লাইফস্টাইল ডেস্ক: ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় শীতের আগেই ত্বকে শুষ্কতা ও খসখসে ভাব দেখা দেয়। এই সময়ে ত্বকের কোমলতা রক্ষায় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি হলেও বাজারে থাকা কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনীর বিকল্প হিসেবে রান্নাঘরের উপাদান ব্যবহার করা যায়। ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক উপাদান কেবল সাময়িক আর্দ্রতাই জোগায় না, বরং ত্বকের নিজস্ব প্রতিরক্ষামূলক স্তর বা স্কিন ব্যারিয়ার ভেতর থেকে পুনর্গঠন ও মেরামত করে। ফলে ত্বক দীর্ঘমেয়াদে নিজস্ব আর্দ্রতা ধরে রাখতে সক্ষম হয় এবং বাইরের ধুলাবালি থেকে সুরক্ষিত থাকে।
চিকিৎসাবিজ্ঞান-বিষয়ক সাময়িকী এবং চর্মরোগ সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী, ঘরোয়া উপায়ে চার ধরনের কার্যকর প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার বা হাইড্রেইটিং প্যাক তৈরি করা সম্ভব। শুষ্ক ও খসখসে ত্বকের জন্য মধু ও ওটমিলের প্যাক বেশ উপকারী, যা ত্বকের গভীরে আর্দ্রতা আটকে রাখে এবং চুলকানি কমায়। অন্যদিকে, স্বাভাবিক ও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কাঁচা দুধ ও অ্যালোভেরা জেলের মিশ্রণটি অত্যন্ত কার্যকরী।
সব ধরনের ত্বকের সুরক্ষায় গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের একটি ঘরোয়া সেরাম তৈরি করা যেতে পারে, যা চামড়া ফাটা ও রুক্ষতা রোধ করে। এছাড়া অতিরিক্ত শুষ্ক হাত ও পায়ের যত্নে কোল্ড-প্রেসড নারিকেল তেল এবং শিয়া বাটার দিয়ে একটি ঘন বডি লোশন বানিয়ে ব্যবহার করা যায়। এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ত্বককে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন সরবরাহ করে দ্রুত নিরাময় করে।
তবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অ্যালার্জির ঝুঁকি থাকে বলে মুখে লাগানোর পূর্বে হাতের ত্বকে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া প্রয়োজন। ঘরোয়া এসব ময়েশ্চারাইজারে কোনো প্রিজারভেটিভ বা সংরক্ষক না থাকায় এগুলো একসঙ্গে বেশি পরিমাণে তৈরি না করে অল্প করে বানিয়ে চার-পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যবহার শেষ করা উচিত।
নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার
নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার
লাইফস্টাইল ডেস্ক: ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় শীতের আগেই ত্বকে শুষ্কতা ও খসখসে ভাব দেখা দেয়। এই সময়ে ত্বকের কোমলতা রক্ষায় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি হলেও বাজারে থাকা কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনীর বিকল্প হিসেবে রান্নাঘরের উপাদান ব্যবহার করা যায়। ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক উপাদান কেবল সাময়িক আর্দ্রতাই জোগায় না, বরং ত্বকের নিজস্ব প্রতিরক্ষামূলক স্তর বা স্কিন ব্যারিয়ার ভেতর থেকে পুনর্গঠন ও মেরামত করে। ফলে ত্বক দীর্ঘমেয়াদে নিজস্ব আর্দ্রতা ধরে রাখতে সক্ষম হয় এবং বাইরের ধুলাবালি থেকে সুরক্ষিত থাকে।চিকিৎসাবিজ্ঞান-বিষয়ক সাময়িকী
এবং চর্মরোগ সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী, ঘরোয়া উপায়ে চার ধরনের কার্যকর প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার বা হাইড্রেইটিং প্যাক তৈরি করা সম্ভব। শুষ্ক ও খসখসে ত্বকের জন্য মধু ও ওটমিলের প্যাক বেশ উপকারী, যা ত্বকের গভীরে আর্দ্রতা আটকে রাখে এবং চুলকানি কমায়। অন্যদিকে, স্বাভাবিক ও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কাঁচা দুধ ও অ্যালোভেরা জেলের মিশ্রণটি অত্যন্ত কার্যকরী।সব ধরনের ত্বকের সুরক্ষায় গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের একটি ঘরোয়া সেরাম তৈরি করা যেতে পারে, যা চামড়া ফাটা ও রুক্ষতা রোধ করে। এছাড়া অতিরিক্ত শুষ্ক হাত ও
পায়ের যত্নে কোল্ড-প্রেসড নারিকেল তেল এবং শিয়া বাটার দিয়ে একটি ঘন বডি লোশন বানিয়ে ব্যবহার করা যায়। এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ত্বককে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন সরবরাহ করে দ্রুত নিরাময় করে।তবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অ্যালার্জির ঝুঁকি থাকে বলে মুখে লাগানোর পূর্বে হাতের ত্বকে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া প্রয়োজন। ঘরোয়া এসব ময়েশ্চারাইজারে কোনো প্রিজারভেটিভ বা সংরক্ষক না থাকায় এগুলো একসঙ্গে বেশি পরিমাণে তৈরি না করে অল্প করে বানিয়ে চার-পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যবহার শেষ করা উচিত।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত