দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে শরীয়তপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম এনামুল হক শামীম ও তার স্ত্রী মোসা. তাহমিনা খাতুনের নামে থাকা চারটি ব্যাংক হিসাব, দুটি বিও হিসাব ও দুটি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, এ কে এম এনামুল হক শামীম এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অনুসন্ধানকালে শামীম ও তার স্ত্রী তাহমিনা খাতুনের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্রের তথ্য পাওয়া যায়।
এর মধ্যে এনামুল হক শামীমের নামে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি, ধানমন্ডি শাখা এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, দিলকুশা শাখায় দুটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। তাহমিনা খাতুনের নামে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি, ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখা এবং ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসি, ধানমন্ডি শাখায় দুটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।
এছাড়া তাহমিনা খাতুনের নামে সিনহা সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও এনবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে দুটি বিও হিসাব এবং জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে নিবন্ধিত দুটি পরিবার সঞ্চয়পত্র রয়েছে।
দুদক জানায়, অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্র থেকে অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ স্থানান্তর বা বেহাত হয়ে গেলে পরবর্তীতে অর্থ উদ্ধার করা দুরূহ হয়ে পড়তে পারে।
এ কারণে অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর ও হস্তান্তর ঠেকাতে এসব ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্র অবিলম্বে ফ্রিজ করার আবেদন জানায় দুদক। শুনানি শেষে আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এসব অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধের আদেশ দেন।
এনামুল হক শামীম ও স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্র ফ্রিজের আদেশ
এনামুল হক শামীম ও স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্র ফ্রিজের আদেশ
দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে শরীয়তপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম এনামুল হক শামীম ও তার স্ত্রী মোসা. তাহমিনা খাতুনের নামে থাকা চারটি ব্যাংক হিসাব, দুটি বিও হিসাব ও দুটি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, এ কে এম এনামুল হক শামীম এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অনুসন্ধানকালে শামীম ও তার স্ত্রী তাহমিনা খাতুনের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্রের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে এনামুল হক শামীমের নামে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি, ধানমন্ডি শাখা এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, দিলকুশা শাখায় দুটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। তাহমিনা খাতুনের নামে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি, ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখা এবং ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসি, ধানমন্ডি শাখায় দুটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এছাড়া তাহমিনা খাতুনের নামে সিনহা সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও এনবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে দুটি বিও হিসাব এবং জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে নিবন্ধিত দুটি
পরিবার সঞ্চয়পত্র রয়েছে। দুদক জানায়, অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্র থেকে অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ স্থানান্তর বা বেহাত হয়ে গেলে পরবর্তীতে অর্থ উদ্ধার করা দুরূহ হয়ে পড়তে পারে। এ কারণে অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর ও হস্তান্তর ঠেকাতে এসব ব্যাংক হিসাব, বিও হিসাব ও সঞ্চয়পত্র অবিলম্বে ফ্রিজ করার আবেদন জানায় দুদক। শুনানি শেষে আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এসব অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধের আদেশ দেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত