মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা শুরুর আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ স্মিথের বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোট থেকে ১৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ভারত সিরিজে আফগানিস্তান দলে ফিরলেন নাভিন ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা প্রতিটি বিভাগে মডেল খাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে : দুর্যোগমন্ত্রী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা
মতামত কুড়িগ্রামে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে চলছে ‍ছাত্রী রিংকি রানী পাল

কুড়িগ্রামে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে চলছে ‍ছাত্রী রিংকি রানী পাল

উত্তম রায়, নিজস্ব প্রতিনিধি :

জীবনের সাথে হররোজ যুদ্ধ করে চলছে ‍হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্রী রিংকি রানী পাল। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতো  একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় কর্মকতা হবার।  অভাবী পরিবারে নানা প্রতিকুলতার মাঝেও জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করেছে রিংকি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের শুরুতেই টাকার অভাবে পড়ালেখা বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে তার। মাত্র ৫ মাস আগে বাবা  স্বপন চন্দ্র পাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মা চন্দনা রানী পাল তিন সন্তান নিয়ে চরম কষ্টে পড়েছেন। মেয়ে রিংকির পড়াশুনার আগ্রহ দেখে বাড়ীর পাশের জমিটি বর্গা রেখে ভর্তির টাকা দিয়েছিল। কিন্তু এখন মাসের খরচ দিতে পারছে না। রিংকি জানেনা কি করবে। রিংকির বাবা সামান্য মুদি দোকানদার ছিল।এ আয়ে তাদের সংসার কোন রকমে চলতো।ছো্ট বেলা থেকে প্রচন্ড মেধাবী বলেই তার পড়ালেখা কোন বাধাতেই থেমে থাকতে পারেনি। অদম্য ইচ্ছে আর মানসিক শক্তি তাকে এ অবস্থায় নিয়ে এসেছে।জীবনের এমনি এক কঠিন অবস্থায় এসে রিংকির মনে হচ্ছে থেমে যেতে পারে তার শিক্ষা জীবন। ‍দিনাজপুরে হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে এক ম্যাচে থাকে। এখনও হলে সীট পায়নি।টাকার অভাবে ম্যাচে তিন বেলা খাবার পরির্বতে দু বেলা খায়। এখানে সব মিলে মাসে খরচ হয় তিন হাজার ৫শ টাকা।পড়াশুনা ছাড়া তার আর কোন চাহিদা নেই।এ যুদ্ধে তাকে জয়ী হতেই হবে। একটি টিউশনি খুজছে দিনাজপুর শহরে এখনও পায়নি। মেয়ে বলেই তাকে টিউশুনি দিতে চায় না কোন অভিভাবক। রিংকি জানায় ছোটবেলা থেকে চরম কষ্টে পড়ালেখা করেছে। এমন কি তার জামা কাপড় ও মানুষের দেয়া। শুধু একটা কাজ অথবা শিক্ষা বৃত্তি চায়। তা দিয়ে পড়াশুনাটা চালিয়ে যেতে চায়। নিজের কষ্টের কথা বলতে বলতে কখন নিজের চোখে পানি এসেছিল জানেনা। কথা প্রসঙ্গে জানায় এইচ এস সি পরীক্ষার পর কোন কোচিং ও করিনি। শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বড় ভাই এর পরামর্শে পড়াশুনা করেছি। আমরা নানা ভাবে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে  কত টাকা খরচ করি। একটু কি রিংকির পাশে তার পড়ালেখার একটি বৃ্ত্তির ব্যবস্থা করতে পারি না। অথবা তার একটি টিউশুনির ব্যবস্থা করে দিতে পারি না। এতে বদেল যাবে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালাটারি গ্রামের মেধাবী রিংকির জীবন।

খুঁজুন