কখনো কখনো একটি ফোনকলই আতঙ্কের মুহূর্তকে স্বস্তিতে পরিণত করতে পারে। সংকটে দিতে পারে নিশ্চিন্ত নির্ভরতা।
শনিবার এমন দুটি ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ দুটি পরিবারের জন্য সেই ‘লাইফলাইন’ হয়ে ওঠে। একটি ঘটনায় চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর এক গর্ভবতী নারীকে উদ্ধার করা হয়। অন্য ঘটনায় দুর্ঘটনাক্রমে ট্রেনে থেকে যাওয়া চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর পৃথকভাবে ঘটে যাওয়া এ দুটি ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে, টোল-ফ্রি জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ একটি ফোনকলের মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবার গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার সাত্তার এ দুটি ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সার্বক্ষণিক চালু থাকে এবং পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন জরুরি সহায়তার সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়।
চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর নারী উদ্ধার
শনিবার রাতে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া কালীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চে এক গর্ভবতী নারী তীব্র প্রসববেদনায় আক্রান্ত হলে এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করেন।
ফোনকারী জানান, ওই নারী ব্যথায় কাতর হয়ে কাঁদছিলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে নারায়ণগঞ্জের কোস্ট গার্ড কন্ট্রোল রুম এবং নারায়ণগঞ্জ জোনের নৌ-পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে।
৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল করুণা সরকার কলটি গ্রহণ করেন। এরপর ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই মাসুম বিল্লাহ উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন।
খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের পাগলা স্টেশন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল স্পিডবোট নিয়ে চলন্ত লঞ্চটির কাছে পৌঁছে যায়।
উদ্ধারকারী দল অসুস্থ নারীকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকার সদরঘাটে নিয়ে আসে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে সম্প্রতি ৯৯৯-এর সহায়তায় ভোলা-ঢাকাগামী একটি চলন্ত লঞ্চ থেকে শ্বাসকষ্টে গুরুতর অসুস্থ সাত মাস বয়সী এক শিশুকেও কোস্ট গার্ড সদস্যরা উদ্ধার করেছিলেন।
চলন্ত ট্রেনে ফেলে যাওয়া শিশু উদ্ধার
শনিবার দুপুরে আরেকটি জরুরি ফোনকলের মাধ্যমে চলন্ত ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া তিন থেকে চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়।
নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে থাকা এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তিনি একটি ট্রেনে শিশুটিকে দেখতে পেয়েছেন। তার ধারণা ছিল, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে নেমে গেছেন।
৯৯৯-এ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির মা মেয়েকে নিয়ে সিলেটের কুলাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে কালনী এক্সপ্রেসে যাত্রা করছিলেন।
ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছালে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে মা তার লাগেজ নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে যান। কিন্তু তিনি মেয়েকে ট্রেন থেকে নামাতে পারেননি। পরে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেলে শিশুটি ট্রেনেই থেকে যায়।
৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমকে বিষয়টি জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে বলে।
৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল মিতু ফোনকলটি গ্রহণ করেন। পরে ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই তরুণ কুমার আচার্য উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন।
ট্রেনটি নরসিংদীতে পৌঁছালে নরসিংদী রেলওয়ে থানার একটি দল শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা নরসিংদী রেলওয়ে থানায় পৌঁছালে নিরাপদে শিশুটিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কুমিল্লার ডা. সৈয়দা ফারজানা আফরিন জানান, তার বাবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স কুমিল্লা নেয়ার পথে বিকল হয়ে যায়। এ অবস্থায় তারা কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। সেখানে উপস্থিত একজন ৯৯৯ এ ফোন করেন। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে সেখানে অপর একটি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে যায়। তখন পিতা হারানোর শোকের মাঝেও বিড়ম্বনা থেকে মুক্তিতে তারা স্বস্তি পান।
৯৯৯-এর বিশেষত্ব
এ ধরনের ঘটনা ৯৯৯ জরুরি সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। জরুরি অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে কোন সংস্থা ঘটনাস্থলে গিয়ে সহায়তা করবে, তা কলকারীকে জানতেই হবে এমন নয়। জরুরি পরিস্থিতির তথ্য পাওয়ার পর ৯৯৯ সংশ্লিষ্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে তা পৌঁছে দিতে পারে।
সড়ক দুর্ঘটনা ও বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষকেও উদ্ধারে ৯৯৯ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এমনই একটি ঘটনায় ৯৯৯-এ পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বন্যার পানিতে আটকে পড়া ১৩ জনকে উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও কয়েকজন শিশুও ছিল।
এসব ঘটনা প্রমাণ করে, সংকটের মুহূর্তে কোনো ব্যক্তি নিজে পুলিশ স্টেশন, হাসপাতাল বা উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে পৌঁছাতে না পারলেও ৯৯৯ তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার মধ্যে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগসূত্র হিসেবে কাজ করতে পারে।
তবে অপ্রয়োজনীয় ও ভুয়া ফোনকল জরুরি সেবার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রকৃত বিপদে থাকা মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে বিলম্ব ঘটাতে পারে।
চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর ওই গর্ভবতী নারী এবং ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া ছোট্ট শিশুটির ক্ষেত্রে অবশ্য ফোনকল দুটি ছিল যথার্থ ও সময়োপযোগী। আর দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে দুটি সংকটময় পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় উদ্ধার ও স্বস্তির ঘটনায়।
জরুরি সেবা ৯৯৯: সংকটে দেয় নির্ভরতা
জরুরি সেবা ৯৯৯: সংকটে দেয় নির্ভরতা
কখনো কখনো একটি ফোনকলই আতঙ্কের মুহূর্তকে স্বস্তিতে পরিণত করতে পারে। সংকটে দিতে পারে নিশ্চিন্ত নির্ভরতা। শনিবার এমন দুটি ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ দুটি পরিবারের জন্য সেই ‘লাইফলাইন’ হয়ে ওঠে। একটি ঘটনায় চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর এক গর্ভবতী নারীকে উদ্ধার করা হয়। অন্য ঘটনায় দুর্ঘটনাক্রমে ট্রেনে থেকে যাওয়া চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। গত ১৯ সেপ্টেম্বর পৃথকভাবে ঘটে যাওয়া এ দুটি ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে, টোল-ফ্রি জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ একটি ফোনকলের মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব। ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবার গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার সাত্তার এ দুটি ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছেন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সার্বক্ষণিক চালু থাকে এবং পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন জরুরি সহায়তার সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়। চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর নারী উদ্ধার শনিবার রাতে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া কালীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চে এক গর্ভবতী নারী তীব্র প্রসববেদনায় আক্রান্ত হলে এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করেন। ফোনকারী জানান, ওই নারী ব্যথায় কাতর হয়ে কাঁদছিলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে নারায়ণগঞ্জের কোস্ট গার্ড কন্ট্রোল রুম এবং নারায়ণগঞ্জ জোনের নৌ-পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে। ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল করুণা সরকার কলটি গ্রহণ করেন। এরপর ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই মাসুম বিল্লাহ উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের পাগলা স্টেশন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল স্পিডবোট নিয়ে চলন্ত লঞ্চটির কাছে পৌঁছে যায়। উদ্ধারকারী দল
অসুস্থ নারীকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকার সদরঘাটে নিয়ে আসে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে সম্প্রতি ৯৯৯-এর সহায়তায় ভোলা-ঢাকাগামী একটি চলন্ত লঞ্চ থেকে শ্বাসকষ্টে গুরুতর অসুস্থ সাত মাস বয়সী এক শিশুকেও কোস্ট গার্ড সদস্যরা উদ্ধার করেছিলেন। চলন্ত ট্রেনে ফেলে যাওয়া শিশু উদ্ধার শনিবার দুপুরে আরেকটি জরুরি ফোনকলের মাধ্যমে চলন্ত ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া তিন থেকে চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়। নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে থাকা এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তিনি একটি ট্রেনে শিশুটিকে দেখতে পেয়েছেন। তার ধারণা ছিল, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে নেমে গেছেন। ৯৯৯-এ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির মা মেয়েকে নিয়ে সিলেটের কুলাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে কালনী এক্সপ্রেসে যাত্রা করছিলেন। ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছালে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে মা তার লাগেজ নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে যান। কিন্তু তিনি মেয়েকে ট্রেন থেকে নামাতে পারেননি। পরে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেলে শিশুটি ট্রেনেই থেকে যায়। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমকে বিষয়টি জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে বলে। ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল মিতু ফোনকলটি গ্রহণ করেন। পরে ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই তরুণ কুমার আচার্য উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন। ট্রেনটি নরসিংদীতে পৌঁছালে নরসিংদী রেলওয়ে থানার একটি দল শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা নরসিংদী রেলওয়ে থানায় পৌঁছালে নিরাপদে শিশুটিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কুমিল্লার ডা. সৈয়দা ফারজানা আফরিন জানান, তার বাবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স কুমিল্লা নেয়ার পথে বিকল হয়ে যায়।
এ অবস্থায় তারা কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। সেখানে উপস্থিত একজন ৯৯৯ এ ফোন করেন। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে সেখানে অপর একটি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে যায়। তখন পিতা হারানোর শোকের মাঝেও বিড়ম্বনা থেকে মুক্তিতে তারা স্বস্তি পান। ৯৯৯-এর বিশেষত্ব এ ধরনের ঘটনা ৯৯৯ জরুরি সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। জরুরি অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে কোন সংস্থা ঘটনাস্থলে গিয়ে সহায়তা করবে, তা কলকারীকে জানতেই হবে এমন নয়। জরুরি পরিস্থিতির তথ্য পাওয়ার পর ৯৯৯ সংশ্লিষ্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে তা পৌঁছে দিতে পারে। সড়ক দুর্ঘটনা ও বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষকেও উদ্ধারে ৯৯৯ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এমনই একটি ঘটনায় ৯৯৯-এ পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বন্যার পানিতে আটকে পড়া ১৩ জনকে উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও কয়েকজন শিশুও ছিল। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, সংকটের মুহূর্তে কোনো ব্যক্তি নিজে পুলিশ স্টেশন, হাসপাতাল বা উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে পৌঁছাতে না পারলেও ৯৯৯ তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার মধ্যে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগসূত্র হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে অপ্রয়োজনীয় ও ভুয়া ফোনকল জরুরি সেবার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রকৃত বিপদে থাকা মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে বিলম্ব ঘটাতে পারে। চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর ওই গর্ভবতী নারী এবং ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া ছোট্ট শিশুটির ক্ষেত্রে অবশ্য ফোনকল দুটি ছিল যথার্থ ও সময়োপযোগী। আর দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে দুটি সংকটময় পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় উদ্ধার ও স্বস্তির ঘটনায়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত