত উপমহাদেশে  ত্রাতারূপে আবির্ভূত হন হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ মইনুদ্দীন চিশতী (রাঃ)। বহু প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ইসলামের খেদমতে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তৎকালীন রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান তার ইসলাম প্রচারের পথে বহু বাঁধা সৃষ্টি করেও সফল হন নি। হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাঃ) এর উসিলায় ও প্রত্যক্ষ আধ্যাত্নিক সাহায্যে ১১৯২ সালে ত্বরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করতে সমর্থ হন মুহাম্মদ ঘুরী। এভাবে ইসলাম প্রচারের পথ সুগম হয়। তারই সেই পথ ধরে যুগে যুগে অগণিত অলি আল্লাহ্গণ মানুষের ঘরে ঘরে, এমনকি উঁচু পর্বতের চূড়ায়, গহীন অরণ্যে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।"


তিনি আরো বলেন, "হযরত খাজা মইনুদ্দীন চিশতী (রাঃ) এর দরবার ছিল গরীব-দুঃখী মানুষের আশ্রয়স্থল। সে জন্যই তার উপাধি 'গরীবে নেওয়াজ' হয়েছে। বিশেষত তিনি মানুষের অন্তরকে জয় করেছিলেন। ধূসর মরুসম হৃদয়ে আল্লাহ্ ও রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রেমের ঢেউ সঞ্চারিত করেছেন। ফলশ্রুতিতে ১২ শতাব্দীতে প্রায় ১ কোটি মানুষ তার পবিত্র হাতে হাত রেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। আজ সমগ্র বিশ্বে প্রায় ১৬০ কোটি মুসলমানদের মধ্যে সিংহভাগ মুসলিম এই উপমহাদেশে। ইসলামের প্রকৃত অনুসরণের দিক থেকেও এ অঞ্চল এগিয়ে আছে এবং প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর খাটি আশেক হিসেবে স্বীকৃত।  নিঃসন্দেহে এটি মহান আল্লাহ্ পাকের বিশেষ অনুগ্রহ। তাই হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাঃ) এর স্মরণ ও জীবনাদর্শ চর্চা আমাদের জীবনকে আল্লাহ্ ও তার প্রিয় হাবিব (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সন্তুষ্টির দিকে পরিচালিত করবে।"


১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ মাদারীপুরে "আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া, মাদারীপুর জেলা" এর আয়োজনে, হযরত খাজা মইনুদ্দীন চিশতী (রাঃ) স্মরণে আয়োজিত মাহ্ফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় খলিফাবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


দোজাহানের বাদশাহ্ প্রিয় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আহলে বাইতে রাসুল (দ) গণের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম পেশ শেষে বিশ্ববাসীর কল্যাণ কামনায় মুনাজাত করেন ডক্টর শাহ্জাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী। হাজারো নবীপ্রেমিক জনতা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকবৃন্দ সকলের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করেন।


আরও খবর



যুদ্ধের দুই বছরেও আশা ছাড়েনি ইউক্রেন

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ইউক্রেন যুদ্ধের দুই বছর পেরিয়ে গেলো, কিন্তু সহসাই এ যুদ্ধ থামবে এমন কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। না ইউক্রেন না রাশিয়া, না তাদের কোনো মিত্র, কারও পক্ষ থেকেই শান্তি প্রতিষ্ঠার কোনো চিহ্ন নেই। তবুও আশা ছাড়েনি ইউক্রেন।

ক্রিভি রিহ শব্দের বাংলা অনুবাদ আঁকাবাঁকা শিং, কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এটিকে বলেন, বিশাল হৃদয় ও আত্মা। যুদ্ধে চূর্ণবিচূর্ণ এই শিল্প শহরটি যেন তাঁর চরিত্রের আদলে গড়া। এই শহরের এন্থিল নামক এলাকার সরু গলিতেই বেড়ে ওঠেছেন তিনি। কিন্তু যখন আপনি তার বিশাল দেহটির সামনে দাঁড়াবেন, তখন আপনার মনে হবে এখানে বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে যুদ্ধকালীন সময়ে দেশের নেতৃত্ব দেওয়া জেলেনস্কি একজন ভিন্ন মাত্রার মানুষ।

শহরটিতে জেলেনস্কির বাবা-মায়ের বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে থাকা ভিতা বলেন, আমি চাই এই যুদ্ধ শেষ হোক। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, সে একজন সাধারণ ভালো মানুষ, যিনি মানুষের জন্য লড়াই করছেন। আর আমি চাই এই যুদ্ধ শেষ হোক, সাইরেনগুলো যেন বন্ধ হয়ে যায়।

যুদ্ধ শেষ হওয়ার আশা অবশ্য সুদূর পরাহত। কিছু কিছু এলাকায় ইউক্রেনের এগিয়ে থাকা এবং বাড়ন্ত রুশ আধিপত্যই এখন চোখে পড়ছে। তবে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি প্রতিনিধিদের বলেন, কেউ আমাকে যুদ্ধ কবে শেষ হবে, এই কথা জিজ্ঞেস করবেন না। তার পরিবর্তে বলবেন, পুতিন এখনও কেন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারছেন।

এর মাধ্যমে তিনি যারা অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠাতে দেরি করছেন, তাদের মনে করিয়ে দিলেন, এগুলো ইউক্রেনের জন্য কতটা প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী। ইতোমধ্যে তিনি রাজধানী কিয়েভ ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, আমার দরকার গোলাবারুদ, ঘুরে বেড়ানো নয়।

ইউক্রেনের একজন মুদি দোকানি ভ্যালেরি বলেন, আমি কোনো রাজনীতিবিদ নই, তাই আমরা জিজ্ঞেস করতে পারি না, কবে যুদ্ধ শেষ হবে? আমাদের অবশ্যই লড়াই করতে হবে। আমরা আর সহ্য করতে পারছি না, লোকজন খুব ক্ষেপে আছে।


আরও খবর



কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌণ হয়রানীর মিথ্যা মামলা' শিক্ষিকা ও শিক্ষক বরখাস্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি অভিযোগ এনে ‘মিথ্যা’ মামলা করায় আফরোজা রুমা (৪৪) নামে এক শিক্ষিকা কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে এই মিথ্যা করতে সাহায্য করা সহ বিভিন্ন সময়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করায় একই বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম কে ও রবিবার থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।

বরখাস্তকৃত দু'জন শিক্ষক হলেন, নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আফরোজা রুমা ও মোঃ মোরশেদ আলম। 

নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত বরখাস্তের চিঠির সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ সদর উপজেলার সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, জনাব আফরোজা রুমা, মোকাম নওগাঁ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত-১ মামলা নং-২৪/২০২৪ নারী ও  শিশু ট্রাইবুনাল মামলায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয় এবং জেল হাজতে অবস্থান করায় তাঁকে বি এস আর পার্ট-১ এর ৭৩ নং বিধির নোট (২) মোতাবেক তাকে ১৪ ফেব্রুয়ারী (জেল হাজতে অবস্থানের দিন) হতে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত কালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।


বরখাস্তের অপর চিঠির সূত্রে জানা যায়, মোঃ মোরশেদ আলম, সহকারী শিক্ষক, সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওগাঁ সদর, নওগাঁ এর বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩ এর অনুচ্ছেদ (খ) এর অধীনে কার্যক্রম গ্রহণ করায় উক্ত বিধির ১২ ধারা মোতাবেক আদেশ জারির তারিখ হতে সরকারি চাকুরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত কালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

এবিষয়ে জানতে বরখাস্তকৃত শিক্ষিকা আফরোজা রুমার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে জানতে চাইলে, বরখাস্তকৃত শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম বলেন, বরখাস্তের চিঠি আমি দেখেছি। কিন্তু কি কারণে আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে তা আমি বুঝতে পারছি না। তার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করার কথা এবং শিক্ষিকা আফরোজা রুমাকে মিথ্যা মামলায় সহযোগিতা করার কথাও তিনি অস্বীকার করেন।

এবিষয়ে নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই দু'জন শিক্ষক চাকুরীবিধি বহির্ভূত কার্যকলাপ করেছে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে ওপর শিক্ষককে নিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তার সম্মানহানী করেছে। এছাড়াও শিক্ষক আফরোজা রুমা জেল হাজতে ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ফৌজদারী মামলা চলমান রয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রোজার আগে কমলো ভোজ্যতেলের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেলের দাম কমিয়েছে সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লিটারে ১০ টাকা কমানো হচ্ছে। যা কার্যকর হবে আগামী ১ মার্চ থেকে। দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাক্সফোর্সের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিলিটার বোতলজাত ভোজ্যতেলের দাম ১০ টাকা কমিয়ে ১৬৩ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া খোলাবাজারে প্রতিলিটার ভোজ্যতেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৯ টাকায়।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বাস-সিএনজি অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার আলালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈন উদ্দিন এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- ফুলপুর উপজেলার চর আশাবট গ্রামের বাবলু (৫৫), তার স্ত্রী শীলা (৪০) ও ছেলে সাদমান (১০)।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত বাকি চারজনের পরিচয় জানা যায়নি। তবে অজ্ঞাতদের মধ্যে একজন সিএনজির চালক বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহ যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা শেরপুরগামী একটি বাস অটোরিকশাটিকে মুখোমুখি ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সিএনজির চালকসহ সবার ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় কৃষক মো. আব্দুল খালেক বলেন, অটোরিকশাটি ময়মনসিংহ যাচ্ছিল। এ সময় তারাকান্দাগামী একটি মাহেন্দ্রকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটি পাশ কাটিয়ে ওভারটেক করতে গিয়ে হঠাৎ দ্রুতগামী বাসের মুখোমুখি পড়ে যায়। এরপর বাসটি প্রায় ৩০ গজ সামনে গিয়ে ব্রেক করে। এতে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া অটোরিকশায় থাকা সবার মৃত্যু হয়।

এদিকে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এই দুর্ঘটনায় দুই পাশের অসংখ্য যান আটকা পড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সড়কের যানজট পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। বতর্মানে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইসরাইলিরা সরতেই গাজায় সিটিতে ফিরছে হামাস

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাসখানেক আগে গাজার যেসব এলাকা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেসব এলাকায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস আবার ফিরে এসেছে। এমনকি তারা ওইসব এলাকায় তাদের নিজস্ব প্রশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য পুলিশ অফিসার নিয়োগ এবং বেসামরিক কর্মীদের আংশিক বেতন প্রদানও শুরু করেছে। গাজা সিটির স্থানীয় চার অধিবাসী এবং হামাসের এক সিনিয়র কর্মকর্তা শনিবার এই তথ্য জানিয়েছেন।

এসব এলাকায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল ইসরাইলি বাহিনী। তারা ওইসব এলাকায় হামাসকে নির্মূল করার দাবিও করেছিল। কিন্তু তারা হামাসের শক্তি বুঝতে পারেনি। হামাসের যে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা রয়েছে, তা অনুধাবন করতে পারেনি। তবে হামাস ফিরে আসতেই ইসরাইলি বাহিনীও ওইসব এলাকায় আবার হামলা করতে শুরু করেছে।

গাজা সিটির চার অধিবাসী বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, গাজা সিটির পুলিশ সদরদফতর এবং অন্যান্য সরকারি অফিসে ইউনিফর্ম পরা এবং সাদা পোশাকের পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়োগ করেছে হামাস। তারা জানিয়েছে, তারা বেসামরিক কর্মীদের ফিরতে দেখেছেন। তবে এরপর ইসরাইলি হামলাও প্রত্যক্ষ করেছেন।

পুলিশের ফিরে আসাটা বিধ্বস্ত এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা প্রয়াসের অংশবিশেষ বলে মনে হচ্ছে। হামাসের এক কর্মকর্তাও এপিকে একই কথা বলেন। তিনি অবশ্য তার পরিচয় প্রকাশ করেননি। কারণ তিনি কথা বলার অনুমতিপ্রাপ্ত নয়।

হামাসের ওই কর্মকর্তা বলেন, যেসব এলাকা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যহার করা হয়েছে, সেসব এলাকায় তাদের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দিয়েছেন। পরিত্যক্ত দোকানপাট ও বাড়িঘরে যাতে লুটপাট বা চুরি না হয়, সেটা প্রতিরোধের চেষ্টা তারা করছেন। এসব সম্পত্তির মালিকরা ইসরাইলের উচ্ছেদ নোটিশের পর সরে গিয়েছিলেন।

হামাস প্রায় ১৭ বছর আগে গাজায় তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তারা নিজস্ব সরকারি আমলাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে হাজার হাজার বেসামরিক কর্মী নিয়োগ করে। এদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক, ট্রাফিক পুলিশ, সিভিল পুলিশ।

বর্তমানে এসব কর্মীকে আংশিক বেতন হিসেবে ২০০ ডলার করে দেয়া হয়। এতে বোঝা যাচ্ছে যে হামাসের শক্তি এখনো অটুট আছে। উল্লেখ্য, ইসরাইল দাবি করেছে যে তারা গাজায় হামাসের প্রায় ১০ হাজার যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। আর ৭ অক্টোবর ইসরাইলি হামলা চালানো সময় হত্যা করা হয়েছিল ১০০০ হামাস যোদ্ধাকে। কিন্তু মনে হচ্ছে, ইসরাইলের দাবি সত্য নয়।

ইসরাইলি কমান্ডাররা দাবি করছে যে হামাসের ব্যাটালিয়ন কাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু কার্যত দেখা যাচ্ছে যে হামাস এখনো গেরিলা কায়দায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।


সূত্র : টাইমস অব ইসরাইল

 


আরও খবর