বাস্তাবতাকে স্বীকার করার সৎ সাহস এবং নীতির প্রতি অবিচল শ্রদ্ধা--রাজনীতিতে এই দুটি জিনিস এখন বিরল। জাতীয় পার্টি (জাপা) আজ আবারও সেই সাহসিকতার পরিচয় দিল!
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অবস্থান নিলেই দল থেকে সরাসরি বহিষ্কারের যে হুঁশিয়ারি চেয়ারম্যান জি এম কাদের দিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও দূরদর্শী পদক্ষেপ।
আজ এক সম্মেলনে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীও সেই একই সুর বজায় রেখে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন,
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দলের কোনো নেতাকর্মী আপত্তি তুললে কঠোর শাস্তি হিসেবে তাকে বহিষ্কার করা হবে।
আওয়ামী লীগের পক্ষে জাপার এই স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অবস্থানকে আমি নীতি ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার জায়গা থেকে স্বাগত জানাই।
আমি আজ থেকে এক বছর আগেও অসংখ্যবার ব্যারিস্টার পাটোয়ারীর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নিয়ে লিখেছি।
“ভোটের রাজনীতির সাথে জোটের অঙ্কটা আগে মিলাতে হবে।”
মনে রাখা দরকার, আগামীতে রাজপথে যে আন্দোলন, সংগ্রাম, জেল, জুলুম আর হুলিয়ার দিন আসছে--সেখানে বিশ্বস্ত এবং কার্যকরী মিত্র হিসেবে জাপা-কেই আমরা পাশে পাব। এই মুহূর্তে জি এম কাদের সাহেবের সাথে আওয়ামী লীগ প্রধানের রাজনৈতিক বোঝাপড়া অত্যন্ত চমৎকার ও শক্তিশালী।
তাই এখন কৌশলগত কারণেই আমাদের নিজেদের ইগো ভুলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জাপা যেখানে রাজপথে দাঁড়াবে, হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আমাদেরও সেখানেই পাশে দাঁড়িয়ে যেতে হবে।
আপাতদৃষ্টিতে রাজপথে তাদের লোক সমাগম কম মনে হতে পারে, কিন্তু কৌশলগত ও সমীকরণগত দিক থেকে তাদের পূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে যাওয়াটা এখন সময়ের দাবি।
সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে যুগপৎ আন্দোলন ছাড়া মুক্তির আর কোনো দ্বিতীয় বিকল্প পথ নেই l
বাস্তাবতাকে স্বীকার করার সৎ সাহস রাজনীতিতে বিরল
বাস্তাবতাকে স্বীকার করার সৎ সাহস রাজনীতিতে বিরল
বাস্তাবতাকে স্বীকার করার সৎ সাহস এবং নীতির প্রতি অবিচল শ্রদ্ধা--রাজনীতিতে এই দুটি জিনিস এখন বিরল। জাতীয় পার্টি (জাপা) আজ আবারও সেই সাহসিকতার পরিচয় দিল! আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অবস্থান নিলেই দল থেকে সরাসরি বহিষ্কারের যে হুঁশিয়ারি চেয়ারম্যান জি এম কাদের দিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও দূরদর্শী পদক্ষেপ। আজ এক সম্মেলনে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীও সেই একই সুর বজায় রেখে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন,আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দলের কোনো নেতাকর্মী আপত্তি তুললে কঠোর শাস্তি হিসেবে তাকে
বহিষ্কার করা হবে। আওয়ামী লীগের পক্ষে জাপার এই স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অবস্থানকে আমি নীতি ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার জায়গা থেকে স্বাগত জানাই। আমি আজ থেকে এক বছর আগেও অসংখ্যবার ব্যারিস্টার পাটোয়ারীর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নিয়ে লিখেছি।“ভোটের রাজনীতির সাথে জোটের অঙ্কটা আগে মিলাতে হবে।” মনে রাখা দরকার, আগামীতে রাজপথে যে আন্দোলন, সংগ্রাম, জেল, জুলুম আর হুলিয়ার দিন আসছে--সেখানে বিশ্বস্ত এবং কার্যকরী মিত্র হিসেবে জাপা-কেই আমরা পাশে পাব। এই মুহূর্তে জি এম কাদের সাহেবের সাথে আওয়ামী লীগ প্রধানের রাজনৈতিক
বোঝাপড়া অত্যন্ত চমৎকার ও শক্তিশালী। তাই এখন কৌশলগত কারণেই আমাদের নিজেদের ইগো ভুলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জাপা যেখানে রাজপথে দাঁড়াবে, হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আমাদেরও সেখানেই পাশে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। আপাতদৃষ্টিতে রাজপথে তাদের লোক সমাগম কম মনে হতে পারে, কিন্তু কৌশলগত ও সমীকরণগত দিক থেকে তাদের পূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে যাওয়াটা এখন সময়ের দাবি। সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে যুগপৎ আন্দোলন ছাড়া মুক্তির আর কোনো দ্বিতীয় বিকল্প পথ নেই l
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত