ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে মঙ্গলবার ভোরে রাশিয়ার ‘ব্যাপক’ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একটি রেলওয়ে ডিপোর সাতজন রয়েছেন। কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় বিমান হামলা জোরদার করার মধ্যেই মস্কো এ হামলা চালিয়েছে।
গ্রীষ্মের ছুটি শেষে মঙ্গলবার শিশুদের স্কুলে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যেই রাজধানীতে কয়েক সপ্তাহ ধরে রুশ হামলা তীব্র হওয়ায় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানান, রাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে চালানো হামলায় আটজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ইউক্রেনীয় রেলওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওলেক্সান্দর পের্তসভস্কি জানান, কিয়েভের একটি রেলওয়ে ডিপো ও অন্যান্য রেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
তিনি বলেন, ‘ব্যালিস্টিক হামলায় সাতজনের প্রাণ গেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আমাদের কর্মী।’ তিনি আরও জানান, রেলওয়ের আরেক কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পের্তসভস্কি বলেন, হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। একটি ওয়ার্কশপ পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। কয়েকটি স্থানে আগুন এখনও জ্বলছিল। আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানান, কিয়েভের পূর্বে বোরিসপিল এলাকায় হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের বাহিনী দূরপাল্লার অস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলের সামরিক-শিল্প স্থাপনা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ছিল হামলার লক্ষ্য।
এ ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয় ওদেসা অঞ্চলের অবকাঠামো এবং ওদেসা ও চোরনোমোরস্ক বন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়টি জানায়। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, ‘ব্যালিস্টিক অস্ত্র এবং কিয়েভ ও অঞ্চলের বিরুদ্ধে অন্যান্য হামলার হুমকি এখনও রয়েছে।’
তারা বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আহ্বান জানায়। গত সপ্তাহের শেষে রাজধানীর উপকণ্ঠে একটি গোলাবারুদের ডিপোতে হামলায় ৩৮ জন নিহত হন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়েছে। গুদাম, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, তেল ও বন্দর স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এবং জাহাজ হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
ইউক্রেনে প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা প্রয়োজনের তুলনায় কম রয়েছে।
কিয়েভে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ৮
কিয়েভে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ৮
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে মঙ্গলবার ভোরে রাশিয়ার ‘ব্যাপক’ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একটি রেলওয়ে ডিপোর সাতজন রয়েছেন। কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় বিমান হামলা জোরদার করার মধ্যেই মস্কো এ হামলা চালিয়েছে। গ্রীষ্মের ছুটি শেষে মঙ্গলবার শিশুদের স্কুলে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যেই রাজধানীতে কয়েক সপ্তাহ ধরে রুশ হামলা তীব্র হওয়ায় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানান, রাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে চালানো হামলায় আটজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ইউক্রেনীয় রেলওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
ওলেক্সান্দর পের্তসভস্কি জানান, কিয়েভের একটি রেলওয়ে ডিপো ও অন্যান্য রেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তিনি বলেন, ‘ব্যালিস্টিক হামলায় সাতজনের প্রাণ গেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আমাদের কর্মী।’ তিনি আরও জানান, রেলওয়ের আরেক কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পের্তসভস্কি বলেন, হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। একটি ওয়ার্কশপ পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। কয়েকটি স্থানে আগুন এখনও জ্বলছিল। আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানান, কিয়েভের পূর্বে বোরিসপিল এলাকায় হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের বাহিনী দূরপাল্লার অস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলের সামরিক-শিল্প স্থাপনা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ছিল হামলার লক্ষ্য। এ ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয়
ওদেসা অঞ্চলের অবকাঠামো এবং ওদেসা ও চোরনোমোরস্ক বন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়টি জানায়। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, ‘ব্যালিস্টিক অস্ত্র এবং কিয়েভ ও অঞ্চলের বিরুদ্ধে অন্যান্য হামলার হুমকি এখনও রয়েছে।’ তারা বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আহ্বান জানায়। গত সপ্তাহের শেষে রাজধানীর উপকণ্ঠে একটি গোলাবারুদের ডিপোতে হামলায় ৩৮ জন নিহত হন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়েছে। গুদাম, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, তেল ও বন্দর স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এবং জাহাজ হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। ইউক্রেনে প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা প্রয়োজনের তুলনায় কম রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত