রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
নতুন বছরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে বই-ড্রেস-জুতা ও ব্যাগ • এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে জালিয়াতি প্রতিরোধে ইসলামী ব্যাংকে কর্মশালা • নেতানিয়াহুকে হঠাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের দাবিতে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ • বাইনোকুলারে দেখলাম ওঁৎ পেতে আছে বাংলাদেশিরা, ফাঁক পেলে ঢুকে পড়বে: শুভেন্দু অধিকারী • ‘১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন’ • হ‌ুমায়ূন পড়লে বাংলা আর ভাষার প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায়: অনুপম রায় • বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি: লটারিতে প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন নির্বাচিত • নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার • ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ইমোশন নয়, আইনের পথেই এগোবে সরকার’ • যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পাচ্ছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থী
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লাইভের বক্তব্য ও চেহারাও বদলে দেবে এআই

লাইভের বক্তব্য ও চেহারাও বদলে দেবে এআই

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে, যা লাইভ সম্প্রচারের সময় বক্তার চেহারা ও বক্তব্য সম্পূর্ণ বদলে দিতে সক্ষম। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিওর শুধু শব্দ ফিল্টার বা সাবটাইটেল যুক্ত করা হবে না, বরং কথার সঙ্গে মিলিয়ে মুখের নড়াচড়াও এমনভাবে পরিবর্তন করা হবে যা দেখে একদম বাস্তব মনে হবে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোসফট গত বছরের ২৯ এপ্রিল এই প্রযুক্তির পেটেন্টের জন্য আবেদন করে এবং চলতি বছর ২৯ অক্টোবর তা প্রকাশ্যে আসে। এই উদ্ভাবনের সঙ্গে ডেভিড ক্যালাঘান ও দিনেশ কুমার নামের দুই ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন এবং এটি মাইক্রোসফট টেকনোলজি লাইসেন্সিং, এলএলসি এর নামে নিবন্ধিত হয়েছে।

নতুন এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত অডিও ও ভিডিওর শব্দ এক থেকে দশ সেকেন্ডের মধ্যে পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। এর ফলে বক্তার মুখের কথার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঠোঁটের নড়াচড়া এমনভাবে বদলে যাবে যা দর্শকদের কাছে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক মনে হবে। কেউ চাইলে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বক্তব্য থেকে আপত্তিকর শব্দ বাদ দিতে পারবেন কিংবা ভুল উচ্চারণ ও অপ্রয়োজনীয় শব্দ ফেলে দিয়ে কথা আরও সাবলীল করতে পারবেন। এর মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত বক্তব্য আরও পরিশীলিত ও শ্রুতিমধুর হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে নানা মহলে ইতোমধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ এর ফলে কোনটি আসল ভিডিও আর কোনটি ডিপফেইক তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে। দর্শকরা অনেক সময় বক্তার আসল কথার বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু শুনতে পারেন, যা সাংবাদিকতা ও সম্প্রচারমাধ্যমের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এছাড়া আদালত বা বিচারিক কার্যক্রমে ডিজিটাল প্রমাণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও মারাত্মক বিপত্তি সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ভিডিওটি বিশ্বাসযোগ্য মনে হলে প্রকৃত সত্য যাচাই করা আরও দুরূহ হয়ে উঠতে পারে।

প্রযুক্তির পেটেন্ট আবেদনে ভবিষ্যতে তথ্য যাচাই ও সত্যতা নিশ্চিত করতে মূল অডিও ও ভিডিও নিরাপদে সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। মূল রেকর্ড সংরক্ষিত থাকলে আদั่น প্রকৃত ঘটনা কী ঘটেছিল তা প্রমাণ করা সহজ হতে পারে। তবে কোনো ভিডিওতে সম্পাদনা বা পরিবর্তন করা হলে সে বিষয়ে দর্শকদের স্পষ্টভাবে জানানো অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে মূল অডিও ও ভিডিওতে যেন সবার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা যায়, সেই প্রয়োজনীয়তার কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

খুঁজুন