শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যেও কোটায় নামিয়ে আনতে দেশের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে আগামী বছর থেকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা মূলকভাবে ‘সায়েন্স টয়’ কার্যক্রম চালু করা হবে এবং শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের জন্য আটটি ক্রীড়া কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হবে।
আজ দুপুরে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ক এক কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি সমন্বিত সরকারি মনিটরিং কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বাজেট ও অডিট) মিজ ইসরাত জাহান, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা ও জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি এ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা রংপুরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. আজিজুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুজ্জামানসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৬৩ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
দেশের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে
দেশের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যেও কোটায় নামিয়ে আনতে দেশের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে আগামী বছর থেকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা মূলকভাবে ‘সায়েন্স টয়’ কার্যক্রম চালু করা হবে এবং শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের জন্য আটটি ক্রীড়া কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হবে। আজ দুপুরে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি
মিলনায়তনে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ক এক কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি সমন্বিত সরকারি মনিটরিং কাঠামোর আওতায় আনা হবে। দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির
প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বাজেট ও অডিট) মিজ ইসরাত জাহান, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা ও জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি এ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা রংপুরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. আজিজুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুজ্জামানসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৬৩ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত