রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দুর্নীতির মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ নভেম্বর • সীতাকুণ্ডে এক দিনে ৬৫ দলিল নিবন্ধন, সাবরেজিস্ট্রার রায়হানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ • ইরানের এক-দুটি স্থাপনায় এখনো হামলা চালানো বাকি: ট্রাম্প • রাজশাহী বিআরটিএতে দালাল সিন্ডিকেটের দাপট, ঘুষ ছাড়া মিলছে না সেবা! • মেধার প্রকৃত ও নির্মোহ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে • এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ • এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে অনলাইন ও এসএমএস পদ্ধতিতে • শেখ হাসিনার ফেরা দেশের রাজনীতিতে কি নতুন ঝড়ের সূচনা হবে? • বাস্তাবতাকে স্বীকার করার সৎ সাহস রাজনীতিতে বিরল
দেশের খবর দুর্নীতির মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ নভেম্বর

দুর্নীতির মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ নভেম্বর

 অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি ও মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ২৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী অসুস্থতাজনিত কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ জন্য তিনি সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৩ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন।

শুনানিকালে কারাগারে থাকা শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে আদালতে হাজির করা হয়। আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অন্য তিনজন পলাতক রয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তদন্ত শেষে আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান একজন পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন।

এছাড়া এই আসামি ৯টি ব্যাংক হিসাবে ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা লেনদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ ‘দুর্নীতি ও ঘুষ’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তা রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেন বলে অভিযোগ আনা হয়।

খুঁজুন