বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
যৌন হয়রানি সংক্রান্ত অভিযোগ আমলে না নিলে ব্যবস্থা নেবে ইউজিসি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে আহবায়ক করে জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল কার্যক্রমে ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালক আরশাদ উল্লাহ ও তার স্ত্রীর বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা নাটোরে চলনবিলে জব্দকৃত অবৈধ জাল ধ্বংস এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে সোসিয়েদাদকে উড়িয়ে দিল রিয়াল গত ১৭ বছরে নারীর প্রতি সহিংসতা সবচেয়ে বেশি হয়েছে: ড. তিতুমীর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যে খুশি স্টিভ ওয়াহ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ড্র : লিগ পর্বের সিডিং পট চূড়ান্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দৃশ্যমান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক একাধিক শয্যাসঙ্গী রাখা নারীরা কেমন

একাধিক শয্যাসঙ্গী রাখা নারীরা কেমন

যেসব নারীর একাধিক শয্যাসঙ্গী ছিল বা একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন, এমন কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে চান না অধিকাংশ তরুণ। তবে, একাধিক শয্যাসঙ্গী থাকা পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ তরুণীর। সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

জার্মানিতে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এক হাজার তরুণ ও এক হাজার নারীর মতামতের ভিত্তিতে এই জরিপ চালিয়েছে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল। মতামত নেওয়া হয়েছে অনলাইনে। এই জরিপের ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে আঞ্চলিক সংবাদপত্র ওয়েস্টডয়েচে অ্যালজেমাইন জেতুংয়ে।

জরিপে উঠে আসা সবচেয়ে উদ্বেগজাগানিয়া তথ্যটি হলো, দেশটির এক-তৃতীয়াংশ তরুণ নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন।

৩৪ শতাংশ তরুণ স্বীকার করেছেন, তারা অতীতে নারী সঙ্গীর প্রতি সহিংস আচরণ করেছিলেন। নিজেদের প্রতি সম্মানবোধ জাগিয়ে তুলতে সঙ্গীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন তারা।

৩৩ শতাংশ তরুণ মনে করেন, নারী সঙ্গীর সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের সময় যদি তাদের গায়ে হাত তোলা হয়, তাহলে সেটি গ্রহণযোগ্য।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক প্রত্যাশার বিষয়ে নারী ‍ও পুরুষদের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে এই জরিপের ফলাফলে। ৫২ শতাংশ তরুণ চান, পরিবারের বেশিরভাগ অর্থ তারা উপার্জন করবেন এবং শিশুদের দেখভালসহ পরিবারের অন্যান্য কাজ করবেন নারীরা।

তবে দুই-তৃতীয়াংশ নারীই এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তারা সমান অংশীদারত্ব এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অধিকারের ভাগাভাগি চান।

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ৪৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, তারা প্রকাশ্যে সমকামী আচরণকে অপছন্দ করেন।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল জার্মানির এই জরিপের ফলাফলে উঠে আসা তথ্যগুলোকে বেদনাদায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছে ফেডারেল অর্গানাইজেশন ফর ইক্যুয়ালিটি নামে একটি জার্মান অধিকার সংগঠন। তাদের মতে, প্রতি তিন তরুণের একজন নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন, এটি দ্রুত পরিবর্তন হওয়া দরকার।

জার্মানির ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশের তথ্য বলছে, দেশটিতে ২০২১ সালে অন্তত ১ লাখ ১৫ হাজার নারী তাদের সঙ্গীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফেমিসাইডের (নারী হওয়ার কারণে হত্যা) হারেও ওপরের দিকে রয়েছে জার্মানি। করোনাভাইরাস মহামারির সময় এই সমস্যা আরও বেড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে জার্মান পুলিশ।

সূত্র: সিএনএন

খুঁজুন