মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
ব্যবসা বাড়াতে ‘যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া • বছর শেষে ইসরায়েলকে সাহায্য বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প • ঢাকায় রাতের তাপমাত্রা যেমন থাকবে • গবেষণা নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি ‘বিভ্রান্তিমূলক’: টিআইবি • ফ্রিদা কাহলো: যন্ত্রণার ক্যানভাসে এক বিদ্রোহী জীবন • জনরোষ এড়াতে ডেটা সেন্টারের নাম বদলাচ্ছে ওপেনএআই • সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা • গ্রেপ্তার হওয়া ৪০ জনের কেউই শ্রমিক নন: ঢাকা ডিআইজি • ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু • উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে: বিশ্ব ব্যাংক
রাজনীতি গবেষণা নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি ‘বিভ্রান্তিমূলক’: টিআইবি

গবেষণা নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি ‘বিভ্রান্তিমূলক’: টিআইবি

রাজনীতি ডেস্ক: রাজনৈতিক দলের সুশাসন নিয়ে প্রকাশিত টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন সম্পর্কে জামায়াতে ইসলামীর দেওয়া বক্তব্যকে বিভ্রান্তিমূলক ও সত্যের অপলাপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ওই গবেষণা নিয়ে জামায়াত সেক্রেটারির বিবৃতির ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে জামায়াত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করায় তাদের সাধুবাদও জানিয়েছে সংস্থাটি।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও ১৯৭২ অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সব স্তরের কমিটিতে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর প্রকাশিত ২০২৩-২৫ সেশনের ১৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী সদস্য রাখা হয়নি। টিআইবি জানিয়েছে, তাদের এই গবেষণাটি শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বা জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে।

এর জবাবে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, তাদের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও মজলিসে শুরায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী সদস্য রয়েছেন এবং দলটিতে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ নারী সদস্য রয়েছে। তবে টিআইবি জানিয়েছে, নারীদের জন্য স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে মূল নির্বাহী পরিষদে তাদের না রাখা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে নারীদের অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়টি শুভঙ্করের ফাঁকি ছাড়া কিছু নয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এছাড়া দলটির গঠনতন্ত্রের কিছু ধারা সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে। অপ্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যবহার করে দলের প্রকৃত রাজনৈতিক চর্চা আড়াল করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

সবশেষে টিআইবি জানিয়েছে, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলের উচিত এই গবেষণা প্রতিবেদনটিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা। উত্থাপিত সুপারিশগুলো আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করার আহ্বান জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী এই সংস্থাটি।

খুঁজুন