আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশটিতে সম্প্রতি তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের আন্দোলন ও সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার কথা জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এই অবস্থান স্পষ্ট করেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল। তিনি জানান, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যৎমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানান এই ভারতীয় কর্মকর্তা। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত সীমান্ত নদী ও পানিবণ্টন সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন এবং অন্যান্য যৌথ নদীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে মুখপাত্র জানান, এই ধরনের আলোচনা সম্পন্ন করার জন্য নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বা যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো এই প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই নির্ধারিত ও পরিচালিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সীমান্ত এলাকার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই কাঠামোর কার্যকারিতার ওপর পুনরায় জোর দেওয়া হয়েছে।
এ সময় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আসন্ন সম্ভাব্য সফর নিয়ে একটি নির্দিষ্ট বার্তা দিয়েছে ভারতীয় পক্ষ। বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের প্রতি ভারতের পক্ষ থেকে পূর্বে দেওয়া আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন রনধীর জয়সওয়াল। বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতাকে ভারত সফরের জন্য অতীতেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি ঘটলে তা যথাসময়ে জানানো হবে। এই কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় কিছু রাজনৈতিক সমাবেশে ভারতবিরোধী স্লোগান দেওয়া এবং বিভিন্ন মহলের নানামুখী মন্তব্য নিয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ঢাকায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশে ভারতবিরোধী স্লোগানের বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র জানান, উদ্ভূত এসব ঘটনাপ্রবাহের দিকেও তাদের নজর রয়েছে। তবে বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য অনুযায়ী ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সতর্কতার নীতি বজায় রেখেছে নয়াদিল্লি।
বাংলাদেশে শ্রমিক বিক্ষোভের ওপর নজর রাখছে ভারত
বাংলাদেশে শ্রমিক বিক্ষোভের ওপর নজর রাখছে ভারত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশটিতে সম্প্রতি তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের আন্দোলন ও সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার কথা জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এই অবস্থান স্পষ্ট করেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল। তিনি জানান, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যৎমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানান এই ভারতীয় কর্মকর্তা। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত সীমান্ত নদী ও পানিবণ্টন সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন এবং অন্যান্য যৌথ নদীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে মুখপাত্র জানান, এই ধরনের আলোচনা সম্পন্ন করার জন্য নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বা যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো এই প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই নির্ধারিত ও পরিচালিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সীমান্ত এলাকার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই কাঠামোর কার্যকারিতার ওপর পুনরায় জোর দেওয়া হয়েছে।এ সময় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আসন্ন সম্ভাব্য সফর নিয়ে একটি নির্দিষ্ট বার্তা দিয়েছে ভারতীয় পক্ষ। বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের প্রতি ভারতের পক্ষ থেকে পূর্বে দেওয়া আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন রনধীর জয়সওয়াল। বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতাকে ভারত সফরের জন্য অতীতেই আমন্ত্রণ
জানানো হয়েছিল এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি ঘটলে তা যথাসময়ে জানানো হবে। এই কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় কিছু রাজনৈতিক সমাবেশে ভারতবিরোধী স্লোগান দেওয়া এবং বিভিন্ন মহলের নানামুখী মন্তব্য নিয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ঢাকায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশে ভারতবিরোধী স্লোগানের বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র জানান, উদ্ভূত এসব ঘটনাপ্রবাহের দিকেও তাদের নজর রয়েছে। তবে বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য অনুযায়ী ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সতর্কতার নীতি বজায় রেখেছে নয়াদিল্লি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত