শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়ার নতুন আইন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ।
ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপলের সাবেক প্রধান নির্বাহী টিম কুকের সঙ্গে বৈঠকের পর রোববার তিনি এ কথা জানান ।
শনিবার প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের সদর দপ্তরে কুকের সঙ্গে বৈঠকের পর আলবানিজ বলেন, শিশুদের ইন্টারনেটের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে ‘অস্ট্রেলিয়া একা এটি করতে পারবে না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘অনলাইনে ক্ষতির হাত থেকে শিশুদের সুরক্ষায় আমরা কী করছি এবং সামনে কী কাজ বাকি রয়েছে, তা নিয়ে আমরা কথা বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘অনলাইনে অস্ট্রেলীয়দের নিরাপদ রাখতে আমরা আরও কঠোর নিয়ম চালু করছি। আর এখন অ্যাপলের মতো বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোও এগিয়ে আসছে।’
কুকও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, শিশুদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে সহায়তার জন্য অ্যাপলের নতুন ‘শক্তিশালী ও সহজে ব্যবহারযোগ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ নিয়ে তিনি আলবানিজকে জানিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া গত বছর ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি আইন কার্যকর করে।
অনলাইনে শিশুদের হয়রানি ও ‘শিশুদের লক্ষ্য করে ক্ষতিকরভাবে কাজ করা অ্যালগরিদম’ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই পদক্ষেপকে বিশ্বে প্রথম ধরনের কঠোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়।
চলতি মাসে প্রকাশিত নতুন খসড়া আইনে ফেসবুক, টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মালিক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ‘ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার প্রতি যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব’ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া ব্যবহারকারীরা চাইলে এসব প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম বন্ধ করে দেওয়ার সুযোগ রাখারও প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে গত মাসের তথ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুরা ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ ব্যবহার আরও বাড়িয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানি, সংশ্লিষ্ট শিল্প সংগঠন ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা শেষে চলতি বছরের শেষ দিকে খসড়া আইনটি পার্লামেন্টে তোলা হবে।
জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন আলবানিজ। সফরের সময় তিনি এআইয়ের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের পক্ষেও কথা বলছেন।
এর আগে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারাও এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
আলবানিজ জানান, অস্ট্রেলিয়া বছরের শেষ নাগাদ এআই ব্যবহারের জন্য নতুন কিছু মানদণ্ড বা বিধিমালা চালু করবে।
জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবিসিকে তিনি বলেন, ‘ঝুঁকি হলো, এআই এমনভাবে বিকশিত হতে পারে, যেখানে এআই কী তৈরি করছে তার ওপর মানুষের আর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে আমরা নিশ্চিত করব যে নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকবে, প্রযুক্তি যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণ না করে?’
এআই নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সহায়তা চান অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী
এআই নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সহায়তা চান অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী
শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়ার নতুন আইন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপলের সাবেক প্রধান নির্বাহী টিম কুকের সঙ্গে বৈঠকের পর রোববার তিনি এ কথা জানান । শনিবার প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের সদর দপ্তরে কুকের সঙ্গে বৈঠকের পর আলবানিজ বলেন, শিশুদের ইন্টারনেটের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে ‘অস্ট্রেলিয়া একা এটি করতে পারবে না।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘অনলাইনে ক্ষতির হাত থেকে শিশুদের সুরক্ষায় আমরা কী করছি এবং সামনে কী কাজ বাকি রয়েছে, তা নিয়ে আমরা কথা বলেছি।’ তিনি বলেন, ‘অনলাইনে অস্ট্রেলীয়দের নিরাপদ রাখতে আমরা আরও কঠোর নিয়ম চালু করছি। আর এখন অ্যাপলের মতো বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোও এগিয়ে আসছে।’ কুকও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, শিশুদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে সহায়তার
জন্য অ্যাপলের নতুন ‘শক্তিশালী ও সহজে ব্যবহারযোগ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ নিয়ে তিনি আলবানিজকে জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া গত বছর ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি আইন কার্যকর করে। অনলাইনে শিশুদের হয়রানি ও ‘শিশুদের লক্ষ্য করে ক্ষতিকরভাবে কাজ করা অ্যালগরিদম’ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই পদক্ষেপকে বিশ্বে প্রথম ধরনের কঠোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়। চলতি মাসে প্রকাশিত নতুন খসড়া আইনে ফেসবুক, টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মালিক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ‘ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার প্রতি যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব’ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যবহারকারীরা চাইলে এসব প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম বন্ধ করে দেওয়ার সুযোগ রাখারও প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে গত মাসের তথ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুরা ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ ব্যবহার আরও বাড়িয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানি, সংশ্লিষ্ট শিল্প সংগঠন ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা শেষে চলতি বছরের শেষ দিকে খসড়া আইনটি পার্লামেন্টে তোলা হবে। জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন আলবানিজ। সফরের সময় তিনি এআইয়ের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের পক্ষেও কথা বলছেন। এর আগে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারাও এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। আলবানিজ জানান, অস্ট্রেলিয়া বছরের শেষ নাগাদ এআই ব্যবহারের জন্য নতুন কিছু মানদণ্ড বা বিধিমালা চালু করবে। জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবিসিকে তিনি বলেন, ‘ঝুঁকি হলো, এআই এমনভাবে বিকশিত হতে পারে, যেখানে এআই কী তৈরি করছে তার ওপর মানুষের আর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে আমরা নিশ্চিত করব যে নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকবে, প্রযুক্তি যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণ না করে?’
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত