আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চরম দক্ষিণপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে চতুর্থবারের মতো জয়লাভ করেছেন লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা। ৪০ লাখ ভোটের ব্যবধানে অর্জিত এই নাটকীয় জয়ে প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয় রাউন্ডে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। শ্রমিক জীবন থেকে উঠে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয় সনদবিহীন এই নেতার জয় শুধু ব্রাজিল বা লাতিন আমেরিকার জন্যই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অতীতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবী তাকে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
লুলার এই বিজয় দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো এবং বিশ্বজুড়ে প্রগতিশীল শক্তির মধ্যে এক নতুন স্বস্তির জন্ম দিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সাংবাদিক রেডি তিলহাবি তার প্রতিক্রিয়ায় লিখেছেন যে, এই ফলাফল সেইসব মানুষের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করে যারা এখনও শ্রমিক, দরিদ্র ও বৈশ্বিক ক্ষমতার বাইরে থাকা দেশের অধিকারের পক্ষে বিশ্বাসী। দ্য গার্ডিয়ানের সম্পাদকীয় অনুযায়ী, এই জয়ের ফলে আমাজনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বনভূমি রক্ষা পেয়েছে এবং চরম দক্ষিণপন্থার উত্থানে বড় ধরনের ছেদ পড়েছে।
নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই ফলাফলকে কারচুপির দাবি করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে ব্রাজিলের সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই বিজয়কে রাস্তায় নেমে উৎসবে পরিণত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বোলসোনারো পরিবারের পাশাপাশি এই ফলাফল ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্যও একটি বড় রাজনৈতিক পরাজয় হিসেবে দেখা দিয়েছে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে লুলা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও মানবতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি গণতন্ত্রের সুরক্ষা, বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা এবং ক্ষুধা ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতসহ বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি ও সহযোগিতার আহ্বান জানান।
লুলার এই বিজয় বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রকামী ও শান্তিকামী মানুষের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। যদিও তিনি একা বৈশ্বিক সংকটগুলো সমাধান করতে পারবেন না, তবুও এই রাজনৈতিক পরিবর্তন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রগতিশীল আন্দোলনকে নতুন পথ দেখাবে। বিশ্বজুড়ে আধিপত্যবাদী ও দক্ষিণপন্থি শক্তির বিরুদ্ধে লুলার এই সাফল্য ভবিষ্যতের রাজনীতিতে একটি সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ব্রাজিলে লুলা দ্য সিলভার বিজয়ের বৈশ্বিক গুরুত্ব
ব্রাজিলে লুলা দ্য সিলভার বিজয়ের বৈশ্বিক গুরুত্ব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চরম দক্ষিণপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে চতুর্থবারের মতো জয়লাভ করেছেন লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা। ৪০ লাখ ভোটের ব্যবধানে অর্জিত এই নাটকীয় জয়ে প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয় রাউন্ডে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। শ্রমিক জীবন থেকে উঠে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয় সনদবিহীন এই নেতার জয় শুধু ব্রাজিল বা লাতিন আমেরিকার জন্যই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অতীতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবী তাকে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন।লুলার এই বিজয় দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো এবং বিশ্বজুড়ে প্রগতিশীল শক্তির মধ্যে এক নতুন স্বস্তির জন্ম দিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সাংবাদিক রেডি তিলহাবি তার প্রতিক্রিয়ায় লিখেছেন
যে, এই ফলাফল সেইসব মানুষের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করে যারা এখনও শ্রমিক, দরিদ্র ও বৈশ্বিক ক্ষমতার বাইরে থাকা দেশের অধিকারের পক্ষে বিশ্বাসী। দ্য গার্ডিয়ানের সম্পাদকীয় অনুযায়ী, এই জয়ের ফলে আমাজনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বনভূমি রক্ষা পেয়েছে এবং চরম দক্ষিণপন্থার উত্থানে বড় ধরনের ছেদ পড়েছে।নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই ফলাফলকে কারচুপির দাবি করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে ব্রাজিলের সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই বিজয়কে রাস্তায় নেমে উৎসবে পরিণত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বোলসোনারো পরিবারের পাশাপাশি এই ফলাফল ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্যও একটি বড় রাজনৈতিক পরাজয় হিসেবে দেখা দিয়েছে।জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে লুলা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও
মানবতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি গণতন্ত্রের সুরক্ষা, বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা এবং ক্ষুধা ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতসহ বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি ও সহযোগিতার আহ্বান জানান।লুলার এই বিজয় বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রকামী ও শান্তিকামী মানুষের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। যদিও তিনি একা বৈশ্বিক সংকটগুলো সমাধান করতে পারবেন না, তবুও এই রাজনৈতিক পরিবর্তন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রগতিশীল আন্দোলনকে নতুন পথ দেখাবে। বিশ্বজুড়ে আধিপত্যবাদী ও দক্ষিণপন্থি শক্তির বিরুদ্ধে লুলার এই সাফল্য ভবিষ্যতের রাজনীতিতে একটি সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত