সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
আন্তর্জাতিক ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে ঢুকে পড়েছে রাশিয়া

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে ঢুকে পড়েছে রাশিয়া

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ দনিপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চলে ঢুকে পড়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। প্রথমবারের মতো এ তথ্য স্বীকার করেছে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, রুশ সেনারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এই শিল্প এলাকায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, খনি ও শিল্পের জন্য দনিপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চল ইউক্রেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে তার ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে যে পাঁচটি ইউক্রেনীয় অঞ্চল দাবি করে, তার মধ্যে দনিপ্রোপেত্রভস্ক অন্তর্ভুক্ত নয়।

সামরিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন যে, এই অঞ্চলের গভীরে মস্কোর অগ্রগতি কিয়েভের অর্থনীতি এবং সামরিক বাহিনীর জন্য উল্লেখযোগ্য অসুবিধা তৈরি করতে পারে।

গত গ্রীষ্ম থেকেই রাশিয়া দাবি করে আসছে যে, তাদের সেনারা ওই এলাকায় প্রবেশ করেছে। তারা দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেনের ভেতরে আরও গভীরে ঢোকার চেষ্টা করছে। গত জুনের শুরুর দিকে রুশ কর্মকর্তারা বলেছিলেন, দনিপ্রোপেত্রভস্কে তাদের অভিযান শুরু হয়েছে। যদিও ইউক্রেনীয় সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, তারা কেবল সীমান্ত অতিক্রম করতে পেরেছে।

দনিপ্রোপেত্রভস্কে রুশ অগ্রযাত্রা ইউক্রেনের মনোবলের জন্য বড় আঘাত হবে, বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যুদ্ধ থামানোর ক্ষেত্রে ভাটা পড়ছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, পুতিন ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, ইউক্রেন যদি দোনেৎস্কের অবশিষ্ট অঞ্চল রাশিয়ার হাতে তুলে দেয়, তাহলে তিনি যুদ্ধ শেষ করতে রাজি। তবে অনেক ইউক্রেনীয় মনে করেন, রুশ প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্য এর চেয়েও বড়।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কালাসও সতর্ক করে বলেন, ‘শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেনের ভূমি রাশিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হবে ‘একটি ফাঁদ’।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ভুলে যাচ্ছি, রাশিয়া কোনো ছাড় দেয়নি, বরং তারাই এখানে আগ্রাসন চালাচ্ছে।’

খুঁজুন