আইন-আদালত ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আবেগ বা রাজনৈতিক বিবেচনাকে স্থান দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, বন্দিবিনিময় চুক্তির বিধান অনুযায়ী ভারত সরকারের কাছে তাকে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানো হয়েছে। ভারত সরকার তাকে হস্তান্তর করলে দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পরবর্তী সব আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি কর্মশালার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।
ভারতের আদালতে কোনো আইনি লড়াই করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন যে, তাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে ভারত সরকারের ওপর নির্ভর করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারতের পক্ষ থেকে তাকে রাষ্ট্রীয় অতিথি বলা হলেও বাংলাদেশের কাছে তিনি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) আয়োজনে ‘বিচারিক কার্যক্রমে শুদ্ধাচার’ শীর্ষক ওই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি উদাহরণস্বরূপ ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায়ের সমালোচনা করে বলেন যে, ওই রায় দেশকে ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত করার পথ প্রশস্ত করেছিল। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি বিচারিক পর্যালোচনার নামে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন যে, বিচারকদের নৈতিকতা ও সততার ওপরই জনগণের আস্থা ও ভরসা মূলত নির্ভর করে। বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং বিচারকসহ প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে বিচারকেরা দায়িত্ব পালন করলে দেশে আইনের শাসন ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা পায় বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ইমোশন নয়, আইনের পথেই এগোবে সরকার’
‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ইমোশন নয়, আইনের পথেই এগোবে সরকার’
আইন-আদালত ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আবেগ বা রাজনৈতিক বিবেচনাকে স্থান দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, বন্দিবিনিময় চুক্তির বিধান অনুযায়ী ভারত সরকারের কাছে তাকে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানো হয়েছে। ভারত সরকার তাকে হস্তান্তর করলে দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পরবর্তী সব আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি কর্মশালার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।ভারতের আদালতে কোনো আইনি লড়াই করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন যে, তাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে ভারত সরকারের ওপর
নির্ভর করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারতের পক্ষ থেকে তাকে রাষ্ট্রীয় অতিথি বলা হলেও বাংলাদেশের কাছে তিনি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) আয়োজনে ‘বিচারিক কার্যক্রমে শুদ্ধাচার’ শীর্ষক ওই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি উদাহরণস্বরূপ ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায়ের সমালোচনা করে বলেন যে, ওই রায় দেশকে ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত করার পথ প্রশস্ত করেছিল। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনার উদ্যোগ নেওয়া
হচ্ছে বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি বিচারিক পর্যালোচনার নামে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন যে, বিচারকদের নৈতিকতা ও সততার ওপরই জনগণের আস্থা ও ভরসা মূলত নির্ভর করে। বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং বিচারকসহ প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে বিচারকেরা দায়িত্ব পালন করলে দেশে আইনের শাসন ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা পায় বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত