প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত যথাযথ যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
তিনি আরও বলেছেন, বৃক্ষরোপণ করার চেয়ে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে গাছের নিয়মিত পরিচর্যা করা আরও কঠিন। বিশেষ করে তালগাছ, কেননা প্রকৃতিগতভাবেই এই গাছের রক্ষণাবেক্ষণে বাড়তি যত্ন প্রয়োজন।
আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে ক্রমবর্ধমান বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় তালগাছ রোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, তালগাছ রোপণ করার এ কর্মসূচিটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। তবে শুধু তালগাছ নয়, অন্যান্য প্রজাতির গাছও ব্যাপকভাবে রোপণ করতে হবে। আর গাছ লাগানোর পর সেগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে তালগাছ রোপণ করার পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে রোপণের জন্য তা বিতরণ করা হচ্ছে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। আমরা সবাই মিলে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করবো। এতে পরিবেশ বাঁচবে,সেইসঙ্গে বাঁচবে মানুষ ও পশু-পাখি।’
রাজনীতি করার কারণে দীর্ঘ সময় রাজশাহী কারাগারে ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, যখন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলাম তখন কারাগার প্রাঙ্গণে বহু গাছ লাগিয়ে ছিলাম। সেই গাছগুলো এখন অনেক বড় হয়েছে, এর ছায়ার নিচে হাজতি ও কয়েদিরা বিশ্রাম করেন। এসব গাছে এখন শত শত পাখি আশ্রয় নিচ্ছে।
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে প্রকৃতিকে বাঁচাতে তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।
এরপর মন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে একটি তালগাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার ফয়সাল আলম এবং সিটি কর্পোরেশনের সচিব সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে তালগাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।
গাছ রোপণের পাশাপাশি এর পরিচর্যায়ও গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী
গাছ রোপণের পাশাপাশি এর পরিচর্যায়ও গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত যথাযথ যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি আরও বলেছেন, বৃক্ষরোপণ করার চেয়ে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে গাছের নিয়মিত পরিচর্যা করা আরও কঠিন। বিশেষ করে তালগাছ, কেননা প্রকৃতিগতভাবেই এই গাছের রক্ষণাবেক্ষণে বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে ক্রমবর্ধমান বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় তালগাছ রোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভূমিমন্ত্রী বলেন, তালগাছ রোপণ করার এ কর্মসূচিটি অত্যন্ত
সময়োপযোগী। তবে শুধু তালগাছ নয়, অন্যান্য প্রজাতির গাছও ব্যাপকভাবে রোপণ করতে হবে। আর গাছ লাগানোর পর সেগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে তালগাছ রোপণ করার পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে রোপণের জন্য তা বিতরণ করা হচ্ছে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। আমরা সবাই মিলে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করবো। এতে পরিবেশ বাঁচবে,সেইসঙ্গে বাঁচবে মানুষ ও পশু-পাখি।’ রাজনীতি করার কারণে দীর্ঘ সময় রাজশাহী কারাগারে ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, যখন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলাম তখন কারাগার প্রাঙ্গণে বহু গাছ লাগিয়ে ছিলাম। সেই গাছগুলো এখন
অনেক বড় হয়েছে, এর ছায়ার নিচে হাজতি ও কয়েদিরা বিশ্রাম করেন। এসব গাছে এখন শত শত পাখি আশ্রয় নিচ্ছে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে প্রকৃতিকে বাঁচাতে তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান। এরপর মন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে একটি তালগাছের চারা রোপণ করেন। অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার ফয়সাল আলম এবং সিটি কর্পোরেশনের সচিব সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে তালগাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত