৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। সৈনিকদের হত্যার দিবস। তবে এই দিনটি আরেকটি কারণে মনে রাখতে হবে।
এই দিনটি জিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতারণার দিন।
যে বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতারণার উপর ভর করেই চলছে জিয়া পরিবার।
জিয়া কর্ণেল তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। তাহের তাকে বন্দী দশা থেকে মুক্ত করেছিল তথাকথিত বিপ্লবী সরকার গঠন করার জন্য। জিয়া মুক্ত হয়ে তাহেরকেই ফাঁসিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত জিয়া তার যে প্রাণ বাচিয়েছিল তাকেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেন।
গোটা জিয়া পরিবারই এরকম বিশ্বাসঘাতক-
মহান মুক্তিযুদ্ধের পর জিয়া, খালেদা জিয়ার সংগে সংসার করতে চাননি। জিয়া জানতেন যুদ্ধের সময় খালেদা জিয়া পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে কি করেছেন। বেগম জিয়া দিয়েছিলেন জাতির পিতার কাছে। জাতির পিতা ধানমন্ডির বাসায় জিয়া এবং খালেদার দাম্পত্য সম্পর্ক মেরামত করে দেন। খালেদাকে কন্যা ডাকেন। তাকে শাড়ী উপহার দেন।
বিনিময়ে খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করেছে।
তারেক কে এক এগারোর সরকার বিচার করে শাস্তি দিতে চেয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা তার প্রতিবাদ করেন। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীর মুক্তি দাবি করেন। শেখ হাসিনার চাপেই শেষ পর্যন্ত তারেক কে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পাঠানো হয়।
এখন তারেক শেখ হাসিনাকে রাজনীতি করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চায়।
এই পরিবার টা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে অথচ রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকতা করে।
এরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতারণার সবচেয়ে বড় বিঙাপন।
সাত নভেম্বর তাই বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা দিবস।
৭ নভেম্বর বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা দিবস।
৭ নভেম্বর বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা দিবস।
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। সৈনিকদের হত্যার দিবস। তবে এই দিনটি আরেকটি কারণে মনে রাখতে হবে। এই দিনটি জিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতারণার দিন।যে বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতারণার উপর ভর করেই চলছে জিয়া পরিবার।জিয়া কর্ণেল তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। তাহের তাকে বন্দী দশা থেকে মুক্ত করেছিল তথাকথিত বিপ্লবী সরকার গঠন করার জন্য। জিয়া মুক্ত হয়ে তাহেরকেই ফাঁসিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত জিয়া তার যে প্রাণ বাচিয়েছিল
তাকেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেন।গোটা জিয়া পরিবারই এরকম বিশ্বাসঘাতক- মহান মুক্তিযুদ্ধের পর জিয়া, খালেদা জিয়ার সংগে সংসার করতে চাননি। জিয়া জানতেন যুদ্ধের সময় খালেদা জিয়া পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে কি করেছেন। বেগম জিয়া দিয়েছিলেন জাতির পিতার কাছে। জাতির পিতা ধানমন্ডির বাসায় জিয়া এবং খালেদার দাম্পত্য সম্পর্ক মেরামত করে দেন। খালেদাকে কন্যা ডাকেন। তাকে শাড়ী উপহার দেন। বিনিময়ে খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করেছে।তারেক কে এক এগারোর
সরকার বিচার করে শাস্তি দিতে চেয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা তার প্রতিবাদ করেন। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীর মুক্তি দাবি করেন। শেখ হাসিনার চাপেই শেষ পর্যন্ত তারেক কে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পাঠানো হয়।এখন তারেক শেখ হাসিনাকে রাজনীতি করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চায়।এই পরিবার টা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে অথচ রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। এরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতারণার সবচেয়ে বড় বিঙাপন।সাত নভেম্বর তাই বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা দিবস।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত