সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ • বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস • ঢাকার বস্তিতে যক্ষ্মা স্ক্রিনিংয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে জাপান • আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায়
আন্তর্জাতিক ইরানকে প্রতিরোধে একজোট আরব দেশগুলো

ইরানকে প্রতিরোধে একজোট আরব দেশগুলো

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে ইরান। নতুন করে শুরু হওয়া এই হামলায় লক্ষ্যবস্তু হয়েছে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান। অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি বিদ্যমান অবস্থায় হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় স্থিতিশীলতার পথ সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। অঞ্চলজুড়ে ঘনীভূত হচ্ছে বড় সংঘাতের শঙ্কাও। এমন উদ্বেগের মধ্যে ইরানি হামলা প্রতিহত করতে একজোট হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো। খবর গালফ নিউজের। উপসাগরীয় দেশগুলো জোট জিসিসি সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে সৌদি আরব ও কাতারের তেলবাহী ট্যাংকারে, বাহরাইন ও কয়েতে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। এই হামলাকে আন্তর্জাতিক নৌচালাচল স্বাধীনতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর অগ্রহণযোগ্য আঘাত হিসেবে আখ্যাও দিয়েছি জোটটি। জিসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলার মধ্যে রয়েছে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এক বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় সৌদি আরবের ট্যাংকার ‘ওয়াদিয়ান’ ও কাতারের ট্যাংকার ‘আল রেকায়াত’-কে লক্ষ্য করে চালানো ইরানি হামলা নাবিকদের জীবন বিপন্ন করেছে। একই সঙ্গে বাহরাইন ও কুয়েতের ওপর ইরানের উপর্যুপরি হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮১৭ নম্বর প্রস্তাবের গুরুতর লঙ্ঘন। এই প্রস্তাবটি সমুদ্রপথে নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা দেয়। এ ছাড়া এই হামলা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারককেও লঙ্ঘন করেছে বলে উল্লেখ করেছে জিসিসি। হামলা মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পূর্ণ সংহতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট সংগঠনটি। জোটের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়, উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা অবিচ্ছেদ্য। জিসিসি সনদ ও যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে, যে কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর হামলাকে পুরো জোটের ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। জাতিসংঘের সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় যে কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার জিসিসির রয়েছে। বিবৃতিতে এই বৈরী কর্মকাণ্ডের সব পরিণতির জন্য ইরানকে সম্পূর্ণরূপে দায়ী করা হয়। জিসিসি জানায়, তেহরানের এই অস্থিতিশীল আচরণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিশ্ব অর্থনীতিকে গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে এই হামলার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জিসিসি। সমুদ্র আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশন (ইউএনসিএলওএস) অনুসারে, বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হরমুজ প্রণালীতে কোনো ধরনের একতরফা বিধিনিষেধ বা ট্রানজিট মাশুল আরোপ ছাড়াই নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

খুঁজুন