যুক্তরাষ্ট্র জুনের চুক্তিতে ফিরে এলে ইরানও ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ পাল্টা পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মঙ্গলবার কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি, যুক্তরাষ্ট্র যদি উল্লিখিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসে, তাহলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানও তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা পদক্ষেপ নেবে।’ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
তাদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ওই সমঝোতা স্মারক করা হয়েছিল। কয়েক মাস ধরে চলা তেহরান ও ওয়াশিংটনের সংঘাত অবসানের জন্য এটি করা হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাত শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। পরে চুক্তিটি ভেস্তে যায়। চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের জন্য উভয় পক্ষ পরস্পরকে দায়ী করে।
পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালী। এক মাসের বেশি সময় ধরে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পর সোমবার দুই দেশ আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করে।
তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ রেখেছে। তবে তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রও একই পদক্ষেপ নিলে চুক্তির আওতায় তারা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়াসহ নিজেদের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যাবে।
সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের প্রতিশ্রুতিতে এবং তাদের প্রেসিডেন্ট যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, তাতে ফিরে আসতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেক্ষেত্রে সবকিছু আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’
যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ফিরলে ইরানও প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে
যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ফিরলে ইরানও প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে
যুক্তরাষ্ট্র জুনের চুক্তিতে ফিরে এলে ইরানও ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ পাল্টা পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মঙ্গলবার কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি, যুক্তরাষ্ট্র যদি উল্লিখিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসে, তাহলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানও তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা পদক্ষেপ নেবে।’ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। তাদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ওই সমঝোতা
স্মারক করা হয়েছিল। কয়েক মাস ধরে চলা তেহরান ও ওয়াশিংটনের সংঘাত অবসানের জন্য এটি করা হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাত শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। পরে চুক্তিটি ভেস্তে যায়। চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের জন্য উভয় পক্ষ পরস্পরকে দায়ী করে। পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালী। এক মাসের বেশি
সময় ধরে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পর সোমবার দুই দেশ আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করে। তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ রেখেছে। তবে তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রও একই পদক্ষেপ নিলে চুক্তির আওতায় তারা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়াসহ নিজেদের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যাবে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের প্রতিশ্রুতিতে এবং তাদের প্রেসিডেন্ট যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, তাতে ফিরে আসতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেক্ষেত্রে সবকিছু আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত