লাইফস্টাইল ডেস্ক: নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও অনেক সময় বাথরুমের টাইলসের জোড়ামুখ বা কোণায় কালচে গোলাপি কিংবা হালকা লালচে রঙের আস্তরণ পড়তে দেখা যায়। অনেকে একে সাধারণ স্যাঁতসেঁতে দাগ বা ছত্রাক ভেবে ভুল করলেও, বিশেষজ্ঞরা এটি একটি ব্যাকটেরিয়ার কলোনি বলে জানিয়েছেন। সঠিক সময়ে এর প্রতিকার না করলে বাথরুমের মেঝে অস্বাস্থ্যকর ও পিচ্ছিল হয়ে ওঠে।
পরিচ্ছন্নতা বিশেষজ্ঞরা জানান, বাথরুমের অতিরিক্ত আর্দ্রতা, বাষ্প, সাবানের ফেনা এবং জমে থাকা পানি ক্ষতিকর অণুজীবের বংশবৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। জীবনধারা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই কালচে গোলাপি দাগের মূল কারণ ‘সেরাটিয়া মারসেসেন্স’ নামক একটি ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকার জন্য বাথরুমের আর্দ্রতা এবং সাবান বা শ্যাম্পুর অবশিষ্টাংশকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের গবেষকদের মতে, এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত সুস্থ মানুষের জন্য ক্ষতিকর না হলেও শিশু, প্রবীণ বা কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কেবল পানি বা কাপড় দিয়ে এই দাগ মুছলে এর মূল স্তর রয়ে যায়, তাই ব্লিচ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পানির সঙ্গে পর্যাপ্ত ব্লিচ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে স্প্রে করার পর নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে বাথরুমকে মুক্ত রাখতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। গোসল শেষে বাথরুমের দরজা-জানালা খোলা রাখা বা এগজস্ট ফ্যান চালিয়ে ভেন্টিলেশন বাড়াতে হবে। এছাড়া প্রতিবার গোসলের পর জমে থাকা পানি মুছে ফেলা এবং সপ্তাহে অন্তত একবার সাবানের ফেনা ধুয়ে ফেলা উচিত।
বাথরুমের টাইলসের জোড়াতে কালচে গোলাপি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার
বাথরুমের টাইলসের জোড়াতে কালচে গোলাপি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার
লাইফস্টাইল ডেস্ক: নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও অনেক সময় বাথরুমের টাইলসের জোড়ামুখ বা কোণায় কালচে গোলাপি কিংবা হালকা লালচে রঙের আস্তরণ পড়তে দেখা যায়। অনেকে একে সাধারণ স্যাঁতসেঁতে দাগ বা ছত্রাক ভেবে ভুল করলেও, বিশেষজ্ঞরা এটি একটি ব্যাকটেরিয়ার কলোনি বলে জানিয়েছেন। সঠিক সময়ে এর প্রতিকার না করলে বাথরুমের মেঝে অস্বাস্থ্যকর ও পিচ্ছিল হয়ে ওঠে।পরিচ্ছন্নতা বিশেষজ্ঞরা জানান, বাথরুমের অতিরিক্ত আর্দ্রতা, বাষ্প, সাবানের ফেনা এবং জমে থাকা পানি ক্ষতিকর অণুজীবের বংশবৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। জীবনধারা-বিষয়ক
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই কালচে গোলাপি দাগের মূল কারণ ‘সেরাটিয়া মারসেসেন্স’ নামক একটি ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকার জন্য বাথরুমের আর্দ্রতা এবং সাবান বা শ্যাম্পুর অবশিষ্টাংশকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের গবেষকদের মতে, এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত সুস্থ মানুষের জন্য ক্ষতিকর না হলেও শিশু, প্রবীণ বা কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কেবল পানি বা কাপড় দিয়ে এই দাগ মুছলে এর মূল স্তর রয়ে যায়, তাই ব্লিচ ব্যবহারের পরামর্শ
দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পানির সঙ্গে পর্যাপ্ত ব্লিচ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে স্প্রে করার পর নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।এই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে বাথরুমকে মুক্ত রাখতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। গোসল শেষে বাথরুমের দরজা-জানালা খোলা রাখা বা এগজস্ট ফ্যান চালিয়ে ভেন্টিলেশন বাড়াতে হবে। এছাড়া প্রতিবার গোসলের পর জমে থাকা পানি মুছে ফেলা এবং সপ্তাহে অন্তত একবার সাবানের ফেনা ধুয়ে ফেলা উচিত।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত