শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর মাছে-ভাতে বাঙালির যে ঐতিহ্য তা ধরে রাখতে হবে
খাল খননের মাধ্যমে

মাছে-ভাতে বাঙালির যে ঐতিহ্য তা ধরে রাখতে হবে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, খাল খননের মাধ্যমে মাছে-ভাতে বাঙালির যে ঐতিহ্য তা ধরে রাখতে হবে। নির্বাচনের আগে আমাদের দলের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল, আমরা যদি জনগণের ম্যান্ডেড পাই, তাহলে আমরা ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবো। সেটারই আঙ্গিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একক ভাবনা এবং তার উৎসাহ উদ্দীপনায় আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে এবছর ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার এবং ৫ বছরে সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবো।

বুধবার (২৪ জুন) মানিকগঞ্জের শিবালয়ে আমডালা খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনের এসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান একটি যুগান্তকারী কর্মসূচি নিয়েছিলেন অর্থনীতিকে সমৃদ্ধি করার জন্য তিনি খাল কাটা শুরু করেছিলেন। তিনি খাল কাটার মধ্য দিয়ে খাদ্যে শয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিলেন এবং সেই সময় খাদ্য রপ্তানি করা হতো। খাল শুধু খাল নয়, যোমন শুস্ক মৌসুমে খালের মধ্যে পানি সংরক্ষন করা যায় তেমনি বর্ষা মৌসুমে দ্রত পানি যাতে দ্রুত গতিতে পানি নিস্কাশিত হয়ে যাতে ফসলহানি না হয় সে ব্যবস্থা করা উচিত। এবার নতুন দু’টি জিনিস আমরা সংযুক্ত করেছি যেমন খালের পারে আমরা গাছ লাগাচ্ছি কারণ এটাও আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আগামি পাঁচ বছরে আমরা ২৫ কোটি গাছ লাগাবো। তারই অংশ হিসেবে আমরা খালের পারে গাছ লাগাচ্ছি। খালের মধ্যে যেখানে পানি সংরক্ষণ করে রাখা হবে সেখানে মাছের চাষ করা হবে। মাছে-ভাতে যে বাঙালি সেটার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হবে এই খালের মাধ্যমে। সর্বপুরি গ্রামীণ অর্থনীতিতে একটা চাঙ্গাভাব আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে যদি আমরা স্বাবলম্বি করে তুলতে পারি তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বি হবে।

মন্ত্রী বলেন, খাল কাটার আরেকটা গুরুত্ব হচ্ছে যে সারফেস ওয়াটার দিন দিন কমে যাচ্ছে। এটাতো আমাদের ধরে রাখতে হবে। আমাদের নদীগুলোও দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। পাশ্ববর্তী একটা দেশের পানি বৈষ্যম্যের জন্য ঠিকমতো আমরা পানি পাচ্ছি না। তিস্তা এখন মরুভুমিতে পরিণত হয়েছে। সেই কারণেই তিস্তা এবং পদ্মা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। আমরা মনে করি যে, বাংলাদেশ নদীমার্তৃক দেশ। নদীগুলো অযত্নে-অবহেলায় ও অবজ্ঞার কারণে নদীগুলো আজ খালে পরিণত হয়েছে। সেগুলোকেও পুণ:খননের একটা মহাপরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ১৭ বছরতো বাংলাদেশ দুর্নীতিতে নিন্মজিত ছিল। এক দিনেতো সবকিছু পরিস্কার করা সম্ভব হবে না। তবে এই ধরনের কোন স্পেসিফিক অভিযোগ হলে আমরা অবশ্য তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবো।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এসএ জিন্নাহ কবীর, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, বিপিএম, মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রাণী কর্মকার, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সত্যেন কান্ত পন্ডিত ভজন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ হাজী মো. মিজানুর রহমান লিটনসহ ও জেলা-উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খুঁজুন