অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট ১-১ সমতায় শেষ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে এসে, সিরিজের প্রথম টেস্টেই জয় পায় টাইগাররা। যা অসিদের বিপক্ষে টেস্টে প্রথম জয় বাংলাদেশের। টেস্টে বাংলাদেশের উন্নতিতে মুগ্ধ হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ।
পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন ওয়াহ। তার মতে, বর্তমান বিশ্বে টি-টোয়েন্টির জনপ্রিয়তা টেস্ট ক্রিকেটকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
২০০৩ সালের পর চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামে বাংলদেশ। ডারউইনে প্রথম টেস্টের ১১ সেশনে দাপট দেখিয়ে ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪২৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। এতে প্রথম ইনিংস থেকে ২২৮ রানের লিড পায় টাইগাররা। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে আটকে রেখে ৫৭ রানের সহজ জয়ের লক্ষ্য ছুঁয়ে ঐতিহাসিক জয়ের স্বাদ পায় নাজমুল হোসেন শান্ত।
প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করলেও, ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে মাত্র দু’দিনে ইনিংস ও ৫১ রানের ব্যবধানে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ। তারপরও বাংলাদেশের পারফরমেন্সে খুশি ওয়াহ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের টেস্ট পারফরমেন্স নিয়ে ওয়াহ বলেন, ‘এটি সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফল এবং টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটি সবচেয়ে বড় সর্তকবার্তা। তবে বাংলাদেশের এমন ভালো পারফরমেন্স করতে দেখাটা দারুণ ব্যাপার।’
১৬৮ টেস্টে ১০,৯২০ রান করা ওয়াহ আরও বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের পারিশ্রমিকও সবার জন্য একই রকম রাখতে হবে। শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটাররা যেন একই অর্থ পায়, যা ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা পায়।’
আগের টেস্ট ক্রিকেটের সাথে এখনকার খেলার ধরনে অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন ওয়াহ। তিনি বলেন, ‘কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে থেকে লড়াই করার মানসিকতা এখন আর টেস্ট ক্রিকেটে দেখা যায় না। ধৈর্য্য নিয়ে উইকেটে টিকে থেকে বড় রান করাই হল টেস্ট ক্রিকেট। টেস্ট ক্রিকেটে কখনো শুধু উইকেটে পড়বে, তিন-চারটি মেডেন ওভার খেলতে হবে এবং রান করার জন্য লড়াই করতে হবে। এটি এখনকার ধারা বা মানসিকতার বিপরীত। এ বিষয় এখন কিছুটা হারিয়ে গেছে। তাই টেস্ট ক্রিকেটে কিভাবে এটি করতে হয়, সেটি আবার শিখতে হবে।’
পাঁচ দিনের এই ফরম্যাটকে টিকিয়ে রাখার জন্য আলাদা সময় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ৬১ বছর বয়সী ওয়াহ। তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নির্দিষ্ট সময় বা ‘উইন্ডো’ তৈরি করতে হবে। কিন্তু এ কাজটি মোটেও সহজ নয়। টি-টোয়েন্টির যুগে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আলাদা সময় বের করতে আলাদা দক্ষতার প্রয়োজন।’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যে খুশি স্টিভ ওয়াহ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যে খুশি স্টিভ ওয়াহ
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট ১-১ সমতায় শেষ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে এসে, সিরিজের প্রথম টেস্টেই জয় পায় টাইগাররা। যা অসিদের বিপক্ষে টেস্টে প্রথম জয় বাংলাদেশের। টেস্টে বাংলাদেশের উন্নতিতে মুগ্ধ হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন ওয়াহ। তার মতে, বর্তমান বিশ্বে টি-টোয়েন্টির জনপ্রিয়তা টেস্ট ক্রিকেটকে হুমকির মুখে ফেলেছে। ২০০৩ সালের পর চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামে বাংলদেশ। ডারউইনে প্রথম টেস্টের ১১ সেশনে দাপট দেখিয়ে ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪২৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। এতে প্রথম ইনিংস থেকে ২২৮ রানের লিড পায় টাইগাররা। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে আটকে রেখে ৫৭
রানের সহজ জয়ের লক্ষ্য ছুঁয়ে ঐতিহাসিক জয়ের স্বাদ পায় নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করলেও, ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে মাত্র দু’দিনে ইনিংস ও ৫১ রানের ব্যবধানে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ। তারপরও বাংলাদেশের পারফরমেন্সে খুশি ওয়াহ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের টেস্ট পারফরমেন্স নিয়ে ওয়াহ বলেন, ‘এটি সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফল এবং টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটি সবচেয়ে বড় সর্তকবার্তা। তবে বাংলাদেশের এমন ভালো পারফরমেন্স করতে দেখাটা দারুণ ব্যাপার।’ ১৬৮ টেস্টে ১০,৯২০ রান করা ওয়াহ আরও বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের পারিশ্রমিকও সবার জন্য একই রকম রাখতে হবে। শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটাররা যেন একই অর্থ পায়, যা ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা পায়।’ আগের টেস্ট ক্রিকেটের সাথে এখনকার খেলার ধরনে অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন ওয়াহ। তিনি বলেন,
‘কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে থেকে লড়াই করার মানসিকতা এখন আর টেস্ট ক্রিকেটে দেখা যায় না। ধৈর্য্য নিয়ে উইকেটে টিকে থেকে বড় রান করাই হল টেস্ট ক্রিকেট। টেস্ট ক্রিকেটে কখনো শুধু উইকেটে পড়বে, তিন-চারটি মেডেন ওভার খেলতে হবে এবং রান করার জন্য লড়াই করতে হবে। এটি এখনকার ধারা বা মানসিকতার বিপরীত। এ বিষয় এখন কিছুটা হারিয়ে গেছে। তাই টেস্ট ক্রিকেটে কিভাবে এটি করতে হয়, সেটি আবার শিখতে হবে।’ পাঁচ দিনের এই ফরম্যাটকে টিকিয়ে রাখার জন্য আলাদা সময় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ৬১ বছর বয়সী ওয়াহ। তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নির্দিষ্ট সময় বা ‘উইন্ডো’ তৈরি করতে হবে। কিন্তু এ কাজটি মোটেও সহজ নয়। টি-টোয়েন্টির যুগে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আলাদা সময় বের করতে আলাদা দক্ষতার প্রয়োজন।’
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত