রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে ১৫ জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এক দিনের রিমান্ড শেষে আজ তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- লিমন খান (২৪), দেওয়ান ইসমাইল (২১), ফাহিম মিয়া (২২), রতন (২২), রাব্বি ওরফে রাফি (১৯), রাতুল শীল (২১), মিনারুল মিয়া (২২), মাসুদ রানা ওরফে লিমু (৩৬), জিহাদ হাসান (২০), আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু (৪৫), ফাহিম (১৯), শাকিল মিয়া (১৯), রাজিব (১৯), সানি (১৯) ও রাজন মিয়া (১৯)।
ভাটারা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রোববার রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসানের আদালতে তাদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দু’টি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল।
এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা: রিমান্ড শেষে কারাগারে ১৫ জন
১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা: রিমান্ড শেষে কারাগারে ১৫ জন
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে ১৫ জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এক দিনের রিমান্ড শেষে আজ তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- লিমন খান (২৪), দেওয়ান ইসমাইল (২১), ফাহিম মিয়া (২২), রতন (২২), রাব্বি ওরফে রাফি (১৯), রাতুল শীল (২১), মিনারুল
মিয়া (২২), মাসুদ রানা ওরফে লিমু (৩৬), জিহাদ হাসান (২০), আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু (৪৫), ফাহিম (১৯), শাকিল মিয়া (১৯), রাজিব (১৯), সানি (১৯) ও রাজন মিয়া (১৯)। ভাটারা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসানের আদালতে তাদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২
জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দু’টি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত