রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জি।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার কয়ারমারী এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান (২৮), পীরগঞ্জ উপজেলার শাহাপারা হাজীপুর এলাকার হুমায়ুন কবীর রাব্বী (১৯), বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর বালুয়াপাড়ার ওবায়দুল হক (৩৪) এবং একই উপজেলার জামুবাড়ী যাদুনগর গ্রামের রমজান আলী (১৯)। তবে এ চক্রের অন্যতম সদস্য রাহাত মিয়া (২০) নামে এক তরুণ এখনো পলাতক রয়েছেন।
যেভাবে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার হয় চোরচক্র, পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুর মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের নির্ধারিত গ্যারেজ সংলগ্ন এলাকায় নিজের মোটরসাইকেলটি রেখে কোতোয়ালী কোর্ট হাজতখানায় যান এসআই রিয়াজুল ইসলাম। দাপ্তরিক কাজ শেষে ফিরে এসে তিনি দেখেন তার মোটরসাইকেলটি নিখোঁজ। পরবর্তীতে আদালত চত্বরের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অজ্ঞাতনামা ২ থেকে ৪ জন চোর কৌশলে মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সিসিটিভি ফুটেজ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরচক্রের মূল হোতা মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চক্রের বাকি সদস্য হুমায়ুন কবীর, ওবায়দুল হক ও রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনটি এবং রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার সিও রোড ব্রিজ সংলগ্ন ‘মেসার্স মুগ্ধ রিকন্ডিশন বাইক সেন্টার’ থেকে আরও ছয়টিসহ মোট ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই আন্তঃজেলা চোরচক্রের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও রহস্য উন্মোচনে আসামিদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি
রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি
রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জি। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার কয়ারমারী এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান (২৮), পীরগঞ্জ উপজেলার শাহাপারা হাজীপুর এলাকার হুমায়ুন কবীর রাব্বী (১৯), বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর বালুয়াপাড়ার ওবায়দুল হক (৩৪) এবং একই উপজেলার জামুবাড়ী যাদুনগর গ্রামের রমজান আলী (১৯)। তবে এ চক্রের অন্যতম সদস্য রাহাত মিয়া (২০) নামে এক তরুণ এখনো পলাতক রয়েছেন। যেভাবে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার হয়
চোরচক্র, পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুর মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের নির্ধারিত গ্যারেজ সংলগ্ন এলাকায় নিজের মোটরসাইকেলটি রেখে কোতোয়ালী কোর্ট হাজতখানায় যান এসআই রিয়াজুল ইসলাম। দাপ্তরিক কাজ শেষে ফিরে এসে তিনি দেখেন তার মোটরসাইকেলটি নিখোঁজ। পরবর্তীতে আদালত চত্বরের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অজ্ঞাতনামা ২ থেকে ৪ জন চোর কৌশলে মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সিসিটিভি ফুটেজ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরচক্রের মূল হোতা মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে
চক্রের বাকি সদস্য হুমায়ুন কবীর, ওবায়দুল হক ও রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনটি এবং রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার সিও রোড ব্রিজ সংলগ্ন ‘মেসার্স মুগ্ধ রিকন্ডিশন বাইক সেন্টার’ থেকে আরও ছয়টিসহ মোট ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই আন্তঃজেলা চোরচক্রের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও রহস্য উন্মোচনে আসামিদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত