নারায়ণগঞ্জে অর্থের বিনিময়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তিতাস গ্যাসের স্থানীয় কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে। শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে বহুতল আবাসিক ভবন পর্যন্ত এসব সংযোগ বিস্তৃত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি জননিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস, নারায়ণগঞ্জের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান আজাদ। তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি চক্র অবৈধ সংযোগের কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
অভিযোগকারীদের দাবি, আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং বহুতল আবাসিক ভবনের জন্য ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে রাতের আঁধারে গ্যাসের লাইন স্থাপন করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও পুরোনো বৈধ রাইজার থেকে একাধিক ফ্ল্যাটে সংযোগ সম্প্রসারণের অভিযোগও উঠেছে। এসব সংযোগ চালু রাখা এবং নিয়মিত অর্থ আদায়ের পেছনে একটি চক্র কাজ করছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের।
এ ছাড়া অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের সতর্ক করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে অভিযানগুলো কতটা কার্যকর এবং সব এলাকায় সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গত ১৪ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ১০০টি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং ৯২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে এ তথ্যের পূর্ণাঙ্গ নথি ও জরিমানার বিস্তারিত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরকারি রাজস্বের ক্ষতির পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। তাই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস, নারায়ণগঞ্জের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান আজাদ বলেন, “কিসের তথ্য, এমন কোনো ইয়ে নাই, অবৈধ লাইন আছে, আমরা কাটতেছি।”
তাঁর বক্তব্যে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কার্যক্রম চলার কথা উঠে এলেও ঘুষ গ্রহণ ও ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, অভিযানসংক্রান্ত নথি এবং নিরপেক্ষ তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তদন্তের আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা
নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা
নারায়ণগঞ্জে অর্থের বিনিময়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তিতাস গ্যাসের স্থানীয় কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে। শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে বহুতল আবাসিক ভবন পর্যন্ত এসব সংযোগ বিস্তৃত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি জননিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস, নারায়ণগঞ্জের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান আজাদ। তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি চক্র অবৈধ সংযোগের কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। অভিযোগকারীদের দাবি, আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং বহুতল আবাসিক ভবনের জন্য ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়
সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে রাতের আঁধারে গ্যাসের লাইন স্থাপন করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও পুরোনো বৈধ রাইজার থেকে একাধিক ফ্ল্যাটে সংযোগ সম্প্রসারণের অভিযোগও উঠেছে। এসব সংযোগ চালু রাখা এবং নিয়মিত অর্থ আদায়ের পেছনে একটি চক্র কাজ করছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। এ ছাড়া অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের সতর্ক করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে অভিযানগুলো কতটা কার্যকর এবং সব এলাকায় সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গত ১৪ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ১০০টি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং ৯২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে এ তথ্যের পূর্ণাঙ্গ নথি ও জরিমানার বিস্তারিত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের
মতে, অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরকারি রাজস্বের ক্ষতির পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। তাই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস, নারায়ণগঞ্জের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান আজাদ বলেন, “কিসের তথ্য, এমন কোনো ইয়ে নাই, অবৈধ লাইন আছে, আমরা কাটতেছি।” তাঁর বক্তব্যে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কার্যক্রম চলার কথা উঠে এলেও ঘুষ গ্রহণ ও ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, অভিযানসংক্রান্ত নথি এবং নিরপেক্ষ তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তদন্তের আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত