মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
দেশের খবর ৪ মাসের সন্তান হত্যাকারী মা গ্রেফতার !

৪ মাসের সন্তান হত্যাকারী মা গ্রেফতার !

হাজীগঞ্জ(চাঁদপুর)প্রতিনিধি :

ময়নাতদন্তে হত্যার আলামত পাওয়ার পরেই ৪ মাস বয়সী শিশু শাহরিনের মা মানসুরা (৩০) গত সোমবার (২১ নভেম্বর) গ্রেফতার করেছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে গত ৬ আগষ্ট। এই ঘটনায় নিহত শিশুর ফুফু হালিমা বেগম বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মানসুরা হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের মিজি বাড়ির প্রবাসী ফারুক হোসেন মিয়াজীর স্ত্রী ও হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৫নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাজিম উদ্দিন জানান, চলিত বছরের গত ৬ আগস্ট শিশু শাহরিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরের সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। দীর্ঘ কয়েকমাস পর পুলিশ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাজিম উদ্দিন। 

 হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ জানান, শাহরিনের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হত্যার আলামত পাওয়ায় শিশুটির মা মানসুরাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তিনি আরো বলেন, তাঁর (মানসুরা) বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, চারমাস বয়সি শিশু শাহরিনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার খবর পেয়ে চলিত বছরের ৬ আগস্ট (রোববার) শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। শিশু মৃত্যুর বিষয়টি সেই সময় পুলিশের সন্দেহ হলে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার আগের দিন ৫ আগষ্ট শনিবার রাতের কোন এক সময় বাবার বাড়িতে মায়ের কাছে ঘুমিয়ে থাকাবস্থায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর শিশু শাহরিনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রবাসী বাবা ও পরিবারের সদস্যরা রহস্যজনক বলে মনে করেছিলেন। সেই সময় শিশুটির বাবার পরিবার মেডিকেল রিপোর্ট (ময়নাতদন্ত) পুলিশের তদন্তের উপর বিষয়টি ছেড়ে দেন।  

 শিশু শাহরিনের মা মানসুরার দ্বিতীয় স্বামীর ঘরের প্রথম সন্তান। মানসুরার প্রথম স্বামীর ঘরেও একটি সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে তিনি প্রবাসী স্বামী ফারুক হোসেনের বসবাস করতেন।

এ বিষয়ে মানসুরা সংবাদকর্মীদের কাছে দাবী করে বলেন, আমি আমার সন্তানকে কেনো হত্যা করবো?। ওই দিন রাতে আমি প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে গেলে বাথরুমে বসেই শাহরিনের কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই। পরে দ্রুত ঘরে এসে তাকে কোলে তুলে দুধ দেই। কিন্তু সে দুধ মুখে নেয়না এবং নড়াছড়াও করেনা। আমার ননদরাই কেউ তাকে মেরে আমাকে ফাঁসাতে চাইছে। আমার বিয়ের পর থেকেই তারা আমাকে মেনে নিতে পারেনি। 

খুঁজুন