আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই তাদের ডেটা সেন্টারগুলোর নাম পরিবর্তনের একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মূলত প্রযুক্তি খাত নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া নেতিবাচক মনোভাব কাটাতে এই বড় নীতিগত ও জনসংযোগ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। সাম্প্রতিক সময়ে ডেটা সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের তীব্র বিরোধিতা দেখা যাওয়ায় এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং আসন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে ওপেনএআই এই উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেটদের হাতে যেতে পারে এবং এরপরই শুরু হবে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার। ট্রাম্প প্রশাসনের নমনীয় নীতির সুযোগ পেলেও রাজনৈতিক রদবদলের মুখে এআই শিল্পের ওপর নতুন কড়াকড়ি ও চাপ তৈরি হতে পারে। তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে চাইছে কোম্পানিটি।
এই রিব্র্যান্ডিংয়ের অংশ হিসেবে এখন থেকে ডেটা সেন্টারগুলোকে ‘এআই কম্পিউট ক্যাম্পাস’ হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা করেছে ওপেনএআই। বর্তমানে বড় বড় সার্ভার কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি, স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট করা এবং প্রচুর পরিমাণে পানি ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। নতুন এই নামকরণের মাধ্যমে কোম্পানিটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চাইছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নজর ডেটা সেন্টারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ থেকে সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ওপেনএআইয়ের চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার ক্রিস লেহেন মন্তব্য করেছেন যে, স্থানীয় জনগণের উচিত কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখা। যাতে তারা সত্যিই এই ধরনের প্রকল্পগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত সুফল লাভ করতে পারে। নাম পরিবর্তনের ফলে কিছু বিতর্ক তৈরি হতে পারে জেনেও প্রতিষ্ঠানটি এই পথ বেছে নিয়েছে। পাশাপাশি তারা প্রযুক্তি উদ্ভাবনের গতিসীমা সংক্রান্ত আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপরও জোর দিচ্ছে।
জনরোষ এড়াতে ডেটা সেন্টারের নাম বদলাচ্ছে ওপেনএআই
জনরোষ এড়াতে ডেটা সেন্টারের নাম বদলাচ্ছে ওপেনএআই
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই তাদের ডেটা সেন্টারগুলোর নাম পরিবর্তনের একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মূলত প্রযুক্তি খাত নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া নেতিবাচক মনোভাব কাটাতে এই বড় নীতিগত ও জনসংযোগ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। সাম্প্রতিক সময়ে ডেটা সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের তীব্র বিরোধিতা দেখা যাওয়ায় এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং আসন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে ওপেনএআই এই উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি পরিষদের
নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেটদের হাতে যেতে পারে এবং এরপরই শুরু হবে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার। ট্রাম্প প্রশাসনের নমনীয় নীতির সুযোগ পেলেও রাজনৈতিক রদবদলের মুখে এআই শিল্পের ওপর নতুন কড়াকড়ি ও চাপ তৈরি হতে পারে। তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে চাইছে কোম্পানিটি।এই রিব্র্যান্ডিংয়ের অংশ হিসেবে এখন থেকে ডেটা সেন্টারগুলোকে ‘এআই কম্পিউট ক্যাম্পাস’ হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা করেছে ওপেনএআই। বর্তমানে বড় বড় সার্ভার কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি, স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট করা এবং প্রচুর পরিমাণে পানি ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। নতুন এই নামকরণের মাধ্যমে
কোম্পানিটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চাইছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নজর ডেটা সেন্টারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ থেকে সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।ওপেনএআইয়ের চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার ক্রিস লেহেন মন্তব্য করেছেন যে, স্থানীয় জনগণের উচিত কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখা। যাতে তারা সত্যিই এই ধরনের প্রকল্পগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত সুফল লাভ করতে পারে। নাম পরিবর্তনের ফলে কিছু বিতর্ক তৈরি হতে পারে জেনেও প্রতিষ্ঠানটি এই পথ বেছে নিয়েছে। পাশাপাশি তারা প্রযুক্তি উদ্ভাবনের গতিসীমা সংক্রান্ত আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপরও জোর দিচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত