সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে বান্দরবান জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র পুনরায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত বন্যা পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস।
জেলা প্রশাসক জানান, টানা বর্ষণের পর সৃষ্ট বন্যার পানি এর মধ্যে নেমে গেছে। একই সঙ্গে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর উজানেও বৃষ্টিপাত কমে আসায় সার্বিক পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এ অবস্থায় পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের অর্থনীতির একটি বড় অংশ পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। পর্যটন কেন্দ্রগুলো চালু হলে পর্যটকদের আগমন বাড়বে, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে এবং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবারও গতি পাবে।
প্রসঙ্গত, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকির কারণে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন তিন দফায় ৮ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছিল। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে আবারও পর্যটনের দুয়ার খুলে দেওয়া হচ্ছে।
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র খুলছে
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র খুলছে
সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে বান্দরবান জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র পুনরায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত বন্যা পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস। জেলা প্রশাসক জানান, টানা বর্ষণের পর সৃষ্ট বন্যার পানি এর মধ্যে নেমে গেছে। একই সঙ্গে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী
নদীর উজানেও বৃষ্টিপাত কমে আসায় সার্বিক পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এ অবস্থায় পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের অর্থনীতির একটি বড় অংশ পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। পর্যটন কেন্দ্রগুলো চালু হলে পর্যটকদের আগমন বাড়বে, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে এবং
জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবারও গতি পাবে। প্রসঙ্গত, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকির কারণে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন তিন দফায় ৮ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছিল। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে আবারও পর্যটনের দুয়ার খুলে দেওয়া হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত