চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সাবরেজিস্ট্রি অফিসে এক দিনে ৬৫টি জমির বিক্রয় দলিল নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বদলির আদেশ পাওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে যোগদানের আগেই এসব দলিল নিবন্ধন করেন সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীব। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নিবন্ধন করা জমিগুলোর মালিকানা ছিল জঙ্গল সলিমপুরের আলোচিত ব্যক্তি মো. ইয়াসিনের নামে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত ও একাধিক মামলার আসামি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁর নামে থাকা বিপুল পরিমাণ জমি এক দিনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরের দলিল নিবন্ধন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, শতকোটি টাকা মূল্যের এসব জমির দলিল নিবন্ধনের পেছনে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। তবে দুই কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন; এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।
বদলির আদেশের পরদিনই ৬৫ দলিল নিবন্ধন
সীতাকুণ্ড সাবরেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বদলি করা হয়। বৃহস্পতিবারের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর।
কিন্তু নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার আগের দিন বুধবার ইয়াসিনের নামে থাকা ৬৫টি জমির বিক্রয় দলিল নিবন্ধন করেন তিনি। এক দিনে এত বিপুলসংখ্যক দলিল নিবন্ধনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনায় সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবের বিরুদ্ধে দুই কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে। তবে অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
ইয়াসিনের নামে বিপুল সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে বিভিন্ন ভূমি দখলকারী ও অপরাধী গোষ্ঠীর তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে আলোচিত ইয়াসিনের বিরুদ্ধে সরকারি খাসজমি দখল এবং বিভিন্ন কৌশলে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে। সাবরেজিস্ট্রি অফিস সূত্রের দাবি, এসব জমির কিছু অংশ তাঁর নামে বিএস রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছিল। গত কয়েক মাস ধরে জমিগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা চলছিল।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, ইয়াসিন নিজে উপস্থিত হয়ে দলিল সম্পাদন করেছেন, নাকি তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রতিনিধির মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো পদ্ধতিতে নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৬৫টি দলিল নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন। পরে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে জমিগুলোর বিক্রয় দলিল নিবন্ধন করা হয়।
তদন্ত শুরু, বদলির আদেশ স্থগিত
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। গত বুধবার চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বদলির আদেশ সাত দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এদিকে সীতাকুণ্ডের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলামও তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক জানিয়েছেন, জমি হস্তান্তরের প্রকৃত পরিমাণ, দলিলগ্রহীতাদের পরিচয়, সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা এবং দলিল সম্পাদনের সময় দাতার উপস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, বিষয়টি জানার পর মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সাবরেজিস্ট্রি অফিসের বক্তব্য
এ বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবের বক্তব্য জানতে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর কার্যালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তবে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সহকারী সিরাজউদ্দিন দাবি করেছেন, জমির কাগজপত্রে নামজারি ও খাজনা হালনাগাদ থাকায় এবং সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় নিয়ম মেনেই দলিলগুলো নিবন্ধন করা হয়েছে।
জঙ্গল সলিমপুরে আগের সহিংসতার ঘটনাও আলোচনায়
জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরেই জমি দখল ও সংঘাতের অভিযোগে আলোচিত। গত ১৯ জানুয়ারি আসামি ধরতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার মুখে পড়ে র্যাবের একটি দল। ওই ঘটনায় র্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক নায়েক সুবেদার মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন।
এ ছাড়া গত ২৪ মে গভীর রাতে নির্মাণাধীন র্যাব ও যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের গুলিবিনিময় হয় বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এসব ঘটনায় ইয়াসিনকে প্রধান আসামি করে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সব মিলিয়ে ৬৫টি দলিল নিবন্ধনের বৈধতা, জমির মালিকানা, দলিল সম্পাদনের সময় বিক্রেতার উপস্থিতি এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। তদন্তে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সীতাকুণ্ডে এক দিনে ৬৫ দলিল নিবন্ধন, সাবরেজিস্ট্রার রায়হানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ
সীতাকুণ্ডে এক দিনে ৬৫ দলিল নিবন্ধন, সাবরেজিস্ট্রার রায়হানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সাবরেজিস্ট্রি অফিসে এক দিনে ৬৫টি জমির বিক্রয় দলিল নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বদলির আদেশ পাওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে যোগদানের আগেই এসব দলিল নিবন্ধন করেন সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীব। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিবন্ধন করা জমিগুলোর মালিকানা ছিল জঙ্গল সলিমপুরের আলোচিত ব্যক্তি মো. ইয়াসিনের নামে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত ও একাধিক মামলার আসামি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁর নামে থাকা বিপুল পরিমাণ জমি এক দিনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরের দলিল নিবন্ধন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, শতকোটি টাকা মূল্যের এসব জমির দলিল নিবন্ধনের পেছনে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। তবে দুই কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন; এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। বদলির আদেশের পরদিনই ৬৫ দলিল নিবন্ধন সীতাকুণ্ড সাবরেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বদলি করা হয়। বৃহস্পতিবারের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার আগের দিন বুধবার ইয়াসিনের নামে থাকা ৬৫টি জমির বিক্রয় দলিল নিবন্ধন করেন তিনি। এক দিনে এত বিপুলসংখ্যক দলিল নিবন্ধনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবের বিরুদ্ধে দুই কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে। তবে অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। ইয়াসিনের নামে বিপুল সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন জেলা
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে বিভিন্ন ভূমি দখলকারী ও অপরাধী গোষ্ঠীর তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত ইয়াসিনের বিরুদ্ধে সরকারি খাসজমি দখল এবং বিভিন্ন কৌশলে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে। সাবরেজিস্ট্রি অফিস সূত্রের দাবি, এসব জমির কিছু অংশ তাঁর নামে বিএস রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছিল। গত কয়েক মাস ধরে জমিগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা চলছিল। এখন প্রশ্ন উঠেছে, ইয়াসিন নিজে উপস্থিত হয়ে দলিল সম্পাদন করেছেন, নাকি তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রতিনিধির মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো পদ্ধতিতে নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৬৫টি দলিল নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন। পরে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে জমিগুলোর বিক্রয় দলিল নিবন্ধন করা হয়। তদন্ত শুরু, বদলির আদেশ স্থগিত ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। গত বুধবার চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বদলির আদেশ সাত দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এদিকে সীতাকুণ্ডের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলামও তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক জানিয়েছেন, জমি হস্তান্তরের প্রকৃত পরিমাণ, দলিলগ্রহীতাদের পরিচয়, সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা এবং দলিল সম্পাদনের সময় দাতার উপস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে। জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, বিষয়টি জানার পর মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাবরেজিস্ট্রি অফিসের বক্তব্য এ বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রার রায়হান হাবীবের বক্তব্য জানতে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর কার্যালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সহকারী সিরাজউদ্দিন দাবি করেছেন, জমির কাগজপত্রে নামজারি ও খাজনা হালনাগাদ থাকায় এবং সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় নিয়ম মেনেই দলিলগুলো নিবন্ধন করা হয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরে আগের সহিংসতার ঘটনাও আলোচনায় জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরেই জমি দখল ও সংঘাতের অভিযোগে আলোচিত। গত ১৯ জানুয়ারি আসামি ধরতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার মুখে পড়ে র্যাবের একটি দল। ওই ঘটনায় র্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক নায়েক সুবেদার মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। এ ছাড়া গত ২৪ মে গভীর রাতে নির্মাণাধীন র্যাব ও যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের গুলিবিনিময় হয় বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এসব ঘটনায় ইয়াসিনকে প্রধান আসামি করে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৫টি দলিল নিবন্ধনের বৈধতা, জমির মালিকানা, দলিল সম্পাদনের সময় বিক্রেতার উপস্থিতি এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। তদন্তে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত