রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ই-রিকশার আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অটোরিকশাচালকদের হাতে নিবন্ধন ফরম তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এই নিবন্ধন আবেদন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে একশ টাকা। তবে সিটি করপোরেশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কেবল ফরম সংগ্রহ বা জমা দিলেই গাড়ি চালানোর অনুমতি মিলবে না। দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে ধীরগতির এই যানগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর বুয়েটের কারিগরি ছাড়পত্র নিতে হবে এবং নির্ধারিত ওয়ার্কশপেই এসব গাড়ি তৈরি করতে হবে। এছাড়া ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য থানা কিংবা ওয়ার্ডভিত্তিক চার্জিং পয়েন্ট স্থাপন করা হবে। কোন এলাকায় ঠিক কতটি ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে, তা পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন নির্ধারণ করে দেবে। এর আগে দেশের তেরোটি সিটি করপোরেশনে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়, যার মাধ্যমে যানগুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানান যে দীর্ঘদিন ধরে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ই-রিকশাগুলো চলাচল করে আসছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে এসব যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণ এবং চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করে এই নিবন্ধনের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর এসংক্রান্ত বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। ফলে এই যানগুলোর নিবন্ধন শুরু করতে আইনি কোনো বাধা অবশিষ্ট নেই। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অনিয়ন্ত্রিত যানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা এবং এর মাধ্যমে নগর পরিবহনে দীর্ঘমেয়াদী সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু
ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু
রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ই-রিকশার আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অটোরিকশাচালকদের হাতে নিবন্ধন ফরম তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এই নিবন্ধন আবেদন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে একশ টাকা। তবে সিটি করপোরেশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কেবল ফরম সংগ্রহ বা জমা দিলেই গাড়ি চালানোর অনুমতি মিলবে না। দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে ধীরগতির এই যানগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের
পর বুয়েটের কারিগরি ছাড়পত্র নিতে হবে এবং নির্ধারিত ওয়ার্কশপেই এসব গাড়ি তৈরি করতে হবে। এছাড়া ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য থানা কিংবা ওয়ার্ডভিত্তিক চার্জিং পয়েন্ট স্থাপন করা হবে। কোন এলাকায় ঠিক কতটি ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে, তা পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন নির্ধারণ করে দেবে। এর আগে দেশের তেরোটি সিটি করপোরেশনে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়, যার মাধ্যমে যানগুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানান যে দীর্ঘদিন ধরে
কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ই-রিকশাগুলো চলাচল করে আসছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে এসব যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণ এবং চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করে এই নিবন্ধনের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর এসংক্রান্ত বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। ফলে এই যানগুলোর নিবন্ধন শুরু করতে আইনি কোনো বাধা অবশিষ্ট নেই। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অনিয়ন্ত্রিত যানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা এবং এর মাধ্যমে নগর পরিবহনে দীর্ঘমেয়াদী সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত