বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা রাজপথে ছিলাম, রাজপথেই থাকব। কারণ রাজপথে আমাদের মানায়।’
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কৃষকদল আয়োজিত সমাবেশে ও মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা জেল-জুলুম, মামলা-হামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন। অনেকে স্বজন হারিয়েছেন। অনেক রক্তের বিনিময়ে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।’
এই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়েছে। এ সরকার টাকা দিয়ে ভোট কিনে গঠন করা হয়নি।
এ সময় দীর্ঘ আন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মূল্যবোধকে সামনে রেখেই বিএনপির যাত্রা শুরু হয়।
তিনি বলেন, নানা ষড়যন্ত্রের কারণে দলের যাত্রা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে, এমনকি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জীবন দিতে হয়েছে। পরে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্বের শূন্যস্থান পূরণ করে আপসহীন আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের হাত থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন।
গয়েশ্বর রায় বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতি থাকলে ষড়যন্ত্রও থাকবে। বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করার পর এখন ঘরে ফিরে গেছেন- এমন ধারণা থেকে অনেকে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ ধরনের প্রচেষ্টাকে ‘ফলস কল’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাত মাসে পেটের ব্যথা কিন্তু প্রসব বেদনা নয়।’
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আসছেন- এমন ধুয়া তুলে যারা ‘ফটকাবাজি’ ও ‘ধাপ্পাবাজি’ করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, শেখ হাসিনা আসবে বলে যারা ‘ফটকাবাজি’ ও ‘ধাপ্পাবাজি’ করছে, তাদের আটকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের জানমাল ও চলাচলের পথ নিরাপদ রাখার দায়িত্বও সঠিকভাবে পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি নিজেদের হাতে তুলে নিতে চাই না। যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের সঠিকভাবে সেটা প্রয়োগ করতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ দেশের বাইরে আছে, ভেতরেও আছে। দলের মধ্যে বা সরকারের মধ্যে ফ্যাসিবাদের কোন দোসর আছে কি না, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।’
বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথেই থাকবে
বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথেই থাকবে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমরা রাজপথে ছিলাম, রাজপথেই থাকব। কারণ রাজপথে আমাদের মানায়।’ পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কৃষকদল আয়োজিত সমাবেশে ও মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা জেল-জুলুম, মামলা-হামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন। অনেকে স্বজন হারিয়েছেন। অনেক রক্তের বিনিময়ে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।’ এই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়েছে। এ সরকার টাকা দিয়ে ভোট কিনে গঠন
করা হয়নি। এ সময় দীর্ঘ আন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মূল্যবোধকে সামনে রেখেই বিএনপির যাত্রা শুরু হয়। তিনি বলেন, নানা ষড়যন্ত্রের কারণে দলের যাত্রা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে, এমনকি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জীবন দিতে হয়েছে। পরে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্বের শূন্যস্থান পূরণ করে আপসহীন আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের হাত থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন। গয়েশ্বর রায় বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতি থাকলে ষড়যন্ত্রও থাকবে। বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করার পর এখন ঘরে ফিরে গেছেন- এমন ধারণা থেকে অনেকে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ ধরনের প্রচেষ্টাকে ‘ফলস কল’ হিসেবে উল্লেখ করে
তিনি বলেন, ‘সাত মাসে পেটের ব্যথা কিন্তু প্রসব বেদনা নয়।’ তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আসছেন- এমন ধুয়া তুলে যারা ‘ফটকাবাজি’ ও ‘ধাপ্পাবাজি’ করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, শেখ হাসিনা আসবে বলে যারা ‘ফটকাবাজি’ ও ‘ধাপ্পাবাজি’ করছে, তাদের আটকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের জানমাল ও চলাচলের পথ নিরাপদ রাখার দায়িত্বও সঠিকভাবে পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি নিজেদের হাতে তুলে নিতে চাই না। যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের সঠিকভাবে সেটা প্রয়োগ করতে হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ দেশের বাইরে আছে, ভেতরেও আছে। দলের মধ্যে বা সরকারের মধ্যে ফ্যাসিবাদের কোন দোসর আছে কি না, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।’
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত