ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় শনিবার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১০ বছর বয়সী এক কন্যাশিশু ও গাজার একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার ছেলেও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, শিশুটি গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের উত্তরে সকালে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে আহত হওয়ার পর মারা গেছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, উত্তর গাজার জাবালিয়ায় বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলায় বাসির আল-বার্শ নিহত হয়েছেন।
তিনি গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বার্শের ছেলে।
ছেলের জানাজায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মুনির আল-বার্শ বলেন, এই হত্যাকাণ্ড ‘ইসরাইলের অপরাধেরই ধারাবাহিকতা’।
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে তার এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
এ ছাড়া গাজা সিটির কাছে পৃথক দুটি হামলায় আরও দুই ফিলিস্তিনি নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার আল-শিফা হাসপাতাল ও হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন উদ্ধারকারী বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।
হামলার বিষয়ে এএফপি ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কাছে জানাতে চাইলে তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি তারা।
গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। তবে এরপরও ইসরাইলি বাহিনী গাজার আরও ভেতরে অগ্রসর হয়েছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হামাসকে লক্ষ্য করে হামলা বন্ধ না করার অঙ্গীকার করেছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছিল হামাস।
নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, হামাস তাদের সব অস্ত্র সমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার করা হবে না।
ইসরাইলি সরকারি হিসাবের ভিত্তিতে এএফপির জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় ১ হাজার ২২১ জন নিহত হয়। হামাসের যোদ্ধারা প্রায় ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ৪৪ জন এরই মধ্যে মারা গেছে।
এর জবাবে ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক অভিযানে গাজার অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘ এই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, গত বছর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের মতে, মন্ত্রণালয়টির এসব পরিসংখ্যান সাধারণভাবে নির্ভরযোগ্য।
অন্যদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, একই সময়ে তাদের বাহিনীর পাঁচজন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া একজন বেসামরিক ঠিকাদারও নিহত হয়েছেন।
ইসরাইলি হামলায় গাজায় শিশুসহ নিহত ৪
ইসরাইলি হামলায় গাজায় শিশুসহ নিহত ৪
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় শনিবার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১০ বছর বয়সী এক কন্যাশিশু ও গাজার একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার ছেলেও রয়েছেন বলে জানা গেছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, শিশুটি গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের উত্তরে সকালে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে আহত হওয়ার পর মারা গেছে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, উত্তর গাজার জাবালিয়ায় বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলায় বাসির আল-বার্শ নিহত হয়েছেন। তিনি গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বার্শের ছেলে। ছেলের জানাজায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মুনির আল-বার্শ বলেন, এই হত্যাকাণ্ড ‘ইসরাইলের অপরাধেরই ধারাবাহিকতা’। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে তার এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া গাজা সিটির
কাছে পৃথক দুটি হামলায় আরও দুই ফিলিস্তিনি নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার আল-শিফা হাসপাতাল ও হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন উদ্ধারকারী বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা। হামলার বিষয়ে এএফপি ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কাছে জানাতে চাইলে তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি তারা। গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। তবে এরপরও ইসরাইলি বাহিনী গাজার আরও ভেতরে অগ্রসর হয়েছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হামাসকে লক্ষ্য করে হামলা বন্ধ না করার অঙ্গীকার করেছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছিল হামাস। নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, হামাস তাদের সব অস্ত্র সমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার করা হবে না। ইসরাইলি সরকারি হিসাবের ভিত্তিতে এএফপির জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় ১ হাজার
২২১ জন নিহত হয়। হামাসের যোদ্ধারা প্রায় ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ৪৪ জন এরই মধ্যে মারা গেছে। এর জবাবে ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক অভিযানে গাজার অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ এই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, গত বছর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মতে, মন্ত্রণালয়টির এসব পরিসংখ্যান সাধারণভাবে নির্ভরযোগ্য। অন্যদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, একই সময়ে তাদের বাহিনীর পাঁচজন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া একজন বেসামরিক ঠিকাদারও নিহত হয়েছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত